1. mh01610093622@gmail.com : dainikdakshineroporadh :
শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:১৪ অপরাহ্ন
নোটিশ :
নিটারে ক্যারিয়ার গড়ার কৌশল নিয়ে এলসিবির বিশেষ সেশন সাগরদাঁড়ী এমএম ইনস্টিটিউশনের ভাঙড়ি মালামাল বিক্রি নয়, ৭৪ দোকানের বকেয়া ভাড়া আদায় ঠেকাতেই ষড়যন্ত্রের অভিযোগ গোপালগঞ্জে বিয়ের দাবিতে মুসলিম তরুণীর হিন্দু তরুণের বাড়িতে অবস্থান, এলাকায় চাঞ্চল্য লালমোহন থানা পুলিশের অভিযানে,(৫০)পিচ অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ০৪ জন আটক। নেছারাবাদের সুটিয়াকাঠিতে বিএনপি কর্মীকে হাতুরির আঘাতে রক্তাক্ত ও আঙ্গুল কামড়ে ছিড়ে ফেলার অভিযোগ আওয়ামী নেতার বিরুদ্ধে ভোলার দুলারহাট থানা পুলিশের অভিযানে মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট ও নগদ টাকাসহ একজন আটক। দীঘিনালায় বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ম্রাসাথোয়াই ধামইরহাটে ১ হাজার ৫৮০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বিজিবি বগুড়ায় “ভাই-বোন ফুচকা, চটপটি” কারখানায় অভিযান, ১,০০,০০০/- টাকা জরিমানা ভূঞাপুরে মেয়াদোত্তীর্ণ সরকারি ওষুধ যমুনায় ফেলতে গিয়ে আটক
সংবাদ শিরোনাম:
নিটারে ক্যারিয়ার গড়ার কৌশল নিয়ে এলসিবির বিশেষ সেশন সাগরদাঁড়ী এমএম ইনস্টিটিউশনের ভাঙড়ি মালামাল বিক্রি নয়, ৭৪ দোকানের বকেয়া ভাড়া আদায় ঠেকাতেই ষড়যন্ত্রের অভিযোগ গোপালগঞ্জে বিয়ের দাবিতে মুসলিম তরুণীর হিন্দু তরুণের বাড়িতে অবস্থান, এলাকায় চাঞ্চল্য লালমোহন থানা পুলিশের অভিযানে,(৫০)পিচ অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ০৪ জন আটক। নেছারাবাদের সুটিয়াকাঠিতে বিএনপি কর্মীকে হাতুরির আঘাতে রক্তাক্ত ও আঙ্গুল কামড়ে ছিড়ে ফেলার অভিযোগ আওয়ামী নেতার বিরুদ্ধে ভোলার দুলারহাট থানা পুলিশের অভিযানে মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট ও নগদ টাকাসহ একজন আটক। দীঘিনালায় বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ম্রাসাথোয়াই ধামইরহাটে ১ হাজার ৫৮০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বিজিবি বগুড়ায় “ভাই-বোন ফুচকা, চটপটি” কারখানায় অভিযান, ১,০০,০০০/- টাকা জরিমানা ভূঞাপুরে মেয়াদোত্তীর্ণ সরকারি ওষুধ যমুনায় ফেলতে গিয়ে আটক

“বন রক্ষার নামে মহালুট: বরিশালসহ উপকূলজুড়ে দুর্নীতি, দখল ও পরিবেশ ধ্বংসের ভয়াবহ চিত্র”

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৮৬ বার ভিউ

বাহাদুর চৌধুরী :দৈনিক দক্ষিণের অপরাধ সংবাদ.

হাজার কোটি টাকার বনায়ন বাজেট প্রশ্নবিদ্ধ—অবৈধ গরুর খামার, মাটি পাচার, বিষ দিয়ে মাছ নিধন; জবাবদিহিতার অভাবে বিপর্যয়ের দ্বারপ্রান্তে প্রকৃতি

দেশের বন ও পরিবেশ রক্ষার জন্য প্রতিবছর বরাদ্দ হচ্ছে হাজার হাজার কোটি টাকা। কাগজে-কলমে বনায়ন, সংরক্ষণ ও উন্নয়নের চিত্র যতটা উজ্জ্বল—মাঠ পর্যায়ের বাস্তবতা ততটাই অন্ধকার। বিশেষ করে বরিশাল বিভাগসহ উপকূলীয় অঞ্চলে বন ধ্বংস, সম্পদ লুটপাট ও প্রশাসনিক অনিয়মের এক উদ্বেগজনক চিত্র সামনে আসছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ—বন বিভাগের কিছু অসাধু বিট ও রেঞ্জ কর্মকর্তা প্রভাবশালী দখলদার ও ঠিকাদারদের সঙ্গে যোগসাজশে বনাঞ্চলকে ব্যক্তিগত আয়ের উৎসে পরিণত করেছেন। বন রক্ষার দায়িত্বপ্রাপ্তদের নীরবতা ও সহযোগিতায় চলছে অবৈধ কার্যক্রমের এক সুসংগঠিত চক্র।

