
ইউছুফ চৌধুরী :(ছাত্র)
আজ দুপুর ৩টা ১৫ মিনিটের সময় দৈনিক দক্ষিণের অপরাধ সংবাদের সম্পাদক বাহাদুর চৌধুরী ও ডিজিটাল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিবের একটি ব্যক্তিগত প্রকল্প নিয়ে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সম্মান বজায় রেখেই কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা তুলে ধরতে চাই।
প্রথমেই, আমাদের পত্রিকার সাংবাদিক আব্দুল রহিম হাজারীকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাই। কারণ একজন দায়িত্বশীল সাংবাদিক হিসেবে তিনি সম্ভাব্য যেকোনো অনিয়মের বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়াকে নিজের নৈতিক দায়িত্ব মনে করেছেন। দেশ, সমাজ ও সত্যের স্বার্থে সাংবাদিকদের এই সাহসী ও সচেতন ভূমিকা অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। একজন প্রকৃত সাংবাদিক কখনো ব্যক্তি, আত্মীয়তা, পরিচয় কিংবা নিজের প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বে সত্য ও ন্যায়কে স্থান দেন—এটাই সাংবাদিকতার মূল শক্তি।
তবে দুঃখের বিষয় হলো, আমাদের প্রকল্প সম্পর্কে সম্পূর্ণ বাস্তবতা, আইনি দিক ও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই না করেই সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে। যে জমিতে কাজ চলছে সেটি আমাদের নিজস্ব বৈধ সম্পত্তি এবং সেখানে মাছের ঘের নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। পাশাপাশি দারুল উলুম কারিমিয়া মডেল মাদ্রাসা এন্ড এতিমখানার মাঠ ভরাটের কাজ করা হচ্ছে, যাতে অসহায়, দরিদ্র ও এতিম শিশুদের জন্য একটি উন্নত ও নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করা যায়।
এছাড়াও আমাদের পুকুর সম্প্রসারণের জন্য প্রয়োজনীয় মাটি সম্পূর্ণ নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আনা হচ্ছে। ভূমি আইনের বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখেই কাজ পরিচালিত হচ্ছে। এটি কোনো কৃষি জমি নয় এবং আশেপাশের জমির মালিকদের যেন কোনো ধরনের ক্ষতি না হয়, সে বিষয়েও সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। চারপাশে পর্যাপ্ত নিরাপদ দূরত্ব রেখে ও সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেই মাটি উত্তোলন ও সংরক্ষণের কাজ করা হচ্ছে।
আমরা বিশ্বাস করি, যেকোনো সংবাদ প্রকাশের আগে বাস্তবতা, জমির কাগজপত্র ও আইনি দিকগুলো যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ অসম্পূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত সংবাদ সহজেই ভুল বোঝাবুঝি ও বিভ্রান্তির সৃষ্টি করতে পারে। আমাদের নির্বাহী সম্পাদকের সাথে আলোচনা করে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক ভাই খুব অল্প সময় আগে পত্রিকার পরিচয়পত্র পেয়েছেন। তাই বিষয়টির আইনি ও বাস্তব দি
Leave a Reply