
স্টাফ রিপোর্টার
মিজানুর রহমান
দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার আটগাঁও সরকার পাড়া গ্রামের বসবাসকারী মৃত আবুল কাসেম এর পুত্র, মোঃ মিজানুর রহমান, আটগাও ফার্মেসীর স্বত্তাধীকারী ও তার পুত্র সাব্বিরকে বিদ্যুৎ এর খুটির সাথে বেধে অমানুষিক নির্যাতন ও এক লক্ষ পনের হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগে ২ সেপ্টম্বর বুধবার সেতাবগঞ্জ প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী মেডিসিন ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান সহ তার পরিবার।
লিখিত বক্তব্যে মিজানুর রহমান বলেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একই গ্রামের মোজাহারুল হক, পিতা- হজো মোহাম্মদ গত ২৯/আগস্ট, শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১০টার সময় আমার বসত বাড়ীর সামনে এসে, আমার মা’কে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। এ সময় আমি এবং আমার ছেলে ছাব্বির মৌখিক ভাবে প্রতিবাদ করায়, মোজাহারুল ক্ষিপ্ত হয়ে তার মুদি দোকান থেকে একটি ধাড়ালো দা নিয়ে আমাদেরকে লক্ষ করে এলোপাথারি কোপাতে শুরু করে। তার এলোপাথারী কোপে আমি এবং আমার বড় ছেলে সাব্বির শরিরের বেশ কয়েকটি স্থানে রক্তাক্ত যখম প্রাপ্ত হই। এ সময় আমি পাশের বেড়া থেকে বাঁশের বাতা খুলে আত্ম রক্ষার চেষ্টা করলে মোজাহারের হাত থেকে দা ফসকে মোজাহার নিজের দা দিয়ে নিজেই আঘাত প্রাপ্ত হন।
তিনি আরো বলেন, উপস্থিত এলাকাবাসী মোজাহারের রক্ত দেখে মনে করে আমরা তাকে আঘাত করেছি। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে- কালাম, পিতা- মৃত পচা মফিজ, রফিকুল, পিতা- মৃত গলিয়া, আমিনুল, পিতা- কানু মোহাম্মদ, হাসিবুর, পিতা- মৃত মকবুল সহ আরো অনেকে আমাকে এবং আমার ছেলে ছাব্বিরকে জোর জবস্থি টেনে হেচড়ে আটগাঁও চৌরাস্তা বাজারে নিয়ে এসে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে একটি বৈদ্যুতিক পিলাওে আমাকে এবং আমার পুত্র সাব্বিরকে দড়ি দিয়ে বেঁধে পিতা-পুত্রের উপর ঘন্টা ব্যাপী নির্যাতন চালায়।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, এসময় আমার প্যান্টের পকেটে থাকা ব্যবসায়িক এক লাখ পনের হাজার টাকা এবং অন্য পকেটে থাকা মটরসাইকেল এর চাবি সহ দোকানের চাবি এবং মোবাইল ফোন জোর করে ছিনিয়ে নেয়। এক পর্যায়ে তারা পুলিশ ডেকে আমাদের পিতা-পুত্রকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পরবর্তীতে আমার “মা” থানায় এসে আমাকে বলেন তারা মটরসাইকেল এর চাবি সহ দোকানের চাবি এবং মোবাইল ফোন ফেরৎ দিয়েছে। কিন্তু কোন টাকা ফেরৎ দেয় নাই।
Leave a Reply