
বাহাদুর চৌধুরী,রিটায়ার্ড – কনভিট ওভারসিয়ার সি,ও।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে এক বন্দিকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, তিনি বর্তমানে কারা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এ ঘটনা কারা হেফাজতে বন্দিদের নিরাপত্তা ও মানবাধিকার নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে।
গ্রেপ্তার মানেই নির্যাতনের লাইসেন্স নয়, কারাগারও কারও ব্যক্তিগত রাজত্ব নয়! একজন মানুষ অপরাধ করলে তাঁর বিচার করবে আদালত, শাস্তি নির্ধারিত হবে আইন অনুযায়ী। কিন্তু বন্দি হলেই তাঁকে মারধর করার অধিকার কেউ পায় না।
মনে রাখতে হবে, কারাগারে বন্দি রাখা হয় আইনসম্মত প্রক্রিয়ায়—প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য নয়; সংশোধনের সুযোগ দেওয়ার জন্য। একজন বন্দির স্বাধীনতা সীমিত হতে পারে, কিন্তু তাঁর মানবিক মর্যাদা ও আইনি সুরক্ষা কেড়ে নেওয়া যায় না।
কারাগারের চার দেয়ালের আড়ালে যদি বন্দির নিরাপত্তাই নিশ্চিত না হয়, তাহলে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের জবাবদিহি কোথায়?
আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত, আহত বন্দির যথাযথ চিকিৎসা এবং তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি। অভিযোগ ১০০% প্রমাণিত তাই দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।
বন্দি বলে কেউ নির্যাতনের শিকার হবেন, আর কারাগারের দেয়ালের আড়ালে সেই অন্যায় চাপা পড়ে যাবে—এমন ব্যবস্থা চলতে পারে না।
বন্দি অপরাধী হতে পারেন, কিন্তু নির্যাতনের শিকার হওয়ার জন্য দণ্ডিত নন! উক্ত বিষয় নিয়ে কারা সুপার ও জেলারকে একাধিকবার ফোন করিলে ও তাহাদের ফোন বিজি পাওয়া যায়।
,,এদিকে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি এবং ২৬ থেকে ২৭ টি কারাগার পরিদর্শন করে দেখেছি শতকরা ৭৫ পার্সেন্ট কারা কর্মকর্তা কর্মচারী ও কারাগরের ডাক্তার -অনিয়ম দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন।
আর সেই সুবাদে বড় বড় ভয়ংকর বন্ধুরা, কারা সিও,
কনভিট পাহারা, কনভিট রাইটার, যা খুশি তাই করতে পারে কারা অভ্যন্তরে।
বিস্তারিত দ্বিতীয় পর্বে।
Leave a Reply