
নিজস্ব প্রতিবেদক: হুমায়ূন আহমেদ মৃধা:
বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার একাধিক ইউনিয়নে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য সদস্য প্রার্থীদের নিয়ে নানা আলোচনা ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু ইউনিয়নে চুরি, ছিনতাই, মাদক, চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন অনিয়মের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে—এমন ব্যক্তিরাও ইউপি সদস্য পদে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের মতে, নানা সামাজিক ও ব্যক্তিগত কারণে যোগ্য, সৎ ও গ্রহণযোগ্য অনেক মানুষ নির্বাচনে প্রার্থী হতে আগ্রহী হচ্ছেন না। এর সুযোগে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে এমন ব্যক্তিরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধির পদে আসার চেষ্টা করলে তা ভবিষ্যতে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম ও জনস্বার্থে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
স্থানীয় পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিরা সাধারণ মানুষের নাগরিক সেবা, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও বিভিন্ন সামাজিক বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ফলে একজন প্রার্থীর সততা, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা, আইন মেনে চলার রেকর্ড এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা নিয়ে ভোটারদের সচেতন হওয়া জরুরি বলে মনে করছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।
সচেতন মহলের মতে, নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়ন ও যোগ্যতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করা প্রয়োজন। পাশাপাশি ভোটারদেরও ব্যক্তিগত সম্পর্ক, প্রভাব বা ভয়ভীতির পরিবর্তে প্রার্থীদের যোগ্যতা, সততা, জনসম্পৃক্ততা ও অতীত কর্মকাণ্ড বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ থাকা উচিত।
একজন স্থানীয় নাগরিক বলেন, “জনপ্রতিনিধি নির্বাচন শুধু একটি ব্যক্তির বিষয় নয়; এর সঙ্গে পুরো এলাকার ভবিষ্যৎ জড়িত। তাই প্রার্থীদের সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানা এবং যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
Leave a Reply