1. mh01610093622@gmail.com : dainikdakshineroporadh :
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
কুষ্টিয়া ৩আসনের এমপি মূফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা। কুষ্টিয়ায় ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন সাংবাদিক আল-আমিন সরদারের নামে উকিল নোটিশ ও হুমকির অভিযোগে জিডি কুষ্টিয়ায় দৌলতপুর ব্রাশফায়ারে গুলিবিদ্ধ ১০। কুষ্টিয়ার খাজানগরে খাল দখল ও দূষণে জনজীবন বিপর্যস্ত দেখার যেন কেউ নেই কুষ্টিয়ায় স্বস্তির বাতাস মূল্যবৃদ্ধির মাঝেও নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহে রুহুল ফিলিং স্টেশন কুষ্টিয়া মিরপুরে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের চার মাস পরও বিচারহীনতা অসহায় পরিবারের আর্তনাদ ভয়াংকর সংকটে পরবে বিএনপি – পলাশ মন্ডল ভয়ংকর সন্ত্রাসী অস্ত্র ধারী এ কে এম নাসির উদ্দিন নান্নু আবারো ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হওয়ার পায় তারা। উচ্ছেদের পরও নিয়ন্ত্রণহীন দখল—গুলিস্তানে ফের সড়ক-ফুটপাত দখলে হকারদের দাপট
সংবাদ শিরোনাম:
কুষ্টিয়া ৩আসনের এমপি মূফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা। কুষ্টিয়ায় ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই খুন সাংবাদিক আল-আমিন সরদারের নামে উকিল নোটিশ ও হুমকির অভিযোগে জিডি কুষ্টিয়ায় দৌলতপুর ব্রাশফায়ারে গুলিবিদ্ধ ১০। কুষ্টিয়ার খাজানগরে খাল দখল ও দূষণে জনজীবন বিপর্যস্ত দেখার যেন কেউ নেই কুষ্টিয়ায় স্বস্তির বাতাস মূল্যবৃদ্ধির মাঝেও নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহে রুহুল ফিলিং স্টেশন কুষ্টিয়া মিরপুরে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের চার মাস পরও বিচারহীনতা অসহায় পরিবারের আর্তনাদ ভয়াংকর সংকটে পরবে বিএনপি – পলাশ মন্ডল ভয়ংকর সন্ত্রাসী অস্ত্র ধারী এ কে এম নাসির উদ্দিন নান্নু আবারো ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হওয়ার পায় তারা। উচ্ছেদের পরও নিয়ন্ত্রণহীন দখল—গুলিস্তানে ফের সড়ক-ফুটপাত দখলে হকারদের দাপট

কুষ্টিয়ার হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এলাকায় সন্ত্রাসী হামলা: আহত একাধিক মাঝি-মাল্লা ও পর্যটক,প্রশাসনের নীরবতা

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৬০ বার ভিউ

মোঃ আশরাফ ইকবাল পিকলু মাজমাদার
খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান।

ঐতিহাসিক হার্ডিঞ্জ ব্রিজের নিচে শান্ত পদ্মানদী হঠাৎ রক্তাক্ত তাণ্ডবক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। শনিবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে স্থানীয় প্রভাবশালী জাকারিয়া পিন্টু, তার ভাই মেহেদী ও সহযোগী আবু সাঈদ খানের নেতৃত্বে গঠিত এক সন্ত্রাসী বাহিনী প্রকাশ্য দিবালোকে নিরীহ মাঝি-মাল্লা ও নদীপাড়ে ঘুরতে আসা সাধারণ পর্যটকদের উপর হামলা চালায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নদীতে নৌকা ঘুরিয়ে জীবিকা নির্বাহ করা মাঝিদের উপর হঠাৎ হামলে পড়ে সন্ত্রাসীরা। মাঝিদের মারধর করা হয় বেধড়কভাবে, ভাঙচুর করা হয় নৌকা, এবং চাঁদা আদায়ের নামে চলে তাণ্ডব।
আহত এক মাঝি কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন,“আমি শুধু নৌকা ঘুরাচ্ছিলাম ভাই, হঠাৎ মেহেদী-পিন্টুর লোকজন এসে আমাকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দিল!”আরেকজন মাঝি জানান,ওরা চিৎকার করে বলে ‘টাকা দে,ভাসানের টাকা দে!’ তারপর আমাকে এলোপাতাড়ি মারতে থাকে।
এ সময় দৌলদিয়া-টু-রাজশাহী নৌচ্যানেলের বৈধ ইজারাদার প্রতিষ্ঠান ‘গ্রুপঅন সার্ভিসেস প্রাইভেট লিমিটেড’-এর সহকারী পরিচালক সোহেল খন্দকার ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত মাঝিদের দেখতে পান। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন,এটা শুধু চাঁদাবাজি নয়, এটা রাষ্ট্রের আইনের উপর সরাসরি আঘাত! মাঝিদের উপর নির্মম নির্যাতন চলছে,অথচ নৌ পুলিশ নীরব!”
তার অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নদীপথে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি চলছে। প্রতিদিনের আদায়কৃত চাঁদার টাকা ভাগ হয় তিন ভাগে—এক ভাগ যায় সাঈদ খানের কাছে, এক ভাগ মেহেদী-পিন্টুর কাছে, আর বাকি অংশ যায় নৌ পুলিশের হাতে।
অন্যদিকে,নৌ পুলিশের অফিসার ইনচার্জ দাবি করেছেন,এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। কেউ অভিযোগ করলে আমরা তদন্ত করব।”তবে প্রশ্ন থেকেই যায়—নৌ পুলিশের চোখের সামনেই নদীতে যদি তাণ্ডব চলে, তাহলে আহতরা কার হাতে রক্তাক্ত হলো?
স্থানীয়রা জানান, গত ৪ অক্টোবর থেকে নদীতে প্রকাশ্যে চলছে চাঁদাবাজির মহোৎসব। ভয়ে এখন মাঝিরা ঘাটে নৌকা বেঁধে রাখতে বাধ্য হচ্ছেন। জীবিকার অনিশ্চয়তায় পরিবার নিয়ে তারা দিশেহারা। দিন এনে দিন খাওয়া এসব মানুষ এখন সন্তানদের মুখে খাবার তুলতে পারছেন না।
হার্ডিঞ্জ ব্রিজের নিচে আজ পদ্মার জল লাল হয়ে আছে আহত মাঝিদের রক্তে। প্রশাসনের নীরবতা যেন আরও ভয়াবহ প্রশ্ন তুলে দেয় এই দেশের নদীতে এখন মাঝিদের বাঁচার অধিকার কি শেষ হয়ে যাচ্ছে?
স্থানীয় সচেতন মহল অবিলম্বে সন্ত্রাসী চক্রের গ্রেপ্তার ও নদীপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি করেছে।তাদের মতে,দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এ নদী ও নদীপাড়ের মানুষ অনাহারে-মৃত্যুর দিকে ধাবিত হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com