
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন :
ভোলা জেলা বোরহান উদ্দিন উপজেলা -হাসন নগর ইউনিয়নের হাকিমুদ্দি বাজার সংলগ্ন একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলাটি নিয়ে মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ ও অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন ডিজিটাল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব চৌধুরী।
তথ্য সংগ্রহের সময় বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষিকার বক্তব্যে জানা যায়, বিদ্যালয়ের তৃতীয় তলার ছোট কক্ষটির চাবি প্রধান শিক্ষকের কাছেই থাকত। তিনি আরও দাবি করেন, ১৬ জুলাই ২০২৬ তারিখ বিকেল প্রায় ৩টার দিকে অন্যান্য শিক্ষক বিদ্যালয় ত্যাগ করলেও প্রধান শিক্ষক তখনও বিদ্যালয়ে অবস্থান করছিলেন। এসব বক্তব্য তদন্তের মাধ্যমে যাচাই হওয়া প্রয়োজন।
এদিকে ঘটনাটির সত্যতা উদঘাটনে কয়েকজন মূলধারার গণমাধ্যমকর্মী অনুসন্ধানে গেলে, স্থানীয় এক ব্যক্তি, যিনি নিজেকে গণমাধ্যমকর্মী হিসেবে পরিচয় দেন, তাঁর আচরণে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকরা অভিযোগ করেছেন। তাঁদের দাবি, বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টায়ও ওই ব্যক্তি বাধা সৃষ্টি করেন, ফলে নিরপেক্ষ অনুসন্ধান ব্যাহত হয়।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, এত গুরুতর অভিযোগের ঘটনায় কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যদি তদন্তকে প্রভাবিত করার, তথ্য গোপন করার বা জনমতকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে থাকে, তবে সেটিও নিরপেক্ষভাবে তদন্তের আওতায় আনা উচিত। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সহযোগিতা এবং প্রভাবমুক্ত তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।
এদিকে উক্ত বিষয় নিয়ে ডিজিটাল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যান জনাব আতিকুর রহমান ও ঢাকা প্রেসক্লাবের সভাপতি আওরঙ্গজেব কামাল বলেন -সত্য উদঘাটনই হোক একমাত্র লক্ষ্য। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কোনো পক্ষকে নির্দোষ বা দোষী ঘোষণা না করে, প্রমাণ ও আইনি প্রক্রিয়ার ভিত্তিতেই ন্যায়বিচার নিশ্চিত হওয়া উচিত।
Leave a Reply