1. mh01610093622@gmail.com : dainikdakshineroporadh :
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৬ অপরাহ্ন
নোটিশ :
কেশবপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল ওরা আমাকে মেরে ফেলবে—মৃত্যুর আগে নারীর ভিডিও ভাইরাল, পরে মা ও নবজাতকের মৃত্যু চিলমারীতে বিএনপি’র ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন গোপালগঞ্জে অনলাইন জুয়ারি এজেন্ট সহ ৪ জন গ্রেফতার রাজবাড়ীতে নারী উদ্যোক্তার ওপর হামলা ও শ্লীলতাহানির মামলায় ৩ আসামি গ্রেপ্তার বরগুনায় মৃত শিক্ষিকার নামে ১৩ মাসের বেতন-ভাতা সোনালী আঁশে কৃষকের হাসি: চুয়াডাঙ্গায় বাম্পার ফলন ও চড়া দামে উচ্ছ্বসিত পাটচাষিরা। জোরপূর্বক ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ মিলন হাওলাদার এর বিরুদ্ধে নিটারে ক্যারিয়ার গড়ার কৌশল নিয়ে এলসিবির বিশেষ সেশন সাগরদাঁড়ী এমএম ইনস্টিটিউশনের ভাঙড়ি মালামাল বিক্রি নয়, ৭৪ দোকানের বকেয়া ভাড়া আদায় ঠেকাতেই ষড়যন্ত্রের অভিযোগ
সংবাদ শিরোনাম:
কেশবপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল ওরা আমাকে মেরে ফেলবে—মৃত্যুর আগে নারীর ভিডিও ভাইরাল, পরে মা ও নবজাতকের মৃত্যু চিলমারীতে বিএনপি’র ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন গোপালগঞ্জে অনলাইন জুয়ারি এজেন্ট সহ ৪ জন গ্রেফতার রাজবাড়ীতে নারী উদ্যোক্তার ওপর হামলা ও শ্লীলতাহানির মামলায় ৩ আসামি গ্রেপ্তার বরগুনায় মৃত শিক্ষিকার নামে ১৩ মাসের বেতন-ভাতা সোনালী আঁশে কৃষকের হাসি: চুয়াডাঙ্গায় বাম্পার ফলন ও চড়া দামে উচ্ছ্বসিত পাটচাষিরা। জোরপূর্বক ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ মিলন হাওলাদার এর বিরুদ্ধে নিটারে ক্যারিয়ার গড়ার কৌশল নিয়ে এলসিবির বিশেষ সেশন সাগরদাঁড়ী এমএম ইনস্টিটিউশনের ভাঙড়ি মালামাল বিক্রি নয়, ৭৪ দোকানের বকেয়া ভাড়া আদায় ঠেকাতেই ষড়যন্ত্রের অভিযোগ

ওরা আমাকে মেরে ফেলবে—মৃত্যুর আগে নারীর ভিডিও ভাইরাল, পরে মা ও নবজাতকের মৃত্যু

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩ বার ভিউ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের মধ্যপ্রদেশের রেওয়া জেলার একটি সরকারি হাসপাতালে সন্তান জন্ম দেওয়ার পর এক নারী ও তার নবজাতক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর আগে ওই নারীর কান্না ও অসহায় অবস্থার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘এভাবে চিকিৎসা চলতে থাকলে ওরা আমাকে মেরে ফেলবে।’

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিহত নারীর নাম কল্পনা মিশ্র (২৫)। প্রথম সন্তান জন্ম দিতে গত ২৫ আগস্ট রাতে তাকে রেওয়ার সঞ্জয় গান্ধী মেমোরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তিনি একটি সন্তানের জন্ম দেন। এর কিছুক্ষণ পরই কল্পনা ও তার নবজাতক শিশুর মৃত্যু হয়।

মৃত্যুর আগে ধারণ করা ভিডিওতে কল্পনাকে হাসপাতালের নারী ওয়ার্ডে কান্না ও চিৎকার করতে দেখা যায়। তিনি স্বজনদের কাছে যেতে এবং হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করছিলেন। কয়েকজন নার্স তাকে আটকে রাখার চেষ্টা করছিলেন বলে ভিডিওতে দেখা যায়।

ভিডিওতে কল্পনাকে বলতে শোনা যায়, ‘এভাবে চিকিৎসা চলতে থাকলে ওরা আমাকে মেরে ফেলবে। আমি বাঁচব না। দয়া করে আমাকে বাঁচান, আমার জীবন ঝুঁকিতে।’

পরিবারের অভিযোগ, কল্পনার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলেও চিকিৎসকরা বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্ব দেননি। তার বাবা রামশরণ মিশ্রের দাবি, মেয়ের অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য তিনি বারবার চিকিৎসকদের অনুরোধ করলেও যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।

পরিবারের পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার পর কল্পনার আর জ্ঞান ফেরেনি। অতিরিক্ত মাত্রায় অ্যানেসথেসিয়া দেওয়া হয়েছিল কি না, তা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছে পরিবার।

ঘটনার পর কল্পনার স্বজনরা হাসপাতালের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। প্রায় চার ঘণ্টা হাসপাতাল এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করে।

পরে হাসপাতালের ডিন সুনীল আগরওয়াল ও হাসপাতাল সুপার রাহুল মিশ্র ঘটনাস্থলে যান। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পরিবারের মধ্যে প্রায় দুই ঘণ্টা বৈঠকের পর মরদেহের ময়নাতদন্তে সম্মতি দেয় পরিবার।

এ ঘটনায় দায়িত্বে থাকা দুই নার্স সাধনা ভার্মা ও সীমা মুজালদেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি পুরো ঘটনা তদন্তে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে কারও দায় প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আরও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

হাসপাতালের ডিন সুনীল আগরওয়াল বলেন, মা ও শিশুর মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক। পরিবারের অভিযোগগুলো তদন্ত করে দেখা হবে। অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার পর কেন কল্পনার জ্ঞান ফেরেনি, সেটিও তদন্তের আওতায় থাকবে।

তবে চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হাসপাতালের সুপার রাহুল মিশ্র। তার দাবি, চিকিৎসার নিয়ম মেনেই কল্পনাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে কোনো অবহেলা হয়নি। তবে পরিবারের অভিযোগ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এ ঘটনার মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রদেশের সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থায় জনবল সংকটের বিষয়টিও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ২০২৫-২৬ সালের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যটিতে অনুমোদিত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের প্রায় ৭২ শতাংশ পদই শূন্য রয়েছে। ৫ হাজার ৪৪৩টি অনুমোদিত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ১ হাজার ৪৯৫ জন। খালি রয়েছে ৩ হাজার ৯৪৮টি পদ।

এ ছাড়া মেডিকেল অফিসারের ৬ হাজার ৫১৩টি অনুমোদিত পদের মধ্যে ২ হাজার ৬৮৯টি পদও শূন্য রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com