1. mh01610093622@gmail.com : dainikdakshineroporadh :
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৪ অপরাহ্ন
নোটিশ :
চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রথমবারের মতো জটিল জরুরি অস্ত্রোপচার, প্রাণে বাঁচলেন গৃহবধূ তজুমদ্দিনে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার, ১৮ জেলের কারাদণ্ড। নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করলেন কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ১৪ নং গোস্বামী দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী,হাবিব রাশেদ কুষ্টিয়া বড় ও কোর্ট স্টেশন পরিদর্শনে রেলসচিব: অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের প্রতিশ্রুতি। কুষ্টিয়ায় ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ অলিম্পিয়াডের পুরস্কার বিতরণ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ৪ নং বটতৈল ইউনিয়নের খাজানগরে অটো রাইস মিলের বর্জ্যে হুমকির মুখে কৃষিজমি কুয়াকাটার উপকূল উতৃতাল,ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা, পায়রাসহ চার বনৃদরে সতর্কসংকেত। তরুণ ও করপোরেট পেশাজীবীদের মেলবন্ধনে ঢাকায় LCB-এর ‘Get-together 3.0’ কলকাতার স্বাধীনতা দিবস উদযাপন সমিতির ‘ওয়ার্ল্ড সম্মাননা’ পেলেন সাংবাদিক আওরঙ্গজেব কামাল সাংবাদিকদের অধিকার, নিরাপত্তা ও মানবিক সেবায় অবদানের স্বীকৃতি বোচাগঞ্জে তিন যুবকের পেঁপে চাষে সফলতার স্বপ্ন।
সংবাদ শিরোনাম:
চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রথমবারের মতো জটিল জরুরি অস্ত্রোপচার, প্রাণে বাঁচলেন গৃহবধূ তজুমদ্দিনে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার, ১৮ জেলের কারাদণ্ড। নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করলেন কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ১৪ নং গোস্বামী দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী,হাবিব রাশেদ কুষ্টিয়া বড় ও কোর্ট স্টেশন পরিদর্শনে রেলসচিব: অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের প্রতিশ্রুতি। কুষ্টিয়ায় ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ অলিম্পিয়াডের পুরস্কার বিতরণ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ৪ নং বটতৈল ইউনিয়নের খাজানগরে অটো রাইস মিলের বর্জ্যে হুমকির মুখে কৃষিজমি কুয়াকাটার উপকূল উতৃতাল,ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা, পায়রাসহ চার বনৃদরে সতর্কসংকেত। তরুণ ও করপোরেট পেশাজীবীদের মেলবন্ধনে ঢাকায় LCB-এর ‘Get-together 3.0’ কলকাতার স্বাধীনতা দিবস উদযাপন সমিতির ‘ওয়ার্ল্ড সম্মাননা’ পেলেন সাংবাদিক আওরঙ্গজেব কামাল সাংবাদিকদের অধিকার, নিরাপত্তা ও মানবিক সেবায় অবদানের স্বীকৃতি বোচাগঞ্জে তিন যুবকের পেঁপে চাষে সফলতার স্বপ্ন।

কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ৪ নং বটতৈল ইউনিয়নের খাজানগরে অটো রাইস মিলের বর্জ্যে হুমকির মুখে কৃষিজমি

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১ বার ভিউ

মোঃ আশরাফ ইকবাল পিকলু মাজমাদার
খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান।

