
মোঃ মনিরুল ইসলাম উপজেলা প্রতিনিধি কুষ্টিয়া।
কুষ্টিয়া সদরসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিদ্যুৎ এর প্রিপেইড মিটার জোর করে জনগণের উপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে,প্রথম প্রথম অনেকেই বুঝতে পারেননি,অনেকেই আগ্রহ করে লাগিয়ে নিয়েছে অথচ
এখন এর ভয়াবহতা সাধারণ মানুষ টের পাওয়া যাচ্ছে হারে হারে,
কিছু ভয়াবহ ক্ষতিকারক দিক স্বাভাবিকের চেয়ে বহুত বেশি ইউনিট রিডিং উঠছে। আগের মিটারে যেখানে ১২০/১৩০ ইউনিট উঠতো এখন তা ২০০ ইউনিট ছাড়িয়ে যাচ্ছে!!
একই বিদ্যুৎ ব্যবহারে এটা কিভাবে হতে পারে?
সরকার নির্ধারিত রেটের চেয়ে বেশি করে ইউনিট প্রতি বিদ্যুৎ বিল কাটছে,তাই ৫০০ টাকা লোড করার সাথে সাথে হাওয়া হয়ে যাচ্ছে অযৌক্তিক ডিমান্ড চার্জ ও মিটার চার্জ বাবদ মাসে মাসে বিপুল পরিমাণ টাকা কেটে নিচ্ছে যা মরার উপর খাড়ার ঘা।
টাকা লোড দেওয়ার পরও মিটারে টাকা জমা হচ্ছে না। কখনো কখনো ২২০ ডিজিটের টোকেন নাম্বার দিচ্ছে যা মিটারে এন্ট্রি না করলে বিদ্যুৎ আসছে না, একজন কম শিক্ষিত বা বৃদ্ধ নারী পুরুষের জন্য যা রীতিমতো ভয়াবহ নির্যাতন,
কখনো কখনো টোকেন নাম্বার দিতে দেড়ি করে। ১ দিন ২ দিন পর টোকেন নাম্বার আসছে
এরকম আরো অনেক সমস্যা রয়েছে, সর্বপড়ি এই প্রিপেইড মিটার এখন মানুষের জন্য বিষফোঁড়া!!
আগের সিস্টেমে অনেক সমস্যা ছিল। বিদ্যুৎ অফিসের কর্মচারীরা মিটার না দেখে আন্দাজে বিল করতো। গরমের সময় বেশি বিল দিলেও শীতকালে মোটামুটি কম আসতো।
কিন্তু বর্তমানে এই প্রিপেইড মিটার আগের থেকে বহুগুণে খারাপ ও বিভ্রান্তিকর।
মূলত জনগণকে জুলুম নির্যাতন করে শোষণ করে পকেট কাটা আর একটি বিশেষ শ্রেণীকে প্রি পেইড মিটারের বিপুল অর্থ পাইয়ে দেওয়ার জন্য এই ফাঁদ পাতা হয়েছে।
প্রিপেইড মিটার জন জীবন অতিষ্ঠ তাই
সাধারণ জনগণের একটাই দাবি
অবিলম্বে এই প্রিপেইড মিটার বন্ধ করে অন্তত আগের সিস্টেম চালু করা হোক,
Leave a Reply