
আব্দুর রহমান :
ভোলার দৌলতখান উপজেলার মদনপুর ইউনিয়ন পরিষদের আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব জামাল উদ্দিন চকেটকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে দূরে রাখার পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন তাঁর সমর্থকেরা।
অভিযোগ অনুযায়ী, বোরহানউদ্দিন উপজেলার মির্জাকালু নৌ-পুলিশের ইনচার্জের ওপর চাপ সৃষ্টি করে কথিত এক ব্যক্তির জবানবন্দির মাধ্যমে জামাল উদ্দিন চকেটকে মামলায় জড়ানোর চেষ্টা চলছে।
সমর্থকদের দাবি, আসন্ন নির্বাচনে তাঁর অংশগ্রহণ বাধাগ্রস্ত করতেই একটি মহল এমন পরিকল্পনা করছে।
উক্ত বিষয়ে নৌ কর্মকর্তার সাথে দুইজন গণমাধ্যম কর্মী এক ঘন্টা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করে বুঝতে পারেন কিছুদিন পূর্বের একটি মামলায় কথিত জবানবন্দি নিয়ে আলহাজ্ব জামাল উদ্দিনকে পেঁচানোর জন্য চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে সুবিধাবাদী কিছু লোকের পক্ষ থেকে।
এদিকে একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে অভিযোগ উঠেছে, আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বোরহানউদ্দিন উপজেলায় কথিত স্বার্থ লোভ কয়েকজন রাজনৈতিক নেতার অংশগ্রহণে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমর্থকদের আশঙ্কা, বৈঠকটি জামাল উদ্দিন চকেটকে ঘিরে কথিত পরিকল্পনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হতে পারে। তবে বৈঠকের উদ্দেশ্য কিংবা এর সঙ্গে উত্থাপিত অভিযোগের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আলহাজ্ব জামাল উদ্দিন চকেট ভোলা জেলা শ্রমিক পার্টির সভাপতি এবং একজন ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত। তাঁর সমর্থকদের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি দীর্ঘদিন ধরে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আসছেন। এতিমখানা, হাফিজিয়া মাদ্রাসা এবং শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার প্রসারে তাঁর উদ্যোগ রয়েছে বলেও তাঁরা দাবি করেন।
এ ছাড়া মদনপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, অসহায় মানুষের চিকিৎসাসহ নানা জনকল্যাণমূলক কাজে তাঁর ব্যক্তিগত আর্থিক সহযোগিতা রয়েছে বলে সমর্থকেরা জানান। তাঁরা আরও উল্লেখ করেন, তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এবং দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েছেন।
সমর্থকদের দাবি, মদনপুর ইউনিয়নে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে আলহাজ্ব জামাল উদ্দিন চকেট উল্লেখযোগ্য জনসমর্থন পেতে পারেন। তাঁদের আশঙ্কা, তাঁকে মামলায় জড়ানোর চেষ্টা করা হলে তা নির্বাচনে তাঁর অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে।
এ অবস্থায় অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পেশাদার ভূমিকা এবং সব প্রার্থীর জন্য সমান নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তাঁর সমর্থকেরা।
Leave a Reply