1. mh01610093622@gmail.com : dainikdakshineroporadh :
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০৮ অপরাহ্ন
নোটিশ :
নদীর গতিপথ বদলে তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় কুষ্টিয়া, সংকটে প্রমত্তা গড়াই। থানার ভেতর সিআইডি পরিদর্শককে থাপ্পড়, কৃষকদল নেতা গ্রেপ্তার: বোচাগঞ্জের নাফানগর এসডিজি গ্রাম উদ্বোধন নারী নির্যাতনের আইন আছে, পুরুষ নির্যাতনের বিচার কোথায়? — কোরআনের ন্যায়বিচারের আলোকে নারী-পুরুষ উভয়ের সুরক্ষা চাই। আমতলীতে কাজ শেষের আগেই সড়ক ধসে খালে, যান চলাচল বন্ধ এইচএসসি পরীক্ষার্থী আরিফের ওপর হামলার অভিযোগ তজুমদ্দিনে মাদকবিরোধী অভিযানে চা-দোকানি আটক, ইয়াবার সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি মাদকবিরোধী অভিযানে যাওয়ার আগে পুলিশেরই তল্লাশি: স্বচ্ছতার বার্তা দিল মেহেরপুর জেলা পুলিশ আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন, বরগুনায় এসআইয়ের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার নির্দেশ। দীঘিনালা পুলিশের মানবিক উদ্যোগে মায়ের কাছে ফিরল শিশু
সংবাদ শিরোনাম:
নদীর গতিপথ বদলে তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় কুষ্টিয়া, সংকটে প্রমত্তা গড়াই। থানার ভেতর সিআইডি পরিদর্শককে থাপ্পড়, কৃষকদল নেতা গ্রেপ্তার: বোচাগঞ্জের নাফানগর এসডিজি গ্রাম উদ্বোধন নারী নির্যাতনের আইন আছে, পুরুষ নির্যাতনের বিচার কোথায়? — কোরআনের ন্যায়বিচারের আলোকে নারী-পুরুষ উভয়ের সুরক্ষা চাই। আমতলীতে কাজ শেষের আগেই সড়ক ধসে খালে, যান চলাচল বন্ধ এইচএসসি পরীক্ষার্থী আরিফের ওপর হামলার অভিযোগ তজুমদ্দিনে মাদকবিরোধী অভিযানে চা-দোকানি আটক, ইয়াবার সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি মাদকবিরোধী অভিযানে যাওয়ার আগে পুলিশেরই তল্লাশি: স্বচ্ছতার বার্তা দিল মেহেরপুর জেলা পুলিশ আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন, বরগুনায় এসআইয়ের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার নির্দেশ। দীঘিনালা পুলিশের মানবিক উদ্যোগে মায়ের কাছে ফিরল শিশু

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল: গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রশ্নে নীরবতা কেন?

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬
  • ৫০ বার ভিউ

বাহাদুর চৌধুরী: দক্ষিণের অপরাধ সংবাদ :

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হলো স্বাধীন গণমাধ্যম। একটি দেশের সাংবাদিক সমাজ যত স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে, সেই দেশের গণতন্ত্র তত সুদৃঢ় হয়। অথচ বাস্তবতা হলো—ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের পর থেকে বাংলাদেশের গণমাধ্যম এক ধরনের অদৃশ্য শৃঙ্খলে আবদ্ধ হয়ে পড়েছে। এই আইন সাংবাদিকদের স্বাধীন মতপ্রকাশ ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার পথকে সংকুচিত করেছে, সৃষ্টি করেছে ভয় ও অনিশ্চয়তার পরিবেশ।
আজ থেকে প্রায় সাড়ে চার বছর আগে বগুড়া জেলা প্রেসক্লাবের পাশে এক প্রতিবাদী অবস্থান থেকে উচ্চারিত হয়েছিল একটি স্পষ্ট বার্তা—কোনো আইন করে গণমাধ্যমের হাত-পা বেঁধে রেখে ক্ষমতা চিরস্থায়ী করা যায় না। ইতিহাস সাক্ষী, ক্ষমতা কখনো স্থায়ী নয়; জনগণের অধিকার ও সত্যের শক্তিই শেষ পর্যন্ত বিজয়ী হয়। সেই সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিশেষ করে বিরোধী দলের অনেক নেতা, সাংবাদিকদের এই ন্যায্য দাবির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেছিলেন। ঢাকার পল্টনে আন্দোলনের মঞ্চেও একই দাবি প্রতিধ্বনিত হয়েছিল—ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করতে হবে।
কিন্তু প্রশ্ন হলো—আজ সেই নেতারা কোথায়? যারা একসময় গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পক্ষে সোচ্চার ছিলেন, তারা আজ নীরব কেন? প্রতিশ্রুতি কি শুধুই রাজনৈতিক বক্তব্যে সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি তা বাস্তবায়নের সাহসও দেখানো হবে?
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাস্তবায়নের ফলে বহু সাংবাদিক, লেখক ও সাধারণ নাগরিক হয়রানির শিকার হয়েছেন। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সীমাবদ্ধ হয়েছে, আত্মনিয়ন্ত্রণের প্রবণতা বেড়েছে, যা গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। একটি স্বাধীন গণমাধ্যম ছাড়া স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।
অতএব, এখন সময় এসেছে এই আইনের পুনর্মূল্যায়নের। তথ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারক এবং সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের প্রতি আহ্বান—গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে অবিলম্বে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করুন অথবা এমনভাবে সংশোধন করুন, যাতে তা সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়।
সারা দেশের গণমাধ্যমকর্মীরা আজ উত্তর জানতে চায়। তারা জানতে চায়—গণতন্ত্রের প্রতি অঙ্গীকার কি বাস্তবে প্রতিফলিত হবে, নাকি তা কেবলই বক্তব্যে সীমাবদ্ধ থাকবে?
সময় এসেছে সিদ্ধান্ত নেওয়ার। গণমাধ্যমকে স্বাধীন হতে দিন—কারণ স্বাধীন গণমাধ্যমই একটি শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গঠনের,,,,,,
(বিস্তারিত ছবিগুলি কমেন্টে দেখুন)

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com