1. mh01610093622@gmail.com : dainikdakshineroporadh :
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৪ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
সম্প্রীতির বন্ধনে দুর্গোৎসব: উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি রেহানা আজাদ, সম্প্রীতির বন্ধনে দুর্গোৎসব: উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপে বিএনপি নেতা আবুল হোসেন আজাদ গাজীপুরে কারখানা কর্মকর্তার ধমকের পর ফ্লোরে ঢলে পড়ে নারী পোশাকশ্রমিকের মৃত্যু: ছুটি না দেওয়া ও অবহেলার অভিযোগ ঝালকাঠিতে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পের উদ্বোধন করলেন ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলার ছেঁউড়িয়া লালনশাহর মাজার প্রাঙ্গণ থেকে টাইম বোমা উদ্ধার করল পুলিশ। দুর্গোৎসবে নিরাপত্তা নিশ্চিতে পটিয়ায় ছাত্রশক্তির মণ্ডপ পরিদর্শন। আশুলিয়ায় সমাজসেবক দেলোয়ার মীরের ওপর হামলার অভিযোগ, আইসিইউতে চিকিৎসাধীন সুজন গাজীর নেতৃত্বে ১০–১৫ জনের হামলার অভিযোগ; সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস পুলিশের কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ৪ নং বটতৈল ইউনিয়ন পরিষদ ঘিরে বিতর্ক পাল্টাপাল্টি অভিযোগে প্রশ্নবিদ্ধ সামাজিক মর্যাদা,সমাধানে আলোচনার আহ্বান কাতারে গ্রেপ্তার বাংলাদেশের বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান শেখ আব্দুল হান্নান কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলার আদাবাড়িয়ায় শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে মুন্সি তুফাজ্জল হোসেন-রিজিয়া খাতুন মডেল মাদ্রাসা
সংবাদ শিরোনাম:
সম্প্রীতির বন্ধনে দুর্গোৎসব: উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি রেহানা আজাদ, সম্প্রীতির বন্ধনে দুর্গোৎসব: উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপে বিএনপি নেতা আবুল হোসেন আজাদ গাজীপুরে কারখানা কর্মকর্তার ধমকের পর ফ্লোরে ঢলে পড়ে নারী পোশাকশ্রমিকের মৃত্যু: ছুটি না দেওয়া ও অবহেলার অভিযোগ ঝালকাঠিতে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পের উদ্বোধন করলেন ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলার ছেঁউড়িয়া লালনশাহর মাজার প্রাঙ্গণ থেকে টাইম বোমা উদ্ধার করল পুলিশ। দুর্গোৎসবে নিরাপত্তা নিশ্চিতে পটিয়ায় ছাত্রশক্তির মণ্ডপ পরিদর্শন। আশুলিয়ায় সমাজসেবক দেলোয়ার মীরের ওপর হামলার অভিযোগ, আইসিইউতে চিকিৎসাধীন সুজন গাজীর নেতৃত্বে ১০–১৫ জনের হামলার অভিযোগ; সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস পুলিশের কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ৪ নং বটতৈল ইউনিয়ন পরিষদ ঘিরে বিতর্ক পাল্টাপাল্টি অভিযোগে প্রশ্নবিদ্ধ সামাজিক মর্যাদা,সমাধানে আলোচনার আহ্বান কাতারে গ্রেপ্তার বাংলাদেশের বিমানবাহিনীর সাবেক প্রধান শেখ আব্দুল হান্নান কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলার আদাবাড়িয়ায় শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে মুন্সি তুফাজ্জল হোসেন-রিজিয়া খাতুন মডেল মাদ্রাসা

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল: গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রশ্নে নীরবতা কেন?

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬
  • ৭৬ বার ভিউ

বাহাদুর চৌধুরী: দক্ষিণের অপরাধ সংবাদ :

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হলো স্বাধীন গণমাধ্যম। একটি দেশের সাংবাদিক সমাজ যত স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে, সেই দেশের গণতন্ত্র তত সুদৃঢ় হয়। অথচ বাস্তবতা হলো—ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের পর থেকে বাংলাদেশের গণমাধ্যম এক ধরনের অদৃশ্য শৃঙ্খলে আবদ্ধ হয়ে পড়েছে। এই আইন সাংবাদিকদের স্বাধীন মতপ্রকাশ ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার পথকে সংকুচিত করেছে, সৃষ্টি করেছে ভয় ও অনিশ্চয়তার পরিবেশ।
আজ থেকে প্রায় সাড়ে চার বছর আগে বগুড়া জেলা প্রেসক্লাবের পাশে এক প্রতিবাদী অবস্থান থেকে উচ্চারিত হয়েছিল একটি স্পষ্ট বার্তা—কোনো আইন করে গণমাধ্যমের হাত-পা বেঁধে রেখে ক্ষমতা চিরস্থায়ী করা যায় না। ইতিহাস সাক্ষী, ক্ষমতা কখনো স্থায়ী নয়; জনগণের অধিকার ও সত্যের শক্তিই শেষ পর্যন্ত বিজয়ী হয়। সেই সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিশেষ করে বিরোধী দলের অনেক নেতা, সাংবাদিকদের এই ন্যায্য দাবির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেছিলেন। ঢাকার পল্টনে আন্দোলনের মঞ্চেও একই দাবি প্রতিধ্বনিত হয়েছিল—ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করতে হবে।
কিন্তু প্রশ্ন হলো—আজ সেই নেতারা কোথায়? যারা একসময় গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পক্ষে সোচ্চার ছিলেন, তারা আজ নীরব কেন? প্রতিশ্রুতি কি শুধুই রাজনৈতিক বক্তব্যে সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি তা বাস্তবায়নের সাহসও দেখানো হবে?
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাস্তবায়নের ফলে বহু সাংবাদিক, লেখক ও সাধারণ নাগরিক হয়রানির শিকার হয়েছেন। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সীমাবদ্ধ হয়েছে, আত্মনিয়ন্ত্রণের প্রবণতা বেড়েছে, যা গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। একটি স্বাধীন গণমাধ্যম ছাড়া স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।
অতএব, এখন সময় এসেছে এই আইনের পুনর্মূল্যায়নের। তথ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারক এবং সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের প্রতি আহ্বান—গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে অবিলম্বে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করুন অথবা এমনভাবে সংশোধন করুন, যাতে তা সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়।
সারা দেশের গণমাধ্যমকর্মীরা আজ উত্তর জানতে চায়। তারা জানতে চায়—গণতন্ত্রের প্রতি অঙ্গীকার কি বাস্তবে প্রতিফলিত হবে, নাকি তা কেবলই বক্তব্যে সীমাবদ্ধ থাকবে?
সময় এসেছে সিদ্ধান্ত নেওয়ার। গণমাধ্যমকে স্বাধীন হতে দিন—কারণ স্বাধীন গণমাধ্যমই একটি শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গঠনের,,,,,,
(বিস্তারিত ছবিগুলি কমেন্টে দেখুন)

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com