
অনিকা বেগম :
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় ওষুধ ব্যবসায়ী আকিবের বিরুদ্ধে ওষুধের মূল্য নির্ধারণে অনিয়ম, অনুমোদনহীন যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রি এবং ব্যবসা পরিচালনার যোগ্যতা ও লাইসেন্স নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।
অভিযোগ রয়েছে, কিছু ওষুধের প্যাকেটে মুদ্রিত মূল্য না থাকার সুযোগ নিয়ে ক্রেতাদের কাছ থেকে প্রকৃত মূল্যের তুলনায় দুই থেকে তিন গুণ পর্যন্ত দাম নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারি বিধিনিষেধের আওতায় থাকা যৌন উত্তেজক ওষুধ গোপনে বিক্রির অভিযোগও উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি,তবে গণমাধ্যম কর্মীরা এ সমস্ত তথ্য উদঘাটন করতে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে।
এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির শিক্ষাগত যোগ্যতা, ওষুধ বিক্রির জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ এবং ফার্মেসি পরিচালনার বৈধ লাইসেন্স রয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। একজন ওষুধ ব্যবসায়ী কীভাবে প্রয়োজনীয় নিয়মকানুন না মেনে ব্যবসা পরিচালনা করছেন, তা খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।
অন্যদিকে, এসব অনিয়মের অভিযোগ ও নারী ঘটিত কেলেঙ্কারি নিউজ গণমাধ্যমে তুলে ধরার কারণে সাংবাদিকদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও সামনে এসেছে।
জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর, উপজেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্তের দাবি জানানো হচ্ছে। তদন্তে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
অভিযোগের সত্যতা যাচাই, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য এবং প্রশাসনের পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।
Leave a Reply