
এম মনিরুল ইসলাম
বিশেষ প্রতিনিধি
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে আসনে নির্বাচনী লড়াই এখন চতুর্মুখী থেকে ‘দ্বিমুখী’ লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে।তবে এই লড়াইয়ের মূল কেন্দ্রে রয়েছে ২০ দলীয় জোটের সাবেক দুই শরিক— বিএনপি ও জামায়াত ইসলাম। দীর্ঘ সময় ধরে এই আসনটি জামায়াতের ভোটব্যাংক হিসেবে পরিচিত থাকলেও, বর্তমানে বিএনপি,জামায়াতের সেই আধিপত্যে ভাগ বসাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে ।মাঠে দুই হেভিওয়েট প্রার্থী।
এলাকায় সাধারণ ভোটারদের মুখে এখন দুই প্রার্থীর নাম সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে।
বিএনপির প্রার্থী,
ড. মনিরুজ্জামান মনির। পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি এবং শিক্ষিত তরুণ প্রজন্মের মাঝে তার ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা বিরাজমান।
জামায়াতের প্রার্থী,সাবেক সাংসদ গাজী নজরুল ইসলাম। তৃণমূল পর্যায়ে তার দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক ভিত্তি এবং শক্ত অবস্থান।
সরেজমিন পরিদর্শন পূর্বক লড়াই হবে প্রাপ্ত তথ্যে প্রকাশ,লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শ্যামনগর জামায়াতের ঘাঁটি। স্বৈরশাসন আমলে নির্যাতিত বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
নন্দিত নেতা গাজী নজরুল ইসলাম এই আসনের সাবেক এমপি হওয়ায় তার একটি নির্দিষ্ট ভোটার গ্রুপ রয়েছে চরাঞ্চল ও উপকূলীয় এলাকায় জামায়াতের নীরব ভোটব্যাংক বড় ফ্যাক্টর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিএনপি মনোনীত ড. মনিরুজ্জামান মনিরের নেতৃত্বে স্থানীয় ইউনিটগুলো এখন অনেক বেশি শক্তিশালী।দলটির হাই কমান্ড থেকে সবুজ সংকেত পাওয়ার পর কর্মীরা গ্রামে গ্রামে ‘ডোর-টু-ডোর’ ক্যাম্পেইন শুরু করেছেন। সাধারণ মানুষের একটি অংশ ‘পরিবর্তনের’ আশায় ড. মনিরের দিকে ঝুঁকছেন।জনগণের প্রত্যাশা,
উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের প্রধান সমস্যা টেকসই বেড়িবাঁধ এবং সুপেয় পানি। সাধারণ ভোটাররা বলছেন, প্রতীক দেখে নয়, বরং যিনি ঝড়-জলোচ্ছ্বাসে সাধারণ মানুষের পাশে থাকবেন, তাকেই তারা বেছে নেবেন।
সাতক্ষীরার শ্যামনগর ৪ আসনে বিএনপি ও জামায়াতের এই ভোট লড়াই,শেষ পর্যন্ত কার গলায় জয়ের মালা পরায়, তা দেখার অপেক্ষায় জেলা বাসি
Leave a Reply