
বাহাদুর চৌধুরী :
লালমোহন উপজেলা-এ তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের পরপরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত ও সাহসী পদক্ষেপে প্রধান আসামি সহ চারজন গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং সাধারণ মানুষের মাঝে পুলিশের প্রতি আস্থা আরও দৃঢ় হয়েছে।
জানা যায়, নারকেল গাছ থেকে নারকেল পাড়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে একজন নিহত হন এবং একাধিক ব্যক্তি গুরুতর আহত হন। আহতদের দ্রুত লালমোহন সরকারি হাসপাতাল -ভোলা সদর হাসপাতাল-এ এবং বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার পরপরই থানায় মামলা দায়ের করা হলে, ভোলা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপারের (এসপি) সরাসরি নির্দেশনায় বাংলাদেশ পুলিশ-এর সদস্যরা সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে অল্প সময়ের মধ্যেই অভিযুক্ত এক প্রদান আসামি সহজ চারজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন। পুলিশের এমন তৎপরতা এলাকাবাসীর প্রশংসা কুড়িয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, বর্তমান ভোলা জেলার এসপি একজন অত্যন্ত মানবিক, কর্মঠ ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা। তিনি দিন-রাত মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। জেলার প্রতিটি থানা ও পুলিশ ফাঁড়ির কার্যক্রম তিনি নিবিড়ভাবে তদারকি করেন এবং যেকোনো অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। অপরাধ দমনে তাঁর কঠোর অবস্থান ইতোমধ্যেই সাধারণ মানুষের মনে আস্থা ও নিরাপত্তাবোধ তৈরি করেছে।
এছাড়াও লালমোহন থানা পুলিশ-এর অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ও অভিযানে অংশ নেওয়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের আন্তরিকতা, সাহসিকতা ও পেশাদারিত্ব সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। তাদের দ্রুত পদক্ষেপের কারণেই আসামিরা পালানোর সুযোগ পায়নি।
সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, ভোলা জেলার এই মানবিক ও জনবান্ধব পুলিশ প্রশাসনের ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং অপরাধ দমনে আরও শক্ত অবস্থান নিয়ে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।
Leave a Reply