বনের ভেতরেই গড়ে তোলা হয়েছে বিশাল আকারের অবৈধ গরু, ছাগল ও মহিষের খামার। হাজার হাজার পশুর চারণে নতুন গাছ জন্মানোর সুযোগ নষ্ট হচ্ছে, ধ্বংস হচ্ছে বনভূমির প্রাকৃতিক পুনর্জন্ম প্রক্রিয়া।

পটুয়াখালী জেলায় দেখা গেছে বনের মাটি কেটে ইঞ্জিল চালিত টলার ও নৌকাযোগে অবৈধ ইটভাটায় সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে বনভূমি নিচু হয়ে যাচ্ছে, ভূমির গঠন নষ্ট হচ্ছে এবং উপকূলীয় এলাকায় বন্যা ও লবণাক্ততার ঝুঁকি বাড়ছে।

ভোলা জেলায় দেখা গেছে বনের অভ্যন্তরের খাল-বিল ও জলাশয়ে বিষাক্ত রাসায়নিক প্রয়োগ করে মাছ নিধন করা হচ্ছে। এতে শুধু মাছই নয়—পুরো জলজ বাস্তুতন্ত্র ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। ছোট ছোট প্রাকৃতিক জলাধারগুলো মৃতপ্রায় হয়ে পড়ছে, কমে যাচ্ছে মাছের উৎপাদন বিশেষ করে চিংড়ি মাছের উৎপাদন নদী গুলিতে একেবারে বিলুপ্ত হয়ে গেছে।

ফেনী নোয়াখালী লক্ষ্মীপুরে দেখা গেছে মৌমাছি নিধন ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি:
অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে আগুন ব্যবহার করে মধু সংগ্রহের ফলে বিপুল সংখ্যক মৌমাছি ধ্বংস হচ্ছে, যা প্রাকৃতিক পরাগায়ন প্রক্রিয়ার ওপর মারাত্মক আঘাত হানছে।

বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আউটসোর্সিং কর্মচারীর নামে কাগজে-কলমে নিয়োগ দেখিয়ে বাস্তবে কোনো কর্মী না রেখেই বরাদ্দের অর্থ ভাগ-বাটোয়ারা করে আত্মসাৎ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

নির্জন দ্বীপ ও মনপুরা এবং বিভিন্ন উপজেলায় উপকূলীয় বনাঞ্চলের অভ্যন্তরে থাকা খাল-বিল অবৈধভাবে লিজ দিয়ে কুচিলা,১৭ প্রকার নিষিদ্ধ মাছ ও কাঁকড়া আহরণ করা হচ্ছে। এতে পরিবেশ ধ্বংস হলেও লাভ যাচ্ছে একটি অসাধু গোষ্ঠীর পকেটে।

এই চিত্র শুধু বিচ্ছিন্ন অনিয়ম নয়—বরং একটি প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা ও জবাবদিহিতাহীনতার প্রতিফলন। যখন রক্ষকই ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়, তখন বন, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা অসম্ভব হয়ে পড়ে।
এখানে দৈনিক দক্ষিণের অপরাধ সম্পাদ ও বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনগুলি জোরালো প্রশ্ন:
হাজার কোটি টাকার বনায়ন প্রকল্পের প্রকৃত অগ্রগতি কোথায়? বিশেষ করে চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ বিভাগের বন বিভাগের অবস্থা একেবারে শোষণীয়।
কারা এই অবৈধ দখল ও লুটপাটের পেছনে?
কেন মাঠপর্যায়ের অভিযোগগুলো তদন্তের মুখ দেখে না?
পরিবেশ ধ্বংসের দায় কে নেবে?

এভাবে চলতে থাকলে বনভূমি, জলাভূমি ও জীববৈচিত্র্য একসঙ্গে ধ্বংস হয়ে দেশ ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্যয়ের মুখে পড়বে।বর্তমান নতুন সরকারের এখনই সময়—দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, স্বচ্ছ তদন্ত এবং শক্তিশালী জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার।
নচেৎ ইতিহাস সাক্ষী থাকবে—অবহেলা ও দুর্নীতির কারণে একটি দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ কিভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে।

#বিস্তারিত-#দুর্নীতিবাজ দের ছবি সহকারে পত্রিকাতে দেখুন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com