1. mh01610093622@gmail.com : dainikdakshineroporadh :
সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০৩:৩৮ অপরাহ্ন
নোটিশ :
হারানো বিজ্ঞপ্ত কুষ্টিয়ায় মাদ্রাসা শিক্ষককে গিরে অনৈতিকতার অভিযোগ, উদ্বিগ্ন অভিভাবক মহল সাংবাদিকের ওপর হামলার মামলার আসামিরা প্রকাশ্যে, নীরব প্রশাসনে প্রশ্ন অনলাইন হ্যারাসমেন্ট ঠেকাতে মাঠে নেমেছে তরুণ প্রজন্ম লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ ভোলার শিক্ষার্থীরা: বিদ্যুৎ অফিসে দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ক্ষোভ” লেখা দশমিনায় বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সম্পাদকের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা দীঘিনালায় গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি আটক। ড্রেজার মেশিন নিয়ে অভিযোগের পর তদন্ত, বৈধ কাগজপত্র পেয়ে পুনরায় চালুর নির্দেশ মব ভায়োলেন্স: সামাজিক ব্যাধি, গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত অথবা মব ভায়োলেন্স: রাষ্ট্র, সমাজ ও গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে এক ভয়াবহ নীরব যুদ্ধ মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভদের পেশাগত মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে দীঘিনালায় মানববন্ধন
সংবাদ শিরোনাম:
হারানো বিজ্ঞপ্ত কুষ্টিয়ায় মাদ্রাসা শিক্ষককে গিরে অনৈতিকতার অভিযোগ, উদ্বিগ্ন অভিভাবক মহল সাংবাদিকের ওপর হামলার মামলার আসামিরা প্রকাশ্যে, নীরব প্রশাসনে প্রশ্ন অনলাইন হ্যারাসমেন্ট ঠেকাতে মাঠে নেমেছে তরুণ প্রজন্ম লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ ভোলার শিক্ষার্থীরা: বিদ্যুৎ অফিসে দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ক্ষোভ” লেখা দশমিনায় বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সম্পাদকের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা দীঘিনালায় গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি আটক। ড্রেজার মেশিন নিয়ে অভিযোগের পর তদন্ত, বৈধ কাগজপত্র পেয়ে পুনরায় চালুর নির্দেশ মব ভায়োলেন্স: সামাজিক ব্যাধি, গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত অথবা মব ভায়োলেন্স: রাষ্ট্র, সমাজ ও গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে এক ভয়াবহ নীরব যুদ্ধ মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভদের পেশাগত মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে দীঘিনালায় মানববন্ধন

আজ কি সেই বন্দী জীবনের কথা তারেক রহমান সাহেবের মনে আছে?

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১২৩ বার ভিউ

— সাংবাদিক বাহাদুর চৌধুরী
সম্পাদক ও প্রকাশক
দৈনিক দক্ষিণের অপরাধ সংবাদ,০১৩২৩০০২৩৭৭

