
বিশেষ প্রতিনিধি
সাতক্ষীরা থেকে।
যার কথা বলছি তিনি একজন সকল ইউপি চেয়ারম্যান হাজী নজরুল ইসলাম।বলাবাহুল্য চায়ের দোকানে সেদিন সকালে,একজন লোক বললেন- বর্তমান চেয়ারম্যান হাজী নজরুল ইসলাম এত ভালো মানুষ।১০০ বিঘা জমি অসহায় বাস্তহারা মানুষকে বসাবেন বলে ৯৯ বছরের ভিসিআর নিয়েছেন।অথচ তিনি নিজেই সবকিছু ভোগ করছেন।কথা শেষে,শ্যামনগর সুন্দর বনাঞ্চল বুড়িগোয়ালিনীর নীলডুমুর বাজারে জমাদ্দার পাড়া নিবাসী একজন মুরুব্বী বললেন,তোমরা সত্য মিথ্যা না জেনে কথা বলো না।যখন হাজী সাহেব ওই জমি ডিসিআর- নিয়েছিলেন,তখন আমাদের সবাইকে ডেকেছিলেন এবং জমির খাজনা ও ৯৯ বছরের ডিসিআর নিতে কাগজপত্র পরিপূর্ণ করতে প্রতি বিঘা জমিতে ৭০ হাজার টাকা খরচ হবে বললেন।একথা শুনে এলাকার অধিকাংশ মানুষ জমি নিতে রাজি হননি।
বর্তমান সময়ে একটা জিনিস প্রায়ই চোখে পড়ে,কোন ঘটনা ঘটলে কয়েকদিন ফেসবুক পত্রপত্রিকা ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে পরপর সংবাদ প্রকাশিত হয়।কিছুদিন পর তার আর কোন রিএকশন পাওয়া যায় না।একজন সাধারন খেটে খাওয়া মানুষের মন্তব্য,বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের দুইবারের সফল চেয়ারম্যান উপকূলবাসীর প্রাণের মানুষ,আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম বিগত সরকারের আমলে যা হয়েছে,সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না।অতীত থেকেই তিনি বর্তমান সময়ের একজন জনবান্ধব নেতা।মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ঘোষিত, সর্বপ্রথম কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে একটি হল খাল খনন,দ্বিতীয়টি বৃক্ষরোপণ।সেখানে ৫০ থেকে ৬০ বছরের বেশি শত শত বৃক্ষ নিধন করে,মরুভূমি করে,জমি দখল সরকারি কর্মকাণ্ড হতে পারে না।এটি সরাসরি সরকার ঘোষিত নিষেধাজ্ঞার অবমাননা।মানববন্ধন সংবাদ সম্মেলন আর গাছ কাটায় বাধা সৃষ্টি করার কারণে,প্রভাবশালী জাইকা ফাউন্ডেশনের মালিক,সবুজ খান ক্ষমতার অপব্যবহার করে চলেছেন।বর্তমানে একজন সৎ সম্মানিত চেয়ারম্যান নিরপরাধ হয়েও জেলখানায় অবস্থান করছেন।বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।আজীবন দুর্নীতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান অফদা(পানি উন্নয়ন বোর্ড) পুতুলের মত চাঁদাবাজি নামক মিথ্যা মামলা দিয়েছেন।নিরপেক্ষ তদন্ত হলে অবশ্যই সত্য সামনে আসবে।খুব শিগগিরই মিথ্যের মুখোশ খুলে সত্যের আলো জ্বলে উঠবে। ইনশাআল্লাহ
উল্লেখ্য-একমাত্র ছোট বড় গাছ-ই উপকূলবাসীকে ঝড় জলোচ্ছ্বাস ও নদী ভাঙ্গন থেকে অনেকাংশে রক্ষা করে থাকে।নির্মম নিয়তি গাছ বাঁচাতে উপকূলবাসীকে রক্ষা করতে হাজতবাস।
Leave a Reply