1. mh01610093622@gmail.com : dainikdakshineroporadh :
মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০৮:১২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
ভোলার দৌলতখানে রেজবি বেগম (২২) নামের এক ওমান প্রবাসীর স্ত্রী’র লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বোরহানউদ্দিন সাচড়া ইউনিয়নে চাঁদার জন্য দোকান ঘর ভাঙচুর এমন অভিযোগ করছেন এক অসহায় পরিবার দিনাজপুরে জমে উঠেছে লিচুর বাজার, ভালো দামের আশায় চাষি-ব্যবসায়ীরা গড়াই নদী রক্ষায় কুষ্টিয়ায় নদী পরিব্রাজক দলের ভাসমান সভা ও নদী পরিদর্শন ভোলা জেলার লালমোহন থানা পুলিশের অভিযানেঃ-১০০ (‌‌একশত) পিচ অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ০৩ জন আটক। বিনা পারিশ্রমিকে এক হাজারেরও বেশি মৃতদেহের গোসল ও কাফনের কাজ করা আব্দুল খালেক ঢালী জীবনের শেষ সময়ে এখন নিজেই অসহায়। দীঘিনালা ৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর ৬৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ইলিশার হাট বাজার মহাসড়কের ব্রিজে বড় ধরনের ফাটল, দুর্ঘটনার আশঙ্কা এক সময়ের আনোয়ার আলী আবার ফিরছেন তার চিরাচরিত হীন রুপে। মাদক সেবী নয়, মাদক সম্রাট ধরার দাবি—তবেই মাদকমুক্ত হবে ভোলা
সংবাদ শিরোনাম:
ভোলার দৌলতখানে রেজবি বেগম (২২) নামের এক ওমান প্রবাসীর স্ত্রী’র লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বোরহানউদ্দিন সাচড়া ইউনিয়নে চাঁদার জন্য দোকান ঘর ভাঙচুর এমন অভিযোগ করছেন এক অসহায় পরিবার দিনাজপুরে জমে উঠেছে লিচুর বাজার, ভালো দামের আশায় চাষি-ব্যবসায়ীরা গড়াই নদী রক্ষায় কুষ্টিয়ায় নদী পরিব্রাজক দলের ভাসমান সভা ও নদী পরিদর্শন ভোলা জেলার লালমোহন থানা পুলিশের অভিযানেঃ-১০০ (‌‌একশত) পিচ অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ০৩ জন আটক। বিনা পারিশ্রমিকে এক হাজারেরও বেশি মৃতদেহের গোসল ও কাফনের কাজ করা আব্দুল খালেক ঢালী জীবনের শেষ সময়ে এখন নিজেই অসহায়। দীঘিনালা ৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর ৬৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ইলিশার হাট বাজার মহাসড়কের ব্রিজে বড় ধরনের ফাটল, দুর্ঘটনার আশঙ্কা এক সময়ের আনোয়ার আলী আবার ফিরছেন তার চিরাচরিত হীন রুপে। মাদক সেবী নয়, মাদক সম্রাট ধরার দাবি—তবেই মাদকমুক্ত হবে ভোলা

চরফ্যাশনে ডাক্তার আঁখি আক্তারের হাতে প্রসূতির মৃত্যুর পর এবার নবজাতকের মৃত্যু

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৫১ বার ভিউ

নিজস্ব প্রতিনিধি
‎ভোলার চরফ্যাশনে চিকিৎসক ডা. আঁখি আক্তারের ভুল চিকিৎসায় ১ বছর আগে প্রস্তুতি মৃত্যুর পর এবার অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ‎ ‎রবিবার (৫ অক্টোবর) বিকাল ৪ টার দিকে চরফ্যাশন উপজেলার করিমজান মহিলা মাদ্রাসা রোডে অবস্থিত ব্যক্তি মালিকানাধীন ইকরা হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এই ঘটনা ঘটে। ‎ ‎নিহত নবজাতকের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চরফ্যাশন উপজেলার জিন্নাগড় ২নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও ডেকোরেটর ব্যবসায়ী মো. বাবুল মিয়া তার সন্তানসম্ভবা স্ত্রী তাছলিমা বেগমকে নিয়ে সকাল ১০ টার দিকে চরফ্যাশনের মেঘনা ল্যাব এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসক ডা. আঁখি আক্তারের কাছে নিয়ে যান। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ওই চিকিৎসক একই মালিকানাধীন ইকরা হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি হতে বলেন। এরপর বেলা ১২টার দিকে রোগীকে ইকরা হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিকে ভর্তি করা হয়।

ভুক্তভোগী বাবুল মিয়ার অভিযোগ, ভর্তি করার পর ডাক্তার আঁখি আক্তার আর সেখানে আসেননি; বরং একজন নার্স ও আয়াকে দিয়ে ডেলিভারির পুরো প্রক্রিয়া পরিচালনা করা হয়। বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে রোগীকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়, তবে দেড় ঘণ্টা পরও পরিবারকে কোনো খবর জানানো হয়নি।
নিহত নবজাতকের পিতা বাবুল মিয়া বলেন,“আমি ডাক্তার আঁখি আক্তারের পরামর্শে স্ত্রীকে ভর্তি করেছিলাম। ডাক্তার ওষুধ লিখে রক্ত আনতে বলেন, আমি সব প্রস্তুতি নিই। কিন্তু তিনি একবারও এসে রোগীর খোঁজ খবর নেননি। একজন নার্স আর আয়াই ডেলিভারির কাজ করেন। অনেক সময় পর আমাকে জানানো হয়, বাচ্চা মৃত জন্মেছে। পরে দেখি নবজাতকের শরীরে বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন,“ডাক্তার যদি আগে বলতেন যে নরমাল ডেলিভারি সম্ভব নয়, তাহলে আমি সিজার করাতাম বা অন্য হাসপাতালে নিয়ে যেতাম। কিন্তু ডাক্তার আঁখির অবহেলার কারণে আমাদের সন্তান মারা গেছে। আমরা তার বিচার চাই । ‎ ‎অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ২০২৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর চরফ্যাশন হাসপাতাল রোডে অবস্থিত সেন্ট্রাল ইউনাইটেড হসপিটাল নামের প্রাইভেট ক্লিনিকে একই চিকিৎসক ডা. আঁখি আক্তারের ভুল চিকিৎসায় আমিনাবাদ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আনোয়ার হোসেনের মেয়ে মুন্নী আক্তার নামে এক প্রসূতির মৃত্যু হয়েছিল। এরপর বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর তিনি হাসপাতালে ছেড়ে পালিয়ে গিয়ে কিছুদিন গাঁঢাকা দেন। পরে আবার ইকরা হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিকে যোগদান করে চিকিৎসা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