আজ যখন জনাব তারেক রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, তখন একটি প্রশ্ন আমাকে গভীরভাবে নাড়া দিচ্ছে—
আজ কি তাঁর মনে পড়ে সেই বন্দী জীবনের দিনগুলোর কথা?
মনে আছে কি সেই কনভিক্ট ওভারসিয়ার (সি/ও) বন্দী বাহাদুর চৌধুরীর কথা—যে কোনো দলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিল না, তবুও মানবিক দায়বদ্ধতা থেকে তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিল?
এই প্রশ্নের উত্তর হয়তো তিনি প্রকাশ্যে দেবেন না। কিন্তু ইতিহাসের নীরব পাতায় সেই দিনগুলোর সাক্ষ্য আজও অমলিন।
আমি ও তিনি একই কারাগারে বন্দী জীবন কাটিয়েছি। আমি কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মী ছিলাম না। আমি ছিলাম একজন কনভিক্ট ওভারসিয়ার (সি/ও) বন্দী। কিন্তু বন্দী জীবনে দল নয়, মানুষই ছিল আসল পরিচয়।
একবার তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে রিমান্ড থেকে ফিরিয়ে আনা হয়। শরীর এতটাই ভেঙে পড়েছিল যে নিজে হেঁটে ওয়ার্ডে যাওয়ার শক্তি ছিল না। সেই দিন আমি তাঁকে কাঁধে করে তাঁর ওয়ার্ডে পৌঁছে দিয়েছিলাম। সেই মুহূর্তে কোনো পরিচয় ছিল না—ছিল শুধু একজন অসহায় মানুষের প্রতি আরেকজন মানুষের দায়িত্ব।
আরেকদিন ২৬ নম্বর রুমের পাশে বাথরুমে যাওয়ার সময় ফিলাপের সঙ্গে তাঁর পায়ের রগ কেটে যায়। প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ শুরু হয়। তখনো আমি তাঁকে কাঁধে তুলে হাসপাতালে নিয়ে যাই। এই ঘটনাগুলো কোনো প্রচারের জন্য নয়—এগুলো কারাগারের দেয়ালের ভেতরে ঘটে যাওয়া বাস্তব জীবন।
অনেকে ভুল বোঝেন—আমি তাঁকে খাবার দিতাম না। সত্যটা হলো, তিনি ভালোবেসে তাঁর নিজের খাবার থেকেই আমার সঙ্গে ভাগাভাগি করতেন। বন্দী জীবনের সেই কঠিন রাতে, এই সামান্য ভাগাভাগিই ছিল একে অপরের প্রতি সাহস ও সহমর্মিতার প্রকাশ।
সবচেয়ে কষ্টের বিষয় ছিল ধর্মীয় অধিকার। বন্দী জীবনে তাঁকে জুমার নামাজ পড়ার সুযোগ প্রায়ই দেওয়া হতো না—নিরাপত্তাজনিত নানা অজুহাতে। তখন হাসপাতাল ডিভিশনের ওয়ার্ড থেকে স্কুল ঘর মসজিদে তাঁকে নিয়ে আসতাম। বরিশাল বিভাগের কয়েকজন সাহসী বন্দীর সহায়তায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করে নামাজ শেষে আবার তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়া হতো।
সেদিনগুলোতে কারাগারের ভেতরে হাজার হাজার বিএনপি সমর্থক বন্দী ছিলেন। কিন্তু কঠিন মুহূর্তে তাঁর পাশে দাঁড়ানোর সাহস খুব কমজনই দেখাতে পেরেছিলেন। আমি কোনো দলের লোক ছিলাম না—তবুও একজন মানুষ হিসেবে, একজন সহবন্দী হিসেবে আমি তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলাম।
অনেক রাতে প্রশাসনের চোখ এড়িয়ে পত্রিকা ও ম্যাগাজিন আদান–প্রদান হয়েছে, যাতে তিনি দেশের খবর থেকে বিচ্ছিন্ন না থাকেন। এমনকি ঝুঁকি নিয়েই তাঁর মামলার কিছু তথ্য তাঁকে জানানো হয়েছে—মানবিক দায়বদ্ধতা থেকেই।
আজ এসব কথা লিখতে গিয়ে মনে হয়—ইতিহাস শুধু রাজপথে লেখা হয় না। ইতিহাস লেখা হয় কারাগারের অন্ধকার কক্ষে, আহত পায়ে, ভাগাভাগি করা খাবারে, আর নিঃশব্দ সাহসে।
আজ তিনি বড় রাজনৈতিক দায়িত্বে। আর আমি রয়ে গেছি সেই বন্দী জীবনের একজন নীরব সাক্ষী হয়ে।
আজ কি সেই দিনগুলোর কথা তাঁর মনে আছে?
এই প্রশ্নের উত্তর সময়ই একদিন দেবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com