
নিজস্ব প্রতিনিধি :
পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়া এক স্বামীর বিরুদ্ধে তার স্ত্রীকে নির্মমভাবে হত্যার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি আনন্দ লাল দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে ছিলেন। একইসঙ্গে তিনি তার স্ত্রীর নাম ব্যবহার করে ৯টি এনজিও থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ঋণ গ্রহণ করেন।
সূত্রের দাবি, ওই ঋণের টাকা পরিশোধ এড়িয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যও এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হতে পারে। অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার দিন ভোর আনুমানিক ৫টার সময় অভিযুক্ত স্বামী স্ত্রীকে নিয়ে পানের বরে যান। পরে সকাল প্রায় ৯টার দিকে আনন্দ লাল আশপাশের লোকজনকে জানান যে, তার স্ত্রীকে “জ্বীনে হত্যা করেছে” এবং মরদেহ একটি ডোবার ভেতরে ফেলে রাখা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত না করে তড়িঘড়ি করে মরদেহ আগুনে পুড়িয়ে ছাই করা হয়, যাতে পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাটি জানতে পারলেও কোনো ধরনের পোস্টমর্টেম বা ফরেনসিক আলামত পাওয়া না যায়। পরে সেই ছাই মাটির নিচে পুঁতে রেখে ওপর দিয়ে কলাগাছ রোপণ করা হয়, যাতে দীর্ঘদিন ধরে ঘটনাটি আড়ালে রাখা যায়।
সূত্র জানায়, হত্যাকাণ্ডটি এতটাই সুপরিকল্পিত ছিল যে দীর্ঘ সময় ধরে তা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরের বাইরে থেকে যায়। তবে অনুসন্ধানী কার্যক্রমে দৈনিক দক্ষিণের অপরাধ সংবাদ-এর প্রতিনিধির কাছে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ আলামত, তথ্য ও প্রমাণ এসে পৌঁছেছে।
সংবাদ সূত্রে আরও জানা যায়, সব তথ্য ও প্রমাণ যাচাই-বাছাই শেষে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হবে, ইনশাল্লাহ।
পরকীয়া সম্পর্ক ও আর্থিক দায় এড়ানোর উদ্দেশ্যে একজন মানুষ কীভাবে এমন ভয়াবহ অপরাধ সংঘটিত করতে পারে—তা নিয়ে স্থানীয় এলাকাজুড়ে তীব্র ক্ষোভ, আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তদন্ত শুরু হলে বেরিয়ে আসতে পারে আরও চাঞ্চল্যকর ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
👉 বিস্তারিত জানতে আমাদের সাথেই থাকুন।
Leave a Reply