
নিজস্ব প্রতিবেদক:
সাতক্ষীরা জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের (জনস্বাস্থ্য অফিস) একজন সাধারণ অফিস সহায়ক হয়েও অল্প কয়েক বছরের ব্যবধানে বিপুল সম্পদের মালিক হয়ে উঠেছেন ইমরান হোসেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি চাকরির সীমিত বেতনে জীবনযাপন করার কথা থাকলেও বাস্তবে তার জীবনযাত্রা অনেকটা আলাদিনের চেরাগ পাওয়ার মতোই বদলে গেছে।
সূত্র জানায়, জনস্বাস্থ্য অফিসে অফিস সহায়ক হিসেবে কর্মরত থাকলেও বিভিন্ন প্রকল্প, টেন্ডার এবং অফিসের বিভিন্ন কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম ও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে বিপুল অর্থ উপার্জনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
স্থানীয়দের দাবি, কয়েক বছর আগেও ইমরানের আর্থিক অবস্থা ছিল খুবই সাধারণ। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই তার নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে বিভিন্ন স্থানে জমি, বাড়ি এবং ব্যবসায়িক বিনিয়োগের তথ্য সামনে আসছে।
অভিযোগ রয়েছে, সরকারি প্রকল্পের কাজ, ঠিকাদারদের সঙ্গে সমন্বয় এবং অফিসের বিভিন্ন ফাইল সংক্রান্ত কাজে প্রভাব খাটিয়ে নিয়মিত আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করতেন তিনি। এসব অনিয়মের মাধ্যমে ধীরে ধীরে গড়ে তুলেছেন কোটি টাকার সম্পদ।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, “একজন অফিস সহায়কের পক্ষে এত বিপুল সম্পদের মালিক হওয়া সাধারণ মানুষের কাছে বিস্ময়কর। কয়েক বছর আগেও তার জীবনযাত্রা ছিল সাধারণ, কিন্তু এখন তার সম্পদ ও প্রভাব দেখে অনেকেই অবাক হচ্ছেন।”
এ বিষয়ে সচেতন মহলের দাবি, একজন নিম্নপদস্থ কর্মচারীর এত বিপুল সম্পদের উৎস খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি তদন্ত প্রয়োজন। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদের উৎস বের করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
Leave a Reply