
সোহেল রায়হান, জেলা প্রতিনিধি (পিরোজপুর)
পিরোজপুরে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২০০ পিস ইয়াবা ও মাদক বিক্রির নগদ ২ লাখ টাকা সহ মো. লিমন হোসেন (২৫) নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। এ সময় মো. রবিউল হাওলাদার (৩৫) নামে আরও এক ব্যক্তি পালিয়ে যায় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টা ৫ মিনিটের দিকে পিরোজপুর সদর থানাধীন ভৈরমপুর গ্রামের পলাতক আসামি রবিউল হাওলাদারের বসতঘরে অভিযান চালিয়ে লিমন হোসেনকে আটক করা হয়।
জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) সূত্রে জানা যায়, এসআই (নিঃ) পলাশ বিশ্বাসের নেতৃত্বে এএসআই (নিঃ) মো. আল মোশারেফ, কনস্টেবল মো. মশিউর রহমান, এসএম রাফসান জানি, সাইফুল ইসলাম ও জিহাদ খানসহ ডিবির একটি দল মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে বের হয়। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কদমতলা বাজার এলাকায় অবস্থানকালে ভৈরমপুর গ্রামের রবিউল হাওলাদারের বসতঘরে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের সময় লিমন হোসেনকে আটক করা হয়। এ সময় রবিউল হাওলাদার দৌড়ে পালিয়ে যায়। আটক লিমনের কাছ থেকে ২০০ পিস ইয়াবা ও মাদক বিক্রির নগদ ২ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে ডিবি পুলিশ।
আটক লিমন হোসেন (২৫) পিরোজপুর সদর উপজেলার শিকদার মল্লিক ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জুজখোলা এলাকার আব্দুল আউয়ালের ছেলে। আর পলাতক রবিউল হাওলাদা (৩৫) পিরোজপুর সদর উপজেলার ভৈরমপুর, কদমতলার ইউনুস হাওলাদারের ছেলে। জিজ্ঞাসাবাদে লিমন রবিউল হাওলাদারের কাছ থেকে মাদক সংগ্রহ করে বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ আরও জানায়, স্থানীয় কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তির কাছ থেকেও লিমন ও রবিউলের মাদক ব্যবসার বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে। তারা পরস্পর যোগসাজশে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে মাদকদ্রব্য বিক্রি করে আসছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
এ ঘটনায় আটক লিমন হোসেনকে ১ নম্বর আসামি এবং পলাতক রবিউল হাওলাদারকে ২ নম্বর আসামি করে পিরোজপুর সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সাধারণ ডায়েরি নং ২২৪/ এজহার দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি।
জেলা গোয়েন্দা শাখার কর্মকর্তা মশিউর রহমান জানান, আটক আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং উদ্ধারকৃত ইয়াবা ও নগদ টাকা জব্দ করা হয়েছে। মাদক নির্মূলে ডিবি পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
Leave a Reply