1. mh01610093622@gmail.com : dainikdakshineroporadh :
বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
সুন্দরবনে থাকা অবৈধ্য কাকড়া শিকারের নৌকা লোকালয়ে আসার প্রহর গুনছে। বন বিভাগের চৌকস অভিযান প্রয়োজন। কুষ্টিয়ার মাঠে ভুট্টার সবুজ স্বপ্ন,বাম্পার ফলনের আশায় কৃষকের মুখে আনন্দের হাসি কুষ্টিয়ার সুশীল সমাজে নৈতিকতার অবক্ষয় উত্তরণের উপায় খুঁজতে মনীষীদের ধারণা বিদায় ড. মুহাম্মদ ইউনুস, কেমন ছিলো বিশ্ব নোবেল প্রাপ্ত কিংবদন্তীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ। বাঘারপাড়ায় বিভিন্ন ইউনিয়নে ছাত্রলীগের কমিটি অনুমোদনের তালিকা প্রকাশ, আলোচনা-সমালোচনা। দিনাজপুরে মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও সমাবেশ নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে স্বাধীন সাংবাদিকতা রক্ষার জোরালো আহ্বান—সভাপতি, ঢাকা প্রেস ক্লাব কুষ্টিয়া মিরপুরের আমলা ইউপি মেম্বার থেকে এমপি হলেন আব্দুল গফুর ইস্তানবুল হোটেল এন্ড রিসোর্টস লি: এর চেয়ারম্যান *সংসদ সদস্য* *নির্বাচিত হওয়ায় সম্বর্ধনা* *অনুষ্ঠান* ।* কুষ্টিয়ায় ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে পৌরসভার জুগিয়া দর্গাপাড়ায় এক নারীকে মা’রধরের অভিযোগ উঠেছে
সংবাদ শিরোনাম:
সুন্দরবনে থাকা অবৈধ্য কাকড়া শিকারের নৌকা লোকালয়ে আসার প্রহর গুনছে। বন বিভাগের চৌকস অভিযান প্রয়োজন। কুষ্টিয়ার মাঠে ভুট্টার সবুজ স্বপ্ন,বাম্পার ফলনের আশায় কৃষকের মুখে আনন্দের হাসি কুষ্টিয়ার সুশীল সমাজে নৈতিকতার অবক্ষয় উত্তরণের উপায় খুঁজতে মনীষীদের ধারণা বিদায় ড. মুহাম্মদ ইউনুস, কেমন ছিলো বিশ্ব নোবেল প্রাপ্ত কিংবদন্তীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ। বাঘারপাড়ায় বিভিন্ন ইউনিয়নে ছাত্রলীগের কমিটি অনুমোদনের তালিকা প্রকাশ, আলোচনা-সমালোচনা। দিনাজপুরে মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও সমাবেশ নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে স্বাধীন সাংবাদিকতা রক্ষার জোরালো আহ্বান—সভাপতি, ঢাকা প্রেস ক্লাব কুষ্টিয়া মিরপুরের আমলা ইউপি মেম্বার থেকে এমপি হলেন আব্দুল গফুর ইস্তানবুল হোটেল এন্ড রিসোর্টস লি: এর চেয়ারম্যান *সংসদ সদস্য* *নির্বাচিত হওয়ায় সম্বর্ধনা* *অনুষ্ঠান* ।* কুষ্টিয়ায় ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে পৌরসভার জুগিয়া দর্গাপাড়ায় এক নারীকে মা’রধরের অভিযোগ উঠেছে