অন্যদিকে ২০২২ সালের ২৩ নভেম্বর একই প্রাইভেট ক্লিনিক ইকরা হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসকের অবহেলায় দুই নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠে এবং তা বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
স্থানীয় সচেতন মহলের অনেকে দাবি করেছেন, ডা. আঁখি আক্তার এর বিরুদ্ধে পূর্বেও একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তারা বলেন,“তিনি প্রায়ই চেম্বারে বসে টিকটক ভিডিও করেন, রোগীদের সঠিকভাবে দেখেন না। তার অবহেলায় একাধিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
‎ভোলার চরফ্যাশনে চিকিৎসক ডা. আঁখি আক্তারের ভুল চিকিৎসায় ১ বছর আগে প্রস্তুতি মৃত্যুর পর এবার অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ‎ ‎রবিবার (৫ অক্টোবর) বিকাল ৪ টার দিকে চরফ্যাশন উপজেলার করিমজান মহিলা মাদ্রাসা রোডে অবস্থিত ব্যক্তি মালিকানাধীন ইকরা হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এই ঘটনা ঘটে। ‎ ‎নিহত নবজাতকের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চরফ্যাশন উপজেলার জিন্নাগড় ২নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও ডেকোরেটর ব্যবসায়ী মো. বাবুল মিয়া তার সন্তানসম্ভবা স্ত্রী তাছলিমা বেগমকে নিয়ে সকাল ১০ টার দিকে চরফ্যাশনের মেঘনা ল্যাব এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসক ডা. আঁখি আক্তারের কাছে নিয়ে যান। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ওই চিকিৎসক একই মালিকানাধীন ইকরা হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি হতে বলেন। এরপর বেলা ১২টার দিকে রোগীকে ইকরা হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিকে ভর্তি করা হয়।

ভুক্তভোগী বাবুল মিয়ার অভিযোগ, ভর্তি করার পর ডাক্তার আঁখি আক্তার আর সেখানে আসেননি; বরং একজন নার্স ও আয়াকে দিয়ে ডেলিভারির পুরো প্রক্রিয়া পরিচালনা করা হয়। বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে রোগীকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়, তবে দেড় ঘণ্টা পরও পরিবারকে কোনো খবর জানানো হয়নি।
নিহত নবজাতকের পিতা বাবুল মিয়া বলেন,“আমি ডাক্তার আঁখি আক্তারের পরামর্শে স্ত্রীকে ভর্তি করেছিলাম। ডাক্তার ওষুধ লিখে রক্ত আনতে বলেন, আমি সব প্রস্তুতি নিই। কিন্তু তিনি একবারও এসে রোগীর খোঁজ খবর নেননি। একজন নার্স আর আয়াই ডেলিভারির কাজ করেন। অনেক সময় পর আমাকে জানানো হয়, বাচ্চা মৃত জন্মেছে। পরে দেখি নবজাতকের শরীরে বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন,“ডাক্তার যদি আগে বলতেন যে নরমাল ডেলিভারি সম্ভব নয়, তাহলে আমি সিজার করাতাম বা অন্য হাসপাতালে নিয়ে যেতাম। কিন্তু ডাক্তার আঁখির অবহেলার কারণে আমাদের সন্তান মারা গেছে। আমরা তার বিচার চাই । ‎ ‎অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ২০২৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর চরফ্যাশন হাসপাতাল রোডে অবস্থিত সেন্ট্রাল ইউনাইটেড হসপিটাল নামের প্রাইভেট ক্লিনিকে একই চিকিৎসক ডা. আঁখি আক্তারের ভুল চিকিৎসায় আমিনাবাদ ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আনোয়ার হোসেনের মেয়ে মুন্নী আক্তার নামে এক প্রসূতির মৃত্যু হয়েছিল। এরপর বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর তিনি হাসপাতালে ছেড়ে পালিয়ে গিয়ে কিছুদিন গাঁঢাকা দেন। পরে আবার ইকরা হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিকে যোগদান করে চিকিৎসা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

অন্যদিকে ২০২২ সালের ২৩ নভেম্বর একই প্রাইভেট ক্লিনিক ইকরা হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসকের অবহেলায় দুই নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠে এবং তা বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
স্থানীয় সচেতন মহলের অনেকে দাবি করেছেন, ডা. আঁখি আক্তার এর বিরুদ্ধে পূর্বেও একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তারা বলেন,“তিনি প্রায়ই চেম্বারে বসে টিকটক ভিডিও করেন, রোগীদের সঠিকভাবে দেখেন না। তার অবহেলায় একাধিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com