ফসল হারানোর শঙ্কায় দিশেহারা কৃষক,পরিবেশ রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপের দাবি
কুষ্টিয়া খাজানগরে অটো রাইস মিলের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্থানীয়ভাবে উত্থাপিত অভিযোগ অনুযায়ী, কিছু অটো রাইস মিলের গরম পানি,ভুষির ছাই ও অন্যান্য বর্জ্য উন্মুক্ত স্থানে ফেলার কারণে আশপাশের কৃষিজমি ও পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এতে ধান ও সবজি চাষের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা।
এই বিষয়ে জানতে কৃষক শামীম জানান যে আগে আমরা জমিতে ধান চাষ করতে জিকে খালের পানি দিয়ে চাষ করতাম।
এবং ফলন ও ভালো হতো এবং খরচ কম হতো।কিন্তু বর্তমান খাজানগর এর অটো রাইচ মিলের নোংরা গরম দূষিত পানির কারণে কারনে আমাদের ফসল উৎপাদন ভালো হচ্ছে না এই দূষিত পানির কারণে ফসলের মাঠের জায়গার উর্বরতা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে যার কারণে আমরা ইঞ্জিল চালিত সেলো মেশিন দ্বারা পানি নিয়ে চাষ করছি।আগে প্রতি বিঘা প্রতি ধান হতো ২০/২২ মণ।কিন্তু এখন অটো রাইচ মিলের নোংরা দূষিত পানির কারণে ধানের উৎপাদন কম হচ্ছে। এ বিষয়ে আনতে একজন কৃষক জাহাঙ্গীর মোল্লা জানান খাজানগরের অটোমিলের দূষিত পানির কারণে আমরা এখন জিকে খালের পানি দিয়ে চাষ করি না।কারণ ওই দূষিত পানি দিয়ে চাষ করলে ফলন কম হয় এবং ধান গাছ মারা যায় এজন্য আমরা ইঞ্জিল চালিত মেশিন দিয়ে পানি তুলে চাষাবাদ করি যার ফলে চাষ করতে অনেক খরচ হয়।এভাবে চলতে থাকলে একসময় মানুষ চাষাবাদ আর করবে না।
আর একজন কৃষক কুরবান আলি জানান যে অটো মিলের দূষিত পানি বজ্র এর কারণে আমাদের ফসল উৎপাদন কম হয় আবার জিকে খাল আছে সে খাল অনেক বছর ধরে সংস্কার করা হয় না য়ার কারণে আমাদের মাঠে পানিও কম আসে। কিছুদিন আগে জিকে খাল সংস্কার করছিল শুনলাম কিন্তু আমাদের খাজানগরে এই খাল সংস্কার হয়নি যার ফলে মাঠে পানি আসতে পারে না। যা বা আসে তা অটোমিলের দূষিত গরম পানি।
এই বিষয়ে জানতে কুষ্টিয়া চাল কল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদিন সাধু জানান যে কয় মাস আগে একটা কমিটি গঠন করা হয়েছিল এই কমিটির আহবায়ক খাদ্য অধিদপ্তরে পরিচালক ও সদস্য সচিব পরিবেশ অধিদপ্তর এর পরিচালক এবং কয়জন অটো মিল মালিকদের নিয়ে কমিটি গঠন হয়েছিলো।আমরা কাজ ও করেছি যে সব মিল গুলোর নামে অভিযোগ সেই সব মিল গুলো আমরা সরে জমিনে পরিদর্শন করে তাদেরকে এই দূষিত পানি জিকে খালে না দেই সেই জন্য সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল।কিন্তু এই মিল মালিক গুলো আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল না হওয়ার কারণে তারা তাদের দূষিত গরম পানি জিকে খালে দিচ্ছে আমাদের কথা মানছে না।এই বিষয়ে জানতে একজন ব্যাবসায়ী আবুল হোসেন ব্যাপারী বলেন
খাজানগর দেশের অন্যতম পরিচিত চালকলকেন্দ্র। এখানে চালকলের কার্যক্রমের পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অভিযোগগুলোর যথাযথ তদন্ত না হলে কৃষিজমি,মাটি ও পানির গুণগত মান নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়তে পারে।

স্থানীয় অভিযোগে বলা হচ্ছে,কিছু মিলের গরম পানি ও ভুষির ছাই যথাযথ ব্যবস্থাপনা ছাড়াই উন্মুক্ত স্থানে ফেলা হচ্ছে। এসব বর্জ্য কৃষিজমি বা সেচের পানিতে মিশলে মাটির গুণাগুণ ও ফসলের বৃদ্ধিতে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।

বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরে দূষিত পানি বা অনুপযুক্ত বর্জ্য জমিতে প্রবেশ করলে কৃষিজমির উৎপাদনক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তবে খাজানগরে ঠিক কত একর জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ফসলহানির সঙ্গে মিলের বর্জ্যের সরাসরি সম্পর্ক কতটুকু,তা নির্ধারণে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা ও সরেজমিন তদন্ত প্রয়োজন।

পরিবেশদূষণ নিয়ন্ত্রণে বর্জ্যের ধরন অনুযায়ী উপযুক্ত পরিশোধন ও নিষ্কাশনব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি। সংশ্লিষ্ট মিলগুলোতে ইটিপি (ETP—Effluent Treatment Plant) স্থাপন ও পরিচালনার বাধ্যবাধকতা রয়েছে কি না, তা প্রযোজ্য পরিবেশগত বিধিবিধান অনুযায়ী যাচাই করা প্রয়োজন।

কৃষিজমির উর্বরতা কমে গেলে উৎপাদন ব্যয় বাড়তে পারে, ফলন কমতে পারে এবং কৃষকের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়। এর প্রভাব শুধু কৃষকের পরিবারের ওপর নয়, স্থানীয় কৃষি উৎপাদন ও খাদ্য সরবরাহের ওপরও পড়তে পারে।

এ অবস্থায় কৃষিজমি,সেচের পানি ও বর্জ্যের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করা প্রয়োজন। পাশাপাশি কৃষি বিভাগের মাধ্যমে সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্ত জমি চিহ্নিত করে ফসলের অবস্থা যাচাই করা জরুরি।

কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন

১. অভিযোগ ওঠা চালকলগুলো পরিদর্শন করে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বাস্তব অবস্থা যাচায় করা। ২.মাটি,সেচের পানি ও প্রয়োজনে বর্জ্যের নমুনা পরীক্ষা করা। ৩.প্রযোজ্য আইন ও পরিবেশগত শর্ত অনুযায়ী বর্জ্য পরিশোধন নিশ্চিত করা। ৪. ক্ষতিগ্রস্ত জমি ও ফসলের পরিমাণ নিরূপণ করা। ৫. দূষণের অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া। ৬. ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রতিকার ও সহায়তার ব্যবস্থা করা।

কৃষিজমি বাঁচাতে এখনই উদ্যোগ প্রয়োজন

শিল্পের বিকাশ যেমন অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ,তেমনি কৃষিজমি ও পরিবেশ রক্ষাও অপরিহার্য। একদিকে চালকলের কার্যক্রম,অন্যদিকে কৃষকের জীবিকা—দুটির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে পরিবেশগত নিয়ম মেনে চলা এবং কার্যকর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে।
এই বিষয়ে জানতে কুষ্টিয়া কৃষি কর্মকর্তা রুপালী আক্তার কে ফোন দেয়া হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com