
বিশেষ প্রতিনিধি।
খুলনা দক্ষিণাঞ্চলের সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগরের উপকূলীয় অঞ্চল,খোলপেটুয়া নদীসহ আশপাশ অঞ্চল-
প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area – ECA) বা পরিবেশগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ। বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা (সংশোধন) আইন, ২০২৩ অনুযায়ী, এই অপরাধের জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে।
প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা থেকে বালু উত্তোলন করলে সর্বোচ্চ ২ (দুই) বছরের কারাদণ্ড অথবা ১০ (দশ) লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড,অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন। ড্রেজার বা অন্য কোনো যান্ত্রিক উপায়ে বালু উত্তোলন করলে বা ভাঙনের ঝুঁকি তৈরি করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আরও কঠোর শাস্তির আওতায় পড়বেন। চোরাই বালু উত্তোলন কারী সিন্ডিকেট সক্রিয়।আর এসব বালু,ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় অসাধু ঠিকাদার,জিয়াই বস্তায় ব্যবহৃত হয় বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।নিরপেক্ষ তদন্ত হলে কথাগুলোর সত্যতা মিলবে। ছবিটি বাস্তব প্রমাণ-
আর প্রতিবেশ বা জীববৈচিত্র্যের যে ক্ষতি হবে, তার পরিমাণ নির্ধারণ করে ইজারাগ্রহীতার জামানত থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করার বিধান রয়েছে ৷
কিন্তু জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের নাটকীয়তায় দিনের পর দিন শ্যামনগরের প্রতিবেশ সংকটপন্ন এলাকা থেকে বালু উত্তোলন করে আসছে কতিপয় ব্যক্তিরা।
শ্যামনগর উপজেলার ঝাঁপালি খেয়াঘাটের সামনে নদী থেকে প্রতি রাতে অবৈধ বালু উত্তোলনের মহোৎসব অব্যাহত রয়েছে।
Leave a Reply