
নিজস্ব প্রতিনিধি
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কুঞ্জেরহাট বাজারে প্রকাশ্যে মারধরের একটি ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গত ২০ এপ্রিল দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ঘটে যাওয়া এই ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, কুঞ্জেরহাট মাতব্বর বাড়ির বাসিন্দা মোঃ হাসেশ মাতব্বরের ছেলে মোঃ মনির মাতব্বর একই এলাকার বাসিন্দা মোঃ রুহুল আমিন চৌধরীকে বাজারের মধ্যেই প্রকাশ্যে মারধর করেন। হঠাৎ এমন ঘটনায় বাজারে উপস্থিত সাধারণ মানুষ হতভম্ব হয়ে পড়েন এবং মুহূর্তের মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার সময় আশপাশের লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারত বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার সময় বাজারজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার পরপরই স্থানীয় সংবাদকর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তথ্যচিত্র সংগ্রহ করেন এবং বিষয়টি জনসমক্ষে তুলে ধরেন। প্রকাশ্যে এমন ঘটনার ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
এদিকে অভিযুক্ত মনির মাতব্বর নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, একটি ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয়ে তার ওপর জোরপূর্বক চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছিল। তিনি দাবি করেন, “আমার ব্যবসা দখলের চেষ্টা করা হলে আমি বাধা দেই। তখনই হঠাৎ করে তারা আমাকে আক্রমণ করে। আত্মরক্ষার চেষ্টা করেছি মাত্র।”
তবে স্থানীয়দের একাংশ এই বক্তব্যে সন্তুষ্ট নন। তাদের দাবি, কুঞ্জেরহাট বাজারে দীর্ঘদিন ধরে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির আধিপত্য ও দৌরাত্ম্য বৃদ্ধি পেয়েছে, যার কারণে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তারা অভিযোগ করেন, পূর্বের ঘটনাগুলোর সুষ্ঠু বিচার না হওয়ায় অপরাধীরা বারবার একই ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে।
একজন স্থানীয় ব্যবসায়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,
“আমরা প্রতিদিন এখানে ব্যবসা করি, কিন্তু এখন আর নিরাপদ বোধ করি না। দিনের বেলায় যদি এমন ঘটনা ঘটে, তাহলে রাতের অবস্থা কী হতে পারে, তা সহজেই বোঝা যায়।”
সচেতন মহল মনে করছেন, বাজারের মতো জনবহুল স্থানে এ ধরনের প্রকাশ্য সহিংসতা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির ইঙ্গিত দেয়। তারা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে উক্ত ঘটনার বিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মোঃ রায়হাত তার পেশবুকে পোস্ট করার কারনে মোঃ রাসেল মাতাবর তার পেশবুক আইডি থেকে রাহয়াত হোসেন ও তার পরিবার কিয়ে মিথ্যা ভিত্তিহীন বানোট অভিযোগ তুলে রাসেল মাতব্বর ফেসবুক আইডি থেকে পোস্ট করেন।
এতে রায়হাত হোসেনের পরিবার কে হেনস্তা স্বীকার করেন এলাকায় বাসির কাছে রায়হাত হোসেন বর্তমানে তার পরিবারকে নিয়ে জীবন সংকটে আছেন যে কোন মুহূর্তে মনির মাতব্বর পরিবারের লোক জন রায়হাদ হোসেন কে মেরে ফেলতে পারেন ।
উক্ত ঘটনার বিষয় নিয়ে বোরহানউদ্দিন থানার ওসি মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন মোঃ রাহয়াত হোসেন।
এ বিষয়ে বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় জনগণের জোর দাবি—ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
Leave a Reply