1. mh01610093622@gmail.com : dainikdakshineroporadh :
মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
হারানো বিজ্ঞপ্ত কুষ্টিয়ায় মাদ্রাসা শিক্ষককে গিরে অনৈতিকতার অভিযোগ, উদ্বিগ্ন অভিভাবক মহল সাংবাদিকের ওপর হামলার মামলার আসামিরা প্রকাশ্যে, নীরব প্রশাসনে প্রশ্ন অনলাইন হ্যারাসমেন্ট ঠেকাতে মাঠে নেমেছে তরুণ প্রজন্ম লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ ভোলার শিক্ষার্থীরা: বিদ্যুৎ অফিসে দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ক্ষোভ” লেখা দশমিনায় বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সম্পাদকের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা দীঘিনালায় গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি আটক। ড্রেজার মেশিন নিয়ে অভিযোগের পর তদন্ত, বৈধ কাগজপত্র পেয়ে পুনরায় চালুর নির্দেশ মব ভায়োলেন্স: সামাজিক ব্যাধি, গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত অথবা মব ভায়োলেন্স: রাষ্ট্র, সমাজ ও গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে এক ভয়াবহ নীরব যুদ্ধ মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভদের পেশাগত মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে দীঘিনালায় মানববন্ধন
সংবাদ শিরোনাম:
হারানো বিজ্ঞপ্ত কুষ্টিয়ায় মাদ্রাসা শিক্ষককে গিরে অনৈতিকতার অভিযোগ, উদ্বিগ্ন অভিভাবক মহল সাংবাদিকের ওপর হামলার মামলার আসামিরা প্রকাশ্যে, নীরব প্রশাসনে প্রশ্ন অনলাইন হ্যারাসমেন্ট ঠেকাতে মাঠে নেমেছে তরুণ প্রজন্ম লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ ভোলার শিক্ষার্থীরা: বিদ্যুৎ অফিসে দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ক্ষোভ” লেখা দশমিনায় বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সম্পাদকের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা দীঘিনালায় গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি আটক। ড্রেজার মেশিন নিয়ে অভিযোগের পর তদন্ত, বৈধ কাগজপত্র পেয়ে পুনরায় চালুর নির্দেশ মব ভায়োলেন্স: সামাজিক ব্যাধি, গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত অথবা মব ভায়োলেন্স: রাষ্ট্র, সমাজ ও গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে এক ভয়াবহ নীরব যুদ্ধ মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভদের পেশাগত মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে দীঘিনালায় মানববন্ধন

