1. mh01610093622@gmail.com : dainikdakshineroporadh :
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৩ অপরাহ্ন
নোটিশ :
তজুমদ্দিন বাজারকে পরিচ্ছন্ন ও ক্রেতাবান্ধব করতে উপজেলা প্রশাসনের বিশেষ অভিযান মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ আকস্মিক পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীঘিনালায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় সেনাবাহিনী। সাংবাদিকদের ছবি ব্যবহার করে অপপ্রচার ও হয়রানির অভিযোগ, ঢাকা প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ বাফওয়া, আদার্স উইমেন অ্যান্ড চিলড্রেন ক্লাব ও বিএএফ লেডিস ক্লাবের বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত প্রধান শিরোনাম ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দিকে মারধরের অভিযোগ, কারা হেফাজতে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ৪ নং বটতৈল ইউনিয়ন পরিষদে নারীকে কুপ্রস্তাব ও হুমকির অভিযোগ,থানায় অভিযোগ দায়ের পটিয়া উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূর্ব ইলিশার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন বিজেপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মৌলভীবাজারে ১৪৩ নং স্মারক গায়েব: সদর ভূমি অফিসের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ
সংবাদ শিরোনাম:
তজুমদ্দিন বাজারকে পরিচ্ছন্ন ও ক্রেতাবান্ধব করতে উপজেলা প্রশাসনের বিশেষ অভিযান মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ আকস্মিক পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীঘিনালায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় সেনাবাহিনী। সাংবাদিকদের ছবি ব্যবহার করে অপপ্রচার ও হয়রানির অভিযোগ, ঢাকা প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ বাফওয়া, আদার্স উইমেন অ্যান্ড চিলড্রেন ক্লাব ও বিএএফ লেডিস ক্লাবের বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত প্রধান শিরোনাম ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দিকে মারধরের অভিযোগ, কারা হেফাজতে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ৪ নং বটতৈল ইউনিয়ন পরিষদে নারীকে কুপ্রস্তাব ও হুমকির অভিযোগ,থানায় অভিযোগ দায়ের পটিয়া উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূর্ব ইলিশার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন বিজেপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মৌলভীবাজারে ১৪৩ নং স্মারক গায়েব: সদর ভূমি অফিসের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ

সাংবাদিকদের ছবি ব্যবহার করে অপপ্রচার ও হয়রানির অভিযোগ, ঢাকা প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৮ বার ভিউ

নিজস্ব প্রতিবেদক:
বর্তমান সরকারের সুনাম ক্ষুন্ন করতে এবং সাংবাদিকদের সরকারের বিরুদ্ধে খেপিয়ে তুলতে একটি কুচক্রী মহল অপচেষ্টার পায়তারা করছে। সাংবাদিকদের সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা, মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও বিশিষ্ট ব্যক্তির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে তাঁদের রাজনৈতিক পরিচয় নির্ধারণ, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার এবং সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ঢাকা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) এক প্রতিবাদী বক্তব্যে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন, ব্যক্তিগত, সামাজিক কিংবা সাংগঠনিক অনুষ্ঠানে তোলা ছবি কেটে বিকৃতভাবে উপস্থাপন, এমনকি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ছবি তৈরি কিংবা পরিবর্তনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের বিতর্কিত করার অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সাংবাদিক সমাজকে বিভ্রান্ত করা, তাঁদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা এবং বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের ক্ষুব্ধ করে তোলার অপচেষ্টা চলছে বলে তাঁরা অভিযোগ করেন।
নেতৃবৃন্দ বলেন, একটি ছবি কখনোই কোনো ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়, অপরাধ কিংবা দলীয় আনুগত্যের চূড়ান্ত প্রমাণ হতে পারে না। সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, সরকারি কর্মকর্তা, মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, ব্যবসায়ী, শিল্পী ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হয়। সাক্ষাৎকার গ্রহণ, সংবাদ সংগ্রহ, সাংগঠনিক কার্যক্রম কিংবা সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সময় তাঁদের সঙ্গে ছবি তোলাও স্বাভাবিক বিষয়। এসব ছবি ব্যবহার করে কাউকে রাজনৈতিকভাবে চিহ্নিত করা, সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা কিংবা হেয়প্রতিপন্ন করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
ঢাকা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, বিগত সরকারের সময় কারও রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা বা সাংগঠনিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন থাকলে তা যাচাই করতে হবে তাঁর প্রকৃত কর্মকাণ্ড, প্রকাশ্য বক্তব্য, দলীয় কার্যক্রমে অংশগ্রহণ এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে। ব্যক্তিগত ছবি, অনুমান কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া বক্তব্যের ওপর নির্ভর করে কাউকে অপরাধী বা রাজনৈতিক দলের সক্রিয় কর্মী হিসেবে উপস্থাপন করা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পরিপন্থী।
