1. mh01610093622@gmail.com : dainikdakshineroporadh :
শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ০৮:০০ অপরাহ্ন
নোটিশ :
হেফজখানা নির্মাণকাজে বাধা ও হামলার অভিযোগ, আহত কয়েকজন হারানো বিজ্ঞপ্ত কুষ্টিয়ায় মাদ্রাসা শিক্ষককে গিরে অনৈতিকতার অভিযোগ, উদ্বিগ্ন অভিভাবক মহল সাংবাদিকের ওপর হামলার মামলার আসামিরা প্রকাশ্যে, নীরব প্রশাসনে প্রশ্ন অনলাইন হ্যারাসমেন্ট ঠেকাতে মাঠে নেমেছে তরুণ প্রজন্ম লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ ভোলার শিক্ষার্থীরা: বিদ্যুৎ অফিসে দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ক্ষোভ” লেখা দশমিনায় বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সম্পাদকের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা দীঘিনালায় গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি আটক। ড্রেজার মেশিন নিয়ে অভিযোগের পর তদন্ত, বৈধ কাগজপত্র পেয়ে পুনরায় চালুর নির্দেশ মব ভায়োলেন্স: সামাজিক ব্যাধি, গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত অথবা মব ভায়োলেন্স: রাষ্ট্র, সমাজ ও গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে এক ভয়াবহ নীরব যুদ্ধ
সংবাদ শিরোনাম:
হেফজখানা নির্মাণকাজে বাধা ও হামলার অভিযোগ, আহত কয়েকজন হারানো বিজ্ঞপ্ত কুষ্টিয়ায় মাদ্রাসা শিক্ষককে গিরে অনৈতিকতার অভিযোগ, উদ্বিগ্ন অভিভাবক মহল সাংবাদিকের ওপর হামলার মামলার আসামিরা প্রকাশ্যে, নীরব প্রশাসনে প্রশ্ন অনলাইন হ্যারাসমেন্ট ঠেকাতে মাঠে নেমেছে তরুণ প্রজন্ম লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ ভোলার শিক্ষার্থীরা: বিদ্যুৎ অফিসে দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ক্ষোভ” লেখা দশমিনায় বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সম্পাদকের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা দীঘিনালায় গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি আটক। ড্রেজার মেশিন নিয়ে অভিযোগের পর তদন্ত, বৈধ কাগজপত্র পেয়ে পুনরায় চালুর নির্দেশ মব ভায়োলেন্স: সামাজিক ব্যাধি, গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত অথবা মব ভায়োলেন্স: রাষ্ট্র, সমাজ ও গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে এক ভয়াবহ নীরব যুদ্ধ

আড়ং: দেশীয় পণ্য, কিন্তু দামের লাগাম কোথায়?

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ, ২০২৫
  • ১৯১ বার ভিউ

ইঞ্জি. মোঃ আল-আমীন চৌধুরী ( ঢাকা সিটি প্রতিনিধি )

ঈদ মানেই কেনাকাটার ধুম। মানুষ ছুটছে শপিংমলে, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের দোকানে। কিন্তু প্রতিবারের মতো এবারও একটাই প্রশ্ন—”আড়ং-এর মতো দেশীয় ব্র্যান্ডের পোশাকের এত দাম কেন?”

আড়ং দাবি করে, তারা সম্পূর্ণ দেশীয় পণ্য বিক্রি করে। তাদের পণ্যগুলো হস্তশিল্পীদের তৈরি, দেশীয় সংস্কৃতির প্রতিচ্ছবি। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, সাধারণ শাড়ি, পাঞ্জাবি, ফতুয়া বা সালোয়ার কামিজের দাম এত বেশি যে মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের জন্য তা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। একটি সাধারণ শাড়ির দাম যেখানে পাঁচ-ছয় হাজার টাকা, পাঞ্জাবির দাম দুই-তিন হাজারের বেশি, তখন প্রশ্ন ওঠে—এই অতিরিক্ত দামের ভিত্তি কী?

অনেকেই মনে করেন, আড়ং ব্র্যান্ডের নামে পণ্যের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে দিচ্ছে। সাধারণ হস্তশিল্পী যে পণ্য হয়তো অল্প খরচে তৈরি করেন, সেটি আড়ং এত বেশি দামে বিক্রি করে যে মনে হয়, “এতে বুঝি স্বর্ণ বা রূপার কাজ করা হয়েছে!”

প্রশ্ন হচ্ছে:

কেন আড়ং-এর পণ্যের দাম এত বেশি?

এই অতিরিক্ত দাম নির্ধারণের পেছনে কি কোনো স্বচ্ছ নীতিমালা আছে?

বাজার মনিটরিং সংস্থাগুলো কি আড়ং-এর মতো বড় ব্র্যান্ডের মূল্য নির্ধারণ নিয়ে কোনো তদন্ত করছে?

ঈদের বাজারে শুধু ছোট দোকানদারদের অভিযান চালিয়ে জরিমানা করলেই হবে না। বড় ব্র্যান্ডগুলোর অতিরিক্ত দাম এবং ক্রেতাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া অন্যায় মুনাফার দিকেও প্রশাসনের কঠোর নজর দেওয়া প্রয়োজন। অন্যথায়, সাধারণ ক্রেতারাই প্রতিবারের মতো ক্ষতিগ্রস্ত হবেন, আর আড়ং-এর মতো প্রতিষ্ঠান তাদের ইচ্ছেমতো দাম বাড়িয়ে যাবে।

সমাধান কী?

1. বড় ব্র্যান্ডগুলোর মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি স্বচ্ছ করতে হবে।

2. ভোক্তা অধিকার সংস্থাকে এই উচ্চমূল্যের বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে হবে।

3. ক্রেতাদের সচেতন হতে হবে এবং অন্যায়মূলক দাম মেনে না নেওয়ার মানসিকতা তৈরি করতে হবে।

ঈদের কেনাকাটায় ক্রেতাদের স্বস্তি দিতে হলে, শুধু ছোট ব্যবসায়ীদের নয়, আড়ং-এর মতো প্রতিষ্ঠানের মূল্য নীতিও কঠোরভাবে পর্যালোচনা করা উচিত।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com