
রেশমা চৌধুরী :
ভোলায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসা মানুক আর না-ই মানুক, বাস্তবতা হলো—ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ আজ ভোলা-১ আসনের সর্বস্তরের মানুষের আস্থার প্রতীক। জাতীয় পার্টি (বিজেপি), জাতীয় পার্টি বিজেপির সমর্থক শ্রমিক পার্টি ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ শ্রমিক পার্টির আলহাজ্ব জামাল উদ্দিন জামাল ( চকেটের)হাজার হাজার খেটে খাওয়া মানুষের অকুণ্ঠ সমর্থন এখন “গরুর গাড়ি” প্রতীকের পক্ষে।
স্থানীয় রাজনৈতিক নিরপেক্ষ গণমাধ্যম বিশ্লেষকদের মতে, আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-১ আসনে যেকোনো দলের প্রার্থী “গরুর গাড়ি” প্রতীকের বিপক্ষে দাঁড়ালে তাদের জামানত রক্ষা করাই কঠিন হয়ে পড়বে। কারণ ভোলার বৃহত্তম জনগোষ্ঠী—খেটে খাওয়া সাধারণ ভোটাররা আজ ঐক্যবদ্ধ।
গত কয়েকদিন ধরে ভোলার প্রতিটি এলাকায় দেখা যাচ্ছে এক ভিন্ন চিত্র। চাঁদামুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত ও মাদকমুক্ত ভোলা গড়ার প্রত্যয়ে সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে মাঠে নেমেছে। তাদের দাবি খুব স্পষ্ট—
মাদকমুক্ত ভোলা সদর-সঠিক স্বাস্থ্য সেবা চাই,
ভোলা–বরিশাল সেতুর বাস্তবায়ন
ভোলার গ্যাস ভোলার ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া
এ সকল দাবি বাস্তবায়নে একমাত্র কার্যকর ও সাহসী কণ্ঠস্বর হিসেবে তারা দেখছেন ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থকেই।
ভোলার রাজনীতির অন্যতম রূপকার, ভোলার উন্নয়নের কারিগর হিসেবে পরিচিত নাজিউর রহমান মঞ্জুর আদর্শকে সামনে রেখে ব্যারিস্টার পার্থ এগিয়ে যাচ্ছেন—এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক সচেতন মহল।
স্থানীয় শত শত প্রবীণ নাগরিক বলেন,
“আমরা এবার দল নয়, মানুষ দেখব। যে ভোলার কথা বলে, ভোলার মানুষের অধিকার নিয়ে কথা বলে—আমরা তার পক্ষেই থাকব।”
সব মিলিয়ে ভোলা-১ আসনে “গরুর গাড়ি” প্রতীক এখন শুধু একটি নির্বাচনী প্রতীক নয়; এটি হয়ে উঠেছে উন্নয়ন, ন্যায়বিচার ও সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতীক।
Leave a Reply