ছবি প্রকাশের ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ তদন্তের দাবি
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি প্রকাশের ভয় দেখানো, ব্যক্তিগত ইনবক্সে ছবি পাঠিয়ে চাপ সৃষ্টি, ছবি সরিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে অর্থ দাবি এবং অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে আরও ছবি বা সংবাদ প্রকাশের হুমকি দেওয়ার মতো কর্মকাণ্ডের অভিযোগ সামনে আসছে। এসব অভিযোগ সত্য হলে তা শুধু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য নয়, স্বাধীন সাংবাদিকতা ও সামগ্রিক সামাজিক পরিবেশের জন্যও গুরুতর হুমকি।
অভিযোগ রয়েছে, পাভেল নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে একটি চক্র এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারে। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই চক্রের সদস্যরা ছবি প্রকাশ করে কিংবা ব্যক্তিগতভাবে ছবি পাঠিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের চাপে ফেলার চেষ্টা করেন। ছবি মুছে দেওয়ার বিনিময়ে অর্থ দাবি, অর্থ না দিলে একাধিক অনলাইন পোর্টালে একই ধরনের সংবাদ প্রকাশ এবং সামাজিকভাবে হেয় করার হুমকির অভিযোগও উঠেছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে পরিচিত ব্যক্তি কিংবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের নাম ব্যবহার করে ভুক্তভোগী ও তাঁদের পরিবারের ওপর চাপ সৃষ্টির অভিযোগও রয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা জরুরি। কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠা মানেই তিনি অপরাধী—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। একই সঙ্গে অভিযোগের আড়ালে কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্টদের দায়মুক্তি দেওয়ারও সুযোগ নেই।
অপসাংবাদিকতা ও মব সৃষ্টির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের আহ্বান
ঢাকা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ বলেন, সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল, কথিত চাঁদাবাজি, ব্ল্যাকমেইল, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রচার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মব সৃষ্টির অপচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে প্রকৃত ও পেশাদার সাংবাদিকদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে সাংবাদিকতা সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হচ্ছে।
তাঁরা বলেন, কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের সঙ্গে রাজনৈতিক নেতার ছবি থাকলেই তাঁকে ওই দলের অনুসারী হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না। একইভাবে, সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে কেউ মিথ্যা তথ্য প্রচার, অনৈতিক সুবিধা আদায় কিংবা কাউকে জিম্মি করার চেষ্টা করলে তাঁর বিরুদ্ধেও প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। তবে অভিযোগ যাচাইয়ের ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার, নিরপেক্ষতা এবং ব্যক্তির সম্মান রক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি জোর দাবি
ঢাকা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, সাংবাদিকদের ছবি ব্যবহার করে অপপ্রচার, ভয়ভীতি প্রদর্শন, অর্থ দাবি, ব্ল্যাকমেইল কিংবা মব সৃষ্টির যেসব অভিযোগ উঠেছে, সেগুলো দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে। প্রাসঙ্গিক ছবি, বার্তা, কলের তথ্য এবং আর্থিক লেনদেন আইনসম্মত পদ্ধতিতে যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন করতে হবে। অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাঁদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
একই সঙ্গে নিরপরাধ সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষ যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
প্রতিবাদী বক্তব্যে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, সাংবাদিকদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি, তাঁদের রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত করা কিংবা ব্যক্তিগত ছবি ব্যবহার করে সামাজিকভাবে হেয় করার অপচেষ্টা বন্ধ করতে হবে। বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে জনমত তৈরি বা নষ্ট করার উদ্দেশ্যে যদি কেউ পরিকল্পিতভাবে সাংবাদিক সমাজকে ব্যবহার করার চেষ্টা করে, সে অভিযোগও তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত করা উচিত। কোনো পক্ষের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নয়, সত্য উদ্‌ঘাটন ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠাই হওয়া উচিত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রধান লক্ষ্য।
পরিশেষে ঢাকা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ বলেন, “সাংবাদিকতা কোনো চাঁদাবাজির হাতিয়ার নয়, একটি ছবি কোনো অপরাধের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, আর মব সৃষ্টি করে কাউকে অপরাধী বানানোর অধিকার কারও নেই।” তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগের বিচার হতে হবে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপপ্রচার কিংবা ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার ভিত্তিতে নয়।
সৎ ও পেশাদার সাংবাদিকদের মর্যাদা রক্ষা, অপসাংবাদিকতা ও কথিত ব্ল্যাকমেইল প্রতিরোধ, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেন ঢাকা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com