মিজান খান হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি : নবীগঞ্জ উপজেলার আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও ১৩নং পানিউমদা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান ইজাজুর রহমান এর বিরুদ্ধে বিগ্য আদালতে জাল-জালিয়াতি মামলা হয়,সি-আর ৬৮০/২৩(নবীগঞ্জ)মামলা নাম্বার।ঘটনা জানা যায় যে ১৩নং পানিউমদা ইউনিয়নের বড়কান্দি গ্রামের রুসমত ঊল্লার ভুয়া ওয়ারিশান সনদ দিয়ে বুড়িনাও গ্রামের আওয়ামী লীগের নেতা ব্রজগোপাল রায়ের মা শান্তি রাণী রায়ের নামে ১৩ শতক জায়গায় রেজিস্ট্রি করে দেয়।এ নিয়ে আওয়ামী লীগের ইজাজুর রহমানের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ও ব্রজগোপাল রায়কে আসামি করে সাত জনের বিরুদ্ধে আদালতে একটি জাল-জালিয়াতি মামলা দায়ের করা হয়।মামলাটি করার পরেই ইজাজুর রহমানের সন্ত্রাসী বাহিনী প্রতিনিয়ত এই পরিবারের উপর আক্রমণ করে যাচ্ছে মামলা উঠানোর জন্য।মামলাটি না তুললে এলাকায় থাকতে দিবে না বলে পরিবারের যে কাউকে গুম করে দেওয়ার হুমকি দেয়।তার সন্ত্রাসী বাহিনী দাঁড়াইয়া এলাকার মসজিদে নামাজ পড়তে আপত্তি জানায় বাদীদের বাড়িতে একটি খানকা শরিফে হুজুরকে মিলাদ মাহফিল করতে নিষেধ দেওয়া হয় হুজুরের কল রেকর্ড বাদীদের কাছে আছে যে তাকে ইজাজুর চেয়ারম্যান ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী নির্দেশ দিয়েছে বাড়িতে এসে মিলাদ না পড়ার জন্য মসজিদে গিয়ে নামাজ না পড়ার জন্য এবং ইজাজুর চেয়ারম্যানের ভাতিজা আবু বাদীকে ফোনে বাড়ি ঘর ঝালিয়ে দেয়ার হুমকি দেয় তার কল রের্কড আছে ।বাজারে বলে বেরিয়েছে এদের সাথে যে চলাফেরা করবে এবং এদের কাছে যারা বাজার সদাই বিক্রি করবে তাদের জরিমানা দিতে হবে।স্বৈরাচার হাসিনা পলাতকের পরেও এদের ক্ষমতা এখনো কমেনি।পলাতক ইজাজুর রহমান এখন প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে কিন্তু প্রশাসনীয় ভাবে তাকে গ্রেফতার করা এখন হচ্ছে না।গত ৯-১১-২০২৫ ইং রাত ৮.৩০ঘটিকায় উক্ত মামলার বাদীর স্বামী সুরুজ খান বাজারে থাকা অবস্থায় সন্ত্রাসী জনি সুরুজ খানের উপর আক্রমণের চেষ্টা করে কারণ উক্ত বিবাদী ইজাজুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করে ১৮-১১-২৫ইং এ বিজ্ঞ আদালতে হাজিরা তারিখ তার বাহিনী দ্বারা প্রতিনিয়ত হুমকি দিচ্ছে ১৮ তারিখের আগে মামলাটি তুলে আনার জন্য তা না হলে রাস্তাঘাটে মেরে ফেলবে বলে হুমকি দেয়।তারই প্রেক্ষিতে ১০ তারিখে বাবার মেডিসিন আনার জন্য বাজারে গেলে মিজান খানের উপর ইজাজুরের সন্ত্রাসী বাহিনী বাচ্চু মিয়া, রনি মিয়া, রুবেল মিয়া,ওয়াহিদ মিয়া,ঠান্ডা মিয়া,লাল মিয়া,শওকত মিয়া,আলাউদ্দিন,দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাজারে বাদীর ছেলে মিজান খানের উপর হামলা করে মেরে ফেলার জন্য।বাচ্চু মিয়া ও রনি মিজান খানের উপর বেহু দিয়ে আঘাত করতে যাবে এই সময় নিহাজ তার বেহু ধরে ফেলে তার হাতে চুট লাগে।বাজারে লোকজন মিজান খান কে সেখান থেকে উদ্ধার করে নেয়। এই ঘটনা সাথে সাথে নবীগঞ্জ থানার ওসিকে জানানো হয় এবং মিজান খান বাদী হয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করে থানায়।অভিযোগ করে আসার পর ইজাজুরের বাহিনী ক্ষিপ্ত বাড়ির চারপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে বাড়ি থেকে কেউ বের হলেই মেরে ফেলবে বলে বলাবলি করছে । বিএনপির ১৩নং পানিউমদা ইউপির সাধারণ সম্পাদক সোসেল আহমেদের পেইজ বুক পোস্টের মাধ্যমে জানা যায় ৫ই আগষ্ট হাসিনা সরকার পতনের পর বিএনপির নাম বাঙ্গীয়ে অসহায় মানুষের কাছ থেকে বিভিন্ন ভাবে টাকা আাদায় করে এই জনি।ইজাজুর চেয়ারম্যান এই তিন গ্রামে সন্ত্রাসী কায়েম করছে এদের মাধ্যমে সন্ত্রাসী চাঁদাবাজি সহ বিভিন্ন অপকর্ম গঠিত হয় এদের মাধ্যমে এদের মূল হোতা হচ্ছে ১৩নং পানিউমদা ইউনিয়নের ইজাজুর চেয়ারম্যান।এদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন প্রশাসনের নিকট এই পরিবার
Leave a Reply