
আব্দুল কাশেম :দক্ষিণের অপরাধ সংবাদ
“কুকুরের লেজ যেমন সোজা করা যায় না, তেমনি ভোলা জেলার বিদ্যুৎ অফিসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর দুর্নীতি ও অনিয়ম বন্ধ করাও যেন অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে”— এমন মন্তব্য এখন ডিজিটাল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন এর কেন্দ্রীয় কমিটি যুগ্ন মহাসচিব ও জেলার সাধারণ মানুষ এবং শিক্ষার্থীদের মুখে মুখে।
ভোলা জেলার প্রতিটি উপজেলার হাজার হাজার স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী চরম দুর্ভোগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। অসহনীয় লোডশেডিংয়ের কারণে শিক্ষার্থীরা রাতে ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারছে না। দিন-রাত বিদ্যুৎ আসা-যাওয়ার কারণে পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
অভিভাবকরা অভিযোগ করে বলেন, একদিকে বিদ্যুতের ভয়াবহ লোডশেডিং, অন্যদিকে বিদ্যুৎ বিল কমার কোনো লক্ষণ নেই। বরং অনেক সময় ব্যবহার কম হলেও অতিরিক্ত বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, বহুবার অভিযোগ ও গণমাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরা হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। বরং বিদ্যুৎ অফিসে দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা ও গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ দিন দিন বেড়েই চলেছে।
শিক্ষার্থী ও সচেতন মহল অবিলম্বে ভোলা জেলার বিদ্যুৎ ব্যবস্থার দুর্নীতি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে ভোলা জেলা প্রশাসক এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
এ বিষয়ে ভোলার সাধারণ মানুষের প্রশ্ন— জনগণের টাকায় পরিচালিত সেবা প্রতিষ্ঠান যদি জনগণকেই হয়রানি করে, তাহলে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়?
Leave a Reply