আমতলী পৌরসভায় কোটি টাকায় নির্মিত মার্কেট বরাদ্দহীন

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৪৭ বার ভিউ

হাফিজুর রহমান খান,
বরগুনা জেলা প্রতিনিধিঃ

সরকারি অর্থের কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হলেও বরগুনার আমতলী পৌরসভায় একাধিক পৌর মার্কেট ও স্টল গত পাঁচ বছর ধরে বরাদ্দহীন ও কার্যত পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। পৌর কর্তৃপক্ষের চরম অব্যবস্থাপনা, সিদ্ধান্তহীনতা ও দায়িত্বহীনতার কারণে এসব স্থাপনা থেকে এক টাকাও রাজস্ব আদায় করা যাচ্ছে না। উল্টো কোথাও কোথাও অবৈধ দখল ও বাণিজ্য চালিয়ে ব্যক্তিগতভাবে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, সিটিইআইপি (CTEIP) প্রকল্পের আওতায় ২০১৭–১৮ অর্থবছরে আমতলী পৌরসভায় একাধিক বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণ করা হয়। এর মধ্যে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পুরান বাজার এলাকায় ২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা ব্যয়ে দ্বিতীয় তলা বিশিষ্ট বহুমুখী পৌর মার্কেট, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পৌর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ২ কোটি ৪২ লাখ টাকা ব্যয়ে দ্বিতীয় তলা বিশিষ্ট পৌর সুপার মার্কেট কমপ্লেক্স এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আমতলী কেন্দ্রীয় পশুর হাট এলাকায় ২ কোটি ৪৭ লাখ ১৫ হাজার টাকা ব্যয়ে ২৬টি স্টল নির্মাণ করা হয়। এছাড়া ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পৌর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নির্মাণ করা হয় আরও ১৪টি স্টল।
নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর দীর্ঘ পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও এসব মার্কেট ও স্টল বরাদ্দের জন্য কোনো প্রকাশ্য বিজ্ঞপ্তি, নিলাম বা স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার উদ্যোগ নেয়নি পৌর কর্তৃপক্ষ। বরাদ্দ প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করেই স্থাপনাগুলো ফেলে রাখা হয়েছে—যা সরকারি সম্পদের চরম অপচয়ের শামিল বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পৌর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নির্মিত পৌর সুপার মার্কেট কমপ্লেক্সটি পুরোপুরি খালি পড়ে আছে। ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পুরান বাজারে নির্মিত পৌর মার্কেটটির একটি কক্ষ বেসরকারি ব্যাংকের বুথ হিসেবে ব্যবহৃত হলেও বাকি কক্ষগুলো তালাবদ্ধ ও অযত্নে পড়ে রয়েছে। নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ভবনগুলোর অবকাঠামো ক্ষতির মুখে পড়ছে।
অন্যদিকে ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আমতলী কেন্দ্রীয় পশুর হাট এলাকায় নির্মিত স্টলগুলো বছরের পর বছর অব্যবহৃত থাকলেও আশপাশে অস্থায়ী দোকান ও অবৈধ দখলদারিত্ব অব্যাহত রয়েছে। এতে সরকারি স্টল থাকা সত্ত্বেও অনিয়ন্ত্রিতভাবে বাণিজ্য চলছে এবং পৌরসভা বঞ্চিত হচ্ছে বৈধ রাজস্ব থেকে।

সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পৌর বাসস্ট্যান্ড এলাকার ১৪টি স্টল নিয়ে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কোনো বৈধ বরাদ্দ ছাড়াই কিছু ব্যক্তি এসব স্টল দখলে রেখে অন্য ব্যবসায়ীদের কাছে ভাড়া দিয়ে নিয়মিত অর্থ আদায় করছেন। অথচ এই ভাড়া পৌরসভার তহবিলে জমা না হয়ে যাচ্ছে ব্যক্তিগত পকেটে।

বাসস্ট্যান্ড এলাকার ব্যবসায়ী জাকির হোসেন মাতুব্বর জানান, হাবিবুর রহমান মুন্সির ছেলে আল আমিনের কাছ থেকে আমি ৫০ হাজার টাকা অগ্রিম ও মাসে চার হাজার টাকা ভাড়ায় একটি স্টল নিয়েছি। তবে আল আমিন স্টল ভাড়া দেওয়ার কথা স্বীকার করলেও তিনি কীভাবে বা কোন ক্ষমতাবলে স্টল ভাড়া দিচ্ছেন—সে বিষয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, পৌরসভায় স্টল ও মার্কেট বরাদ্দের জন্য নির্ধারিত নীতিমালা থাকা সত্ত্বেও তা ইচ্ছাকৃতভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না। দীর্ঘদিন বরাদ্দ প্রক্রিয়া ঝুলিয়ে রেখে কোথাও কোথাও অবৈধ দখল ও বাণিজ্যের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে—যা প্রশাসনিক ব্যর্থতা ও সম্ভাব্য অনিয়মের ইঙ্গিত বহন করে।

সচেতন নাগরিকদের দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব অনিয়মের নিরপেক্ষ তদন্ত করে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং স্বচ্ছ নিলাম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্টল ও মার্কেট বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় সরকারি অর্থের এই প্রকল্পগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় থেকেই যাবে এবং রাষ্ট্রীয় রাজস্ব ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে।

এ বিষয়ে আমতলী পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী বলেন,এ বিষয়ে কথা বলেছি এবং প্রত্যেককেই চিঠি দেওয়া হচ্ছে। পৌরসভার রুল অনুযায়ী আগে যে রেজুলেশন করা আছে সে অনুযায়ী ভাড়া সবাইকে দিতে হবে। এটা আমি বলে দিয়েছি। আমাদের রেজুলেশনে যে ভাড়া উল্লেখ করা আছে চুক্তিপত্র অনুযায়ী সেরকমের ভাড়া নেওয়া হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com