
মোঃ আশরাফ ইকবাল পিকলু মাজমাদার
খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান।
কুষ্টিয়া শহরে মাঝে মধ্যেই মাইকিং করে মাংস বিক্রির কথা শোনা যায়। বাজারে গরুর মাংসের দাম ৭ শত ২০ টাকা থেকে সাড়ে ৭ শত টাকা হলেও মাইকিং করে ৫ শত থেকে সাড়ে ৫ শত টাকা কেজি দরে বিক্রির ঘোষণা দেয়া হয়।এসব ক্ষেত্রে অসুস্হ গরু জবাই কিংবা গোপন স্হান থেকে মাংস এনে বিক্রয় করা হয়।
যা ভোক্তা অধিকার আইন অনুযায়ী দন্ডনীয় অপরাধ।
৭ নভেম্বর শুক্রবার বিকেলে শহরের মজমপুর গেইট এলাকায় মাইকিং করে নিম্ন মানের নষ্ট মাংস বিক্রির দায়ে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
অভিযুক্ত মাংস ব্যবসায়ী রাজু আহম্মেদ দীর্ঘদিন ধরে শহরের চৌড়হাস,কাস্টমস মোড়,সাদ্দাম বাজার,মজমপুর গেইট এলাকায় অস্হায়ী দোকান বসিয়ে খাওয়ার অনুপযোগী অসুস্হ গরুর মাংস বিক্রয় করে আসছিল।
গতকাল উপজেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর সুলতানা রেবেকা নাসরীনের অভিযোগের ভিত্তিতে মোবাইল টিম খাওয়ার অনুপযোগী মাংস জব্দ ও জরিমানা করে।
প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি আব্দুর রশিদ বলেন,বিবর্ণ ও খাওয়ার অনুপযোগী এসব মাংস এক শ্রেনীর ব্যবসায়ীরা অঞ্জাত জায়গা থেকে এনে বিক্রয় করে থাকে। শহরের রাজার হাট এলাকাতেও এ ধরনেরএকটি গ্রুপ সক্রিয় আছে।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কুষ্টিয়ার সহকারী পরিচালক মাসুম আলী জানান,ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৪৩ ধারা মোতাবেক অভিযুক্ত মাংস ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
Leave a Reply