1. mh01610093622@gmail.com : dainikdakshineroporadh :
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৪৭ অপরাহ্ন
নোটিশ :
নেছারাবাদে ২২ পিছ ইয়াবাসহ এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার : থানায় মামলা কুষ্টিয়া দৌলতপুরে অবৈধ সিগারেট কারখানায় অভিযানে সাড়ে ২৫ লাখ শলাকা নকল সিগারেট জব্দ রুচির মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি। স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতন ও ভরণপোষণ না দেওয়ার অভিযোগের এক সপ্তাহ পর প্রথম স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু দীঘিনালায় ৫০ পিস ইয়াবা ও গাঁজাসহ দুইজন গ্রেপ্তার জগন্নাথকাঠী বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখায় দুই ব্যবসায়ীকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ৪ নং বটতৈল ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডে গৃহবধূকে অ্যাসিড নিক্ষেপের হু’মকি তোষামোদ নয়, সত্যের পক্ষে সাংবাদিকতা লেখা। নদীর গতিপথ বদলে তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় কুষ্টিয়া, সংকটে প্রমত্তা গড়াই। থানার ভেতর সিআইডি পরিদর্শককে থাপ্পড়, কৃষকদল নেতা গ্রেপ্তার:
সংবাদ শিরোনাম:
নেছারাবাদে ২২ পিছ ইয়াবাসহ এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার : থানায় মামলা কুষ্টিয়া দৌলতপুরে অবৈধ সিগারেট কারখানায় অভিযানে সাড়ে ২৫ লাখ শলাকা নকল সিগারেট জব্দ রুচির মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি। স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতন ও ভরণপোষণ না দেওয়ার অভিযোগের এক সপ্তাহ পর প্রথম স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু দীঘিনালায় ৫০ পিস ইয়াবা ও গাঁজাসহ দুইজন গ্রেপ্তার জগন্নাথকাঠী বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখায় দুই ব্যবসায়ীকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ৪ নং বটতৈল ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডে গৃহবধূকে অ্যাসিড নিক্ষেপের হু’মকি তোষামোদ নয়, সত্যের পক্ষে সাংবাদিকতা লেখা। নদীর গতিপথ বদলে তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় কুষ্টিয়া, সংকটে প্রমত্তা গড়াই। থানার ভেতর সিআইডি পরিদর্শককে থাপ্পড়, কৃষকদল নেতা গ্রেপ্তার:

পটিয়া পৌরসভার নাগরিক সমস্যার সমাধান চেয়ে প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি।

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬
  • ৩৭ বার ভিউ

মোঃ বেলাল হোসেন স্টাফ রিপোর্টার চট্টগ্রাম

পটিয়া পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাহুলী গ্রামের দীর্ঘদিনের অবহেলিত নাগরিক সমস্যার দ্রুত সমাধানের দাবিতে পটিয়া পৌরসভার প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন স্থানীয় সর্বস্তরের বাসিন্দারা।
বুধবার (১ জুলাই) পটিয়া পৌরসভার প্রশাসক বরাবর দেওয়া স্মারকলিপিতে এলাকাবাসী জানান, তারা পৌরসভার নিয়মিত করদাতা নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও পৌরসভার অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত মৌলিক নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। কাগজে-কলমে এ-গ্রেড পৌরসভার বাসিন্দা হলেও বাস্তবে তাদের জীবনযাত্রা প্রত্যন্ত ইউনিয়ন এলাকার চেয়েও দুর্বিষহ বলে উল্লেখ করা হয়।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, গত প্রায় দেড় দশক ধরে ওয়ার্ডটির অবকাঠামোগত উন্নয়ন, নাগরিক সুবিধা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
ফলে প্রতিনিয়ত হাজারো মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, বাহুলী গ্রামের প্রধান সড়কসহ অভ্যন্তরীণ রাস্তাগুলোর প্রায় ১৫ বছর ধরে কোনো উল্লেখযোগ্য সংস্কার হয়নি। বর্তমানে সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দ সৃষ্টি হওয়ায় যানবাহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টিতেই সড়ক পানিতে তলিয়ে যায় এবং কাদাময় হয়ে পড়ে।
এতে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, বৃদ্ধ ও রোগীদের চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
অনেক রিকশা ও সিএনজি চালক এ সড়কে চলাচলে অনীহা প্রকাশ করেন এবং অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করেন।
জরুরি রোগীদের হাসপাতালে নেওয়াও অনেক সময় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে।
স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ওয়ার্ডটিতে এখনো পরিকল্পিত ড্রেনেজ ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি।
ফলে বৃষ্টির পানি ও গৃহস্থালির ব্যবহৃত পানি দীর্ঘসময় রাস্তাঘাট ও বসতবাড়ির আশপাশে জমে থাকে। এতে জলাবদ্ধতা, পরিবেশ দূষণ, মশা-মাছির উপদ্রব বৃদ্ধি এবং ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়ছে।
এছাড়া বর্জ্য ব্যবস্থাপনার চরম অব্যবস্থার কথাও তুলে ধরা হয়। নিয়মিত ময়লা অপসারণ না হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে দিনের পর দিন আবর্জনার স্তুপ পড়ে থাকে, যা দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, পৌরসভার অন্যান্য ওয়ার্ডের বর্জ্যও এ এলাকায় এনে ফেলা হয়, যা বৈষম্যমূলক আচরণ।
স্মারকলিপিতে সুপেয় পানির সংকটের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে।
পর্যাপ্ত গভীর নলকূপ বা নিরাপদ পানির উৎস না থাকায় অনেক পরিবারকে দূর-দূরান্ত থেকে পানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে এ সংকট আরও প্রকট আকার ধারণ করে।
এ অবস্থায় বাহুলী ৭ নং ওর্য়াডের গ্রামের বাসিন্দারা দ্রুত রাস্তা সংস্কার, আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণ, নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ, নিরাপদ সুপেয় পানির ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে পটিয়া পৌরসভার প্রশাসকের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
পৌর প্রশাসক ফারহানুর রহমান বলেন একটি স্বারকলিপি পেয়েছি সমস্যাগুলো চিন্তিত করে সমাধানের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com