1. mh01610093622@gmail.com : dainikdakshineroporadh :
বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩১ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
কুষ্টিয়ায় পাট ও আউশ চাষে নতুন দিগন্তকৃষকদের সঙ্গে প্রাণবন্ত মতবিনিময় সভা কুষ্টিয়া কুমারখালীতে জনভোগান্তির প্রতীক—কালী গঙ্গার উপর অপরিকল্পিত সেতু সাতক্ষীরা রেঞ্জ সুন্দরবনে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ৮ মৌয়াল,জলদস্যু নির্মূল জরুরী। পটিয়া পৌরসভা ৮ নং ওয়ার্ডে সবচেয়ে আলোচনায় মফিজুর রহমান। বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসে ঢাকায় হাম সচেতনতা ক্যাম্পেইন; শিক্ষার্থীদের মাঝে স্বাস্থ্যবার্তা পৌঁছে দিলো এনবিএ মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সরব ঢাকা প্রেস ক্লাব: সাংবাদিক খোকনের পরিবারের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার দাবি নেছারাবাদে পিতৃত্বের স্বীকৃতি চেয়ে ২৪ বছর বয়সী নাহিদের আকুতি গ্রাম পুলিশ / চৌকিদারদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে কর্তব্য ও নজরদারি কুষ্টিয়ায় জেলায় হামের উপসর্গ বৃদ্ধি, ৪ শিশুর মৃত্যু বিঝু উৎসব ঘিরে দীঘিনালায় ৯ কমিটিকে সেনাবাহিনীর আর্থিক সহায়তা।
সংবাদ শিরোনাম:
কুষ্টিয়ায় পাট ও আউশ চাষে নতুন দিগন্তকৃষকদের সঙ্গে প্রাণবন্ত মতবিনিময় সভা কুষ্টিয়া কুমারখালীতে জনভোগান্তির প্রতীক—কালী গঙ্গার উপর অপরিকল্পিত সেতু সাতক্ষীরা রেঞ্জ সুন্দরবনে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ৮ মৌয়াল,জলদস্যু নির্মূল জরুরী। পটিয়া পৌরসভা ৮ নং ওয়ার্ডে সবচেয়ে আলোচনায় মফিজুর রহমান। বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসে ঢাকায় হাম সচেতনতা ক্যাম্পেইন; শিক্ষার্থীদের মাঝে স্বাস্থ্যবার্তা পৌঁছে দিলো এনবিএ মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সরব ঢাকা প্রেস ক্লাব: সাংবাদিক খোকনের পরিবারের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার দাবি নেছারাবাদে পিতৃত্বের স্বীকৃতি চেয়ে ২৪ বছর বয়সী নাহিদের আকুতি গ্রাম পুলিশ / চৌকিদারদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে কর্তব্য ও নজরদারি কুষ্টিয়ায় জেলায় হামের উপসর্গ বৃদ্ধি, ৪ শিশুর মৃত্যু বিঝু উৎসব ঘিরে দীঘিনালায় ৯ কমিটিকে সেনাবাহিনীর আর্থিক সহায়তা।

কুষ্টিয়া কুমারখালীতে জনভোগান্তির প্রতীক—কালী গঙ্গার উপর অপরিকল্পিত সেতু

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১ বার ভিউ

মোঃ আশরাফ ইকবাল পিকলু মাজমাদার
খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান।

কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলা-এর বাগুলাট ইউনিয়নে কালী গঙ্গা নদীর ওপর নির্মিত একটি সেতু আজ জনভোগান্তির এক মর্মান্তিক প্রতীকে পরিণত হয়েছে। প্রায় দুই দশক আগে নির্মিত এই সেতুটি এলাকাবাসীর স্বপ্ন ও প্রত্যাশা পূরণে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে—এমন অভিযোগ এখন সর্বত্র।
স্থানীয়দের দাবি,সেতুটি নির্মাণের সময় নদীর প্রকৃত বিস্তৃতি ও প্রবাহের বিষয়টি উপেক্ষা করা হয়। ফলে ছোট পরিসরে নির্মিত এই সেতু আজ কার্যত অচল। প্রতিদিন হাজারো মানুষকে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে—কৃষিপণ্য পরিবহন থেকে শুরু করে শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাতায়াত কিংবা জরুরি চিকিৎসা সেবা গ্রহণ—সব ক্ষেত্রেই বাধার সৃষ্টি করছে এই সেতু।
জানা গেছে,প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস-এর তত্ত্বাবধানে নির্মিত এই সেতুটি বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন পরিকল্পনার এক প্রকৃষ্ট উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয়দের ভাষায়,সরকারের অর্থ ব্যয় হয়েছে,কিন্তু জনগণের কোনো উপকারে আসেনি—এ যেন অপচয়ের এক দৃষ্টান্ত।
দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ এবং স্থানীয়ভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বারবার অবহিত করা হলেও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। আশ্বাসের পর আশ্বাস মিললেও বাস্তবে সেতুটির কোনো উন্নয়ন হয়নি,যা জনমনে হতাশা ও ক্ষোভ বাড়িয়েছে।
সচেতন মহলের প্রশ্ন—এত গুরুত্বপূর্ণ একটি নদীর ওপর কেন এমন অপরিকল্পিত ও অপ্রতুল সেতু নির্মাণ করা হলো? এটি কি শুধুই অবহেলা, নাকি পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের কোনো বড় ধরনের গলদ—এই প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে জনমনে।
এদিকে এলাকাবাসী দ্রুত একটি আধুনিক,কার্যকর ও উপযোগী সেতু নির্মাণের জোর দাবি জানিয়েছেন। তাদের সোজাসাপ্টা কথা প্রতিশ্রুতি নয়,আমরা বাস্তব কাজ দেখতে চাই।ইতোমধ্যে দাবি আদায়ে মানববন্ধনসহ কঠোর কর্মসূচিরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।
জনগণের দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেবে—এমন প্রত্যাশায় দিন গুনছেন কুমারখালীবাসী।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com