
স্টাফ রিপোর্টার
মিজানুর রহমান
দিনাজপুর জেলার বোচাগঞ্জ থানার ও,সি মিজাুর রহমান কে রংপুর রেঞ্জ ডি,আই,জির কার্যালয়ের ২৭ শে সেপ্টেম্বরের একঅফিস আদেশে ক্লোজ করা হয়েছ।
তার নতুন কর্মস্থল রংপুরের কুড়িগ্রাম হলে ও তাকে রেঞ্জ রংপুর সদর দপ্তরে সংযুক্ত থাকার কথা বলা হয়েছে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, ও,সি মিজানুর রহমান তার কিছু বিশ্বস্ত অফিসারের মাধ্যমে অনলাইন কেসিনো জুয়ার নামে উঠতি বয়সের যুবকদের জিম্মি করে মোটা অংকের টাকা আদায় সহ, বিভিন্ন অনিয়মের সাথে জরিত ছিলেন। ও,সি মিজানুর বোচাগঞ্জ থানায় যোগদানের কিছু দিন পরেই সেতাবগনজ পৌরসভার শাহ-মুখদুম পাড়া গ্রামে একটি মীমাংসিত বিষয় কে কেন্দ্র করে ঐ গ্রামের মহিলাদের সাথে খারাপ আচরন করায় গ্রাম বাসী ও,সি কে অবরুদ্ধ করে রেখেছিল। পরবর্তী তে দিনাজপুর থেকে অতিরিক্ত পুলিশ এসেতাকে গ্রামবাসীর হাত থেকে উদ্ধার করে। এ বিষয়ে তখন শাহমাখদুম পাড়া গ্রামের মহিলারা ও,সির বিরুদ্ধে সেতাবগনজ প্রেস ক্লাবে একটি সাংবাদিক সম্মেলন করে ছিলেন।
সাধারণ মানুষের ও,সি মিজানুর সব সময় স্বৈরাচারী আচরণ করেছেন। তার স্বৈরাচারী আচরণ থেকে স্থানীয় জন প্রতিনিধিরা ও রেহাই পাননি। মাদক ব্যবসায়ীদের সেল্টার দিয়ে বেশীর ভাগ সময় মাদক সেবী- দের গ্রেফতারে তিনি ব্যস্তছিলেন। যে কারণে বোচাগনজের বেশীর ভাগ মাদক ব্যবসায়ীরা রয়ে গেছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। তার মূল লক্ষ্যই ছিল অসৎউপায়ে টাকাউপার্জন করা।
সম্প্রতি সাখাওয়াত নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে অনলাইন কেসিনো খেলার অভিযোগ এনে তার কাছে তিনলক্ষ টাকা চাঁদাদাবি করেন বোচাগঞ্জ থানার এ,এস,আই আরিফুল, কন্সটেবল আলমগীর। এ সময় ১লক্ষ ৩০হাজার টাকায় বিষয় টি দফারফা হয়। এরমধ্যে ২৯হাজার ৬০০ টাকা লেনদেনের ফাঁকে সাখাওয়াত হোসেন পুলিশ কে ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়। এরপর সাখাওয়াত হোসেন বোচাগঞ্জ থানায় অভিযোগ দিতে এসে দেখেন ওই পুলিশ সদস্য পোশাক পড়ে থানায় বসে আছেন। পুলিশ কর্তৃক ভুক্ত ভোগী সাখাওয়াত হোসেনের অভিযোগ এর পরিপ্রেক্ষি তে ইতি মধ্যেই এ,এস,আই আরিফুল, কন- স্টেবল আলমগীর কে দিনাজপুর পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।
Leave a Reply