
মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজার সদরের আদর্শ গ্রামে সরকারের ৯৯ বছরের বন্দোবস্ত দেওয়া ৭০ শতক খাস জমি জবরদখলের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। জেলা প্রশাসকের ২ দফা লিখিত আদেশের পরও এক বছর ধরে নীরব উপজেলা প্রশাসন। উল্টো ভুক্তভোগীর আর এস হালনাগাদের ফাইল আটকে রাখা হয়েছে।
ভুক্তভোগী মোঃ সজ্ঞব খাঁন মুকিদ। পিতা মৃত সদর খাঁনের নামে মৌজা: পাট অব দিনারপুর হিলস, ১০৯নং দাগে ৪৫/৯১ ও ৪৩/৯০-৯১ নং বন্দোবস্ত মূলে ৭০ শতক জমি ৯৯ বছরের জন্য লিজ। ভুক্তভোগী নিয়মিত ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করে আসছেন। আর এস জরিপে ভুলবশত ১নং খাস খতিয়ানে চলে যাওয়ায় ২২/০৭/২০২৬ তারিখে ডিসি বরাবর হালনাগাদের আবেদন করেন [ছবি-২]। এই সুযোগে একই গ্রামের সাত্তানুর মিয়া ও ছেলে আনিস মিয়া জমি জবরদখল করে পাকা ভবন নির্মাণ করেন।
ভুক্তভোগী ১০/০৮/২০২৫ তারিখে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ আইনে ডিসি বরাবর অভিযোগ দিলে ডিসি ১৭/০৮/২০২৫ তারিখে স্মারক নং-১৯৩১ মূলে ইউএনও ও এসি ল্যান্ডকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন। ১০/০৩/২০২৬ তারিখে পুনরায় আদেশ দেন।
কিন্তু ০১/০১/২০২৬ তারিখে সহকারী কমিশনার (ভূমি) লুৎফুন নাহার শারমীন স্বাক্ষরিত তদন্ত প্রতিবেদনে (স্মারক নং-৩১.৬০.৫৮৭৪.০০১.০৫.০০৩.২৫-০৩) নিজেই উল্লেখ করেন, _”বিবাদীগণ বাড়িতে প্রবেশ করতে বাধা প্রদান করেন”_ [ছবি-১]। দখলের বিষয়টি সরকারি তদন্তে প্রমাণিত হলেও তিনি শুধু “রেকর্ড হালনাগাদের পরামর্শ” দিয়ে দায়িত্ব শেষ করেন।
ভুক্তভোগীর দাবি, তার আর এস হালনাগাদের ফাইল আমতৈল ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আটকে রাখা হয়েছে। তহসিলদার এ বিষয়ে ফোন ধরছেন না। প্রতিকার না পেয়ে ০৩/০৯/২০২৬ তারিখে ভূমি ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও আরডিসি (রেভিনিউ) এর বক্তব্য আগামী সংখ্যায় প্রকাশ করা হবে।
Leave a Reply