
মোঃ আশরাফ ইকবাল পিকলু মাজমাদার
খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান।
কুষ্টিয়া পৌরসভার সার্বিক উন্নয়ন,নাগরিক সেবার মান বৃদ্ধি এবং একটি নিরাপদ,পরিচ্ছন্ন ও জনবান্ধব নগরী গড়ে তোলার প্রত্যাশায় পৌরবাসীর কাছে সৎ,যোগ্য ও জনকল্যাণমুখী নেতৃত্বের গুরুত্ব বাড়ছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক চেতনায় বিশ্বাসী এবং দীর্ঘ ১৬ বছর রাজপথে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতাকে সামনে রেখে আলোচনায় রয়েছেন কুষ্টিয়া পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী আখতারুজ্জামান কাজল মাজমাদার।
একটি পৌরসভার উন্নয়ন শুধু রাস্তাঘাট নির্মাণ কিংবা অবকাঠামোগত পরিবর্তনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে নাগরিকদের নিরাপদ জীবনযাপন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, উন্নত পয়োনিষ্কাশনব্যবস্থা,সুপেয় পানির সরবরাহ, যানজট নিরসন এবং নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা। এসব ক্ষেত্রে কার্যকর পরিকল্পনা ও সঠিক বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি আধুনিক ও বাসযোগ্য পৌরসভা গড়ে তোলা সম্ভব।
কুষ্টিয়া পৌরবাসীর প্রত্যাশা,পৌরসভার নেতৃত্বে এমন একজন ব্যক্তি আসুন,যিনি ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জনস্বার্থকে প্রাধান্য দেবেন এবং নাগরিকদের সমস্যা সমাধানে আন্তরিক ভূমিকা রাখবেন। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষ,দিনমজুর,খেটে খাওয়া পরিবার,অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের ন্যায্য নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা একটি মানবিক নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।
আখতারুজ্জামান কাজল মাজমাদার শহীদ জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক চেতনায় বিশ্বাসী,দীর্ঘ ১৬ বছর রাজপথে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতার বিষয়টি তার রাজনৈতিক পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিনের পথচলার অভিজ্ঞতাকে জনকল্যাণমূলক কাজে লাগানো গেলে তা পৌরসভার উন্নয়ন ও নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
কুষ্টিয়া পৌরসভাকে আরও উন্নত ও বাসযোগ্য করতে পরিকল্পিত নগরায়ণ,নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ, জলাবদ্ধতা নিরসন,সড়কবাতির ব্যবস্থা,নিরাপদ সড়ক এবং স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠন,তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখার বিষয়েও কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।
একটি জনবান্ধব পৌরসভা গড়ে তুলতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির বিকল্প নেই। উন্নয়ন প্রকল্পের যথাযথ বাস্তবায়ন,সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার এবং নাগরিকদের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হলে পৌরসভার প্রতি মানুষের আস্থা আরও সুদৃঢ় হতে পারে। এ ক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধির আন্তরিকতা,দক্ষতা ও জনসেবার মানসিকতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কুষ্টিয়া পৌরবাসীর প্রত্যাশা,আগামী দিনে যিনি মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন,তিনি যেন দল-মতনির্বিশেষে সবার জন্য কাজ করেন এবং নাগরিকদের ন্যায্য অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সচেষ্ট থাকেন। সৎ নেতৃত্ব, বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা ও জনসম্পৃক্ত উন্নয়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে কুষ্টিয়া পৌরসভাকে একটি পরিচ্ছন্ন,নিরাপদ, আধুনিক ও সমৃদ্ধ নগরী হিসেবে গড়ে তোলাই হোক ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের অঙ্গীকার।
Leave a Reply