কুষ্টিয়ার মাঠে ভুট্টার সবুজ স্বপ্ন,বাম্পার ফলনের আশায় কৃষকের মুখে আনন্দের হাসি

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৫ বার ভিউ

মোঃ আশরাফ ইকবাল পিকলু মাজমাদার
কুষ্টিয়া।

বাংলার শস্যভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত কুষ্টিয়া জেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন ভুট্টার সবুজ সমারোহ। দূর থেকে তাকালে মনে হয়, সবুজ ঢেউ দোল খাচ্ছে প্রকৃতির বুকে। এ দৃশ্য যেমন প্রকৃতির সৌন্দর্য বাড়িয়েছে, তেমনি কৃষকদের মনে জাগিয়েছে বাম্পার ফলনের স্বপ্ন ও আশার আলো।
জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ভুট্টা চাষে নতুন উদ্যম দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে কুমারখালী, ভেড়ামারা এবং কুষ্টিয়া সদর উপজেলা এলাকার মাঠগুলোতে নতুন প্রজাতির ভুট্টা চাষ করে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন কৃষকরা। তারা জানিয়েছেন, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করে উন্নতমানের বীজ, সুষম সার এবং সঠিক পরিচর্যা নিশ্চিত করা হয়েছে। ফলে এবারের ফলন গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় কৃষকরা জানান,এবার ভুট্টার ক্ষেতে আমরা বাড়তি যত্ন নিয়েছি। আবহাওয়া অনুকূলে রয়েছে এবং বীজের মান ভালো হওয়ায় ফসল ভালো হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। যদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ না আসে, তাহলে সারা বছরই ভালো উৎপাদন হবে বলে আশা করছি।”
কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ভুট্টা একটি বহুমুখী ও লাভজনক ফসল। এটি মানুষের খাদ্য চাহিদা পূরণের পাশাপাশি পশুখাদ্য হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কৃষি কর্মকর্তারা মনে করছেন,সঠিক সময়ে জমি পরিচর্যা,রোগবালাই দমন এবং নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করা গেলে এ বছর জেলায় ভুট্টার বাম্পার ফলন অর্জন সম্ভব।
এদিকে সম্ভাব্য ভালো ফলনের খবরে ইতোমধ্যেই স্থানীয় বাজারে প্রাণচাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। কৃষকরা আশা করছেন, উৎপাদন বাড়লে বাজারে সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে এবং এর মাধ্যমে তাদের আর্থিক অবস্থার উন্নতি ঘটবে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষকদের জন্য ভুট্টা চাষ নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিচ্ছে। অনেক কৃষক এই ফসলের ওপর নির্ভর করেই দারিদ্র্য কাটিয়ে ওঠার স্বপ্ন দেখছেন।
মাঠ পরিদর্শনে দেখা যায়,পরিবার-পরিজনকে সঙ্গে নিয়ে কৃষকেরা ভুট্টার সারি ধরে পরিচর্যার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তাদের মুখে ফুটে উঠেছে পরিশ্রমের সন্তুষ্টি আর ভবিষ্যতের প্রত্যাশা। সবুজে মোড়ানো মাঠ যেন গ্রামীণ জীবনের প্রাণচিত্র হয়ে উঠেছে।
কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কুষ্টিয়ায় ভুট্টা চাষ প্রতিবছরই কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। চলতি মৌসুমে অনুকূল আবহাওয়া ও আধুনিক কৃষি ব্যবস্থাপনার ফলে বাম্পার ফলনের যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, তা বাস্তবায়িত হলে শুধু কৃষকই নয়, জেলার সামগ্রিক অর্থনীতি ও বাজার ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।মুনজুরুল ইসলাম
রাজনৈতিক উত্তেজনা, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ প্রচারণা ও দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচনে কুষ্টিয়া অঞ্চলের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে কুষ্টিয়া সদর-৩ আসনের নিরঙ্কুশ বিজয়। নির্বাচনোত্তর সময়ে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ভোটারদের প্রত্যাশা, মূল্যায়ন এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা। বিজয়ের আনন্দে সমর্থকদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করলেও বিরোধী পক্ষের ভোটারদের মধ্যেও দেখা যাচ্ছে ইতিবাচক চিন্তা ও গঠনমূলক উন্নয়ন প্রত্যাশার প্রতিফলন।
নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থী মুফতি আমির হামজা-এর সমর্থকরা এই বিজয়কে তৃণমূল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা, জনসম্পৃক্ততা এবং উন্নয়নমুখী প্রতিশ্রুতির ফল হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে,দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত থাকা এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন,কর্মসংস্থান সৃষ্টি,শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের সম্প্রসারণ এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা দ্রুত দৃশ্যমান উন্নয়ন কার্যক্রম দেখতে আগ্রহী। বিশেষ করে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন,কৃষি খাতে প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়নকে তারা অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করছেন। স্থানীয় কৃষক আব্দুল মালেক বলেন, আমরা ভোট দিয়েছি এলাকার উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে। এখন চাই কৃষিপণ্য ন্যায্যমূল্যে বিক্রির নিশ্চয়তা এবং আধুনিক সেচ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ।
অন্যদিকে বিরোধী পক্ষের ভোটাররাও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নির্বাচনের ফলাফলকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করেছেন। তারা মনে করছেন, নির্বাচন জনগণের মতামতের প্রতিফলন এবং এখন সময় রাজনৈতিক বিভাজন ভুলে সমন্বিত উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের। শহরের ব্যবসায়ী মাহবুবুর রহমান বলেন,নির্বাচন শেষ হয়েছে,এখন উন্নয়নই মূল বিষয় হওয়া উচিত। ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ও নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ করা জরুরি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে,নিরঙ্কুশ বিজয় জনপ্রতিনিধির ওপর জনগণের প্রত্যাশা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন, স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং জনসাধারণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রক্ষা করা হবে নতুন নেতৃত্বের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।
সাধারণ ভোটারদের অভিমত, দলীয় বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা গেলে এই বিজয় প্রকৃত অর্থেই জনগণের বিজয়ে পরিণত হবে। নতুন নেতৃত্বের কার্যকর উদ্যোগ ও সময়োপযোগী পরিকল্পনার মাধ্যমে কুষ্টিয়া সদর-৩ আসন উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় জনসাধারণের।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com