
স্টাফ রিপোর্টার:
খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলা-এর মধ্যম সোনাতোন কাটি নতুন ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল ফিতর-এর জামাত ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল থেকেই টানা বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়া থাকা সত্ত্বেও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের উপস্থিতিতে ঈদগাহ ময়দান পরিণত হয় এক মিলনমেলায়।
বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে মুসল্লিরা ছাতা ও পলিথিনের সহায়তায় ঈদের নামাজ আদায় করেন। এ সময় পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে এবং ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে সর্বস্তরের মানুষের মাঝে।
ঈদের জামাতে উপস্থিত ছিলেন ঈদগাহ কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, আন্তর্জাতিক প্রেসক্লাব ও ঢাকা প্রেসক্লাবের সভাপতি আওরঙ্গজেব কামাল। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি মীর সাফায়েত আলী (শাবান আলী), উপদেষ্টা শেখ আফজাল হোসেন, মীর হিজবুল্লাহ, মীর সাজ্জাদ আলী, মীর ইমামুল ইসলাম জুলু, এস এম মনিরুজ্জামান মেম্বার, মীর আছাদ আলী, মীর আছাবুর রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
আরও উপস্থিত ছিলেন ঈদগাহ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মীর রাজিবুল হাসান নাজমুল, অর্থ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, শেখ মুরাদ হোসেন, মীর তুহিন আলী, মীর আলমগীর হোসেন,মোঃ হারুন আকুঞ্জি, জামাল মোল্লা, শেখ আলমগীর হোসেন, আমির আলী চৌধুরী, মীর জিসান হোসেন তৃপ্তি, মীর রনি, শেখ খালিদ হোসেন, মীর আদনান, মীর বাবু, মীর সোহেল, মীর ,শেখ আজহারুল, সুজ্জত, করিম মোল্লা, মোল্লা শহিদুল, মীর হানিফ আলী,মীর আনারুল, মীর হাসান আলী, শেখ সালাম, শেখ মনিরুল হক, শেখ শাহিন, মীর শহীদ আলী, শেখ রাহান আলী, শেখ সাহেব আলী, শেখ জাকির, সিরাজ চৌধুরী, সেলিম চৌধুরী,ফাহাদ আলীসহ অনেকে।ঈদের নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন মুফতি মাওলানা মোঃ রিয়াজ হোসেন খান। এ সময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে আওরঙ্গজেব কামাল বলেন, “পবিত্র ঈদুল ফিতর আমাদের জন্য ত্যাগ, সংযম ও ভ্রাতৃত্ববোধের এক অনন্য শিক্ষা নিয়ে আসে। রমজানের এক মাসের আত্মশুদ্ধি আমাদেরকে মানবিক ও নৈতিক গুণাবলিতে সমৃদ্ধ করে। আজকের এই দিনে আমরা যেন সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে একটি শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ সমাজ গঠনে ঐক্যবদ্ধ হই।” তিনি আরও বলেন, “প্রাকৃতিক প্রতিকূলতা আমাদের ঈমান ও ধৈর্যের পরীক্ষা নেয়। আজকের এই বৃষ্টির মধ্যেও মানুষের ঈদের নামাজে উপস্থিতি প্রমাণ করে ধর্মীয় চেতনা ও ঐক্যের শক্তি কতটা দৃঢ়।”মোনাজাতে দেশবাসীর সুখ-শান্তি, উন্নয়ন ও অগ্রগতি কামনা করা হয়। পাশাপাশি বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, নির্যাতিত মানুষের মুক্তি এবং মানবতার কল্যাণে দোয়া করা হয়। সবশেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেন, যা পুরো এলাকাজুড়ে এক হৃদয়স্পর্শী পরিবেশ সৃষ্টি করে।
Leave a Reply