1. mh01610093622@gmail.com : dainikdakshineroporadh :
মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ০৭:১১ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
হারানো বিজ্ঞপ্ত কুষ্টিয়ায় মাদ্রাসা শিক্ষককে গিরে অনৈতিকতার অভিযোগ, উদ্বিগ্ন অভিভাবক মহল সাংবাদিকের ওপর হামলার মামলার আসামিরা প্রকাশ্যে, নীরব প্রশাসনে প্রশ্ন অনলাইন হ্যারাসমেন্ট ঠেকাতে মাঠে নেমেছে তরুণ প্রজন্ম লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ ভোলার শিক্ষার্থীরা: বিদ্যুৎ অফিসে দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ক্ষোভ” লেখা দশমিনায় বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সম্পাদকের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা দীঘিনালায় গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি আটক। ড্রেজার মেশিন নিয়ে অভিযোগের পর তদন্ত, বৈধ কাগজপত্র পেয়ে পুনরায় চালুর নির্দেশ মব ভায়োলেন্স: সামাজিক ব্যাধি, গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত অথবা মব ভায়োলেন্স: রাষ্ট্র, সমাজ ও গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে এক ভয়াবহ নীরব যুদ্ধ মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভদের পেশাগত মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে দীঘিনালায় মানববন্ধন
সংবাদ শিরোনাম:
হারানো বিজ্ঞপ্ত কুষ্টিয়ায় মাদ্রাসা শিক্ষককে গিরে অনৈতিকতার অভিযোগ, উদ্বিগ্ন অভিভাবক মহল সাংবাদিকের ওপর হামলার মামলার আসামিরা প্রকাশ্যে, নীরব প্রশাসনে প্রশ্ন অনলাইন হ্যারাসমেন্ট ঠেকাতে মাঠে নেমেছে তরুণ প্রজন্ম লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ ভোলার শিক্ষার্থীরা: বিদ্যুৎ অফিসে দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ক্ষোভ” লেখা দশমিনায় বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সম্পাদকের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা দীঘিনালায় গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি আটক। ড্রেজার মেশিন নিয়ে অভিযোগের পর তদন্ত, বৈধ কাগজপত্র পেয়ে পুনরায় চালুর নির্দেশ মব ভায়োলেন্স: সামাজিক ব্যাধি, গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত অথবা মব ভায়োলেন্স: রাষ্ট্র, সমাজ ও গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে এক ভয়াবহ নীরব যুদ্ধ মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভদের পেশাগত মর্যাদা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশের দাবিতে দীঘিনালায় মানববন্ধন

কুষ্টিয়া কুমারখালীর মাটির রাস্তার বেহাল দশা, চরম ভোগান্তিতে স্কুল কলেজে পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৩৮ বার ভিউ

মোঃ আশরাফ ইকবাল পিকলু মাজমাদার
খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান।

উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় এগিয়ে চলা কুষ্টিয়া জেলার জনপদে যেখানে নতুন নতুন সড়ক, সেতু আর অবকাঠামো বদলে দিচ্ছে গ্রামবাংলার চিত্র, সেখানে কুমারখালী উপজেলার বাগুলাট ইউনিয়নের শালঘর-মধুয়া গ্রাম যেন সময়ের চক্রে আটকে থাকা এক ব্যতিক্রমী দৃশ্য। মাত্র দুই কিলোমিটার একটি মাটির রাস্তা—কাচারীপাড়া জামে মসজিদ থেকে শালঘর মধুয়া বালিকা বিদ্যালয় পর্যন্ত—আজ হাজারো মানুষের প্রতিদিনের দুর্ভোগের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, দীর্ঘদিন সংস্কারহীন এই কাঁচা সড়কজুড়ে বড় বড় গর্ত, খানাখন্দ আর ধুলোর আস্তরণ। শুকনো মৌসুমে ধুলোঝড়ে ঢেকে যায় চারপাশ, আর বর্ষায় হাঁটুসমান কাদায় পরিণত হয় পুরো পথ। সামান্য বৃষ্টিতেই গর্তগুলো পানিতে ঢেকে গিয়ে তৈরি হয় অদৃশ্য বিপদফাঁদ। ভ্যান, রিকশা কিংবা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। মোটরসাইকেল আরোহীরা প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে পথ পাড়ি দেন।
এলাকাবাসীর ভাষায়, শুকনো সময়ে কষ্ট করে চলা যায়, কিন্তু বৃষ্টি হলেই এই রাস্তা মৃত্যু ফাঁদে পরিণত হয়।
এই সড়ক দিয়েই প্রতিদিন যাতায়াত করে শালঘর মধুয়া বালিকা বিদ্যালয়সহ একাধিক প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও কলেজের শত শত শিক্ষার্থী।
কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ–এর শিক্ষার্থী নাসরিন আক্তার বলেন,বৃষ্টি হলে কলেজে আসা-যাওয়া করা দায় হয়ে যায়। দ্রুত সংস্কার না হলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
বাঁশগ্রাম আলাউদ্দিন আহমেদ ডিগ্রী কলেজ–এর শিক্ষার্থী বৃষ্টি খাতুনের আক্ষেপ,যানবাহন চলে না বলেই দুই কিলোমিটার পথ হেঁটে যেতে হয়। গাড়ি চললে পাঁচ-দশ মিনিট লাগত, এখন আধা ঘণ্টার বেশি সময় লাগে।
অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী রাফা খাতুন জানায়, শীতকালে কোনোভাবে চলাচল করা গেলেও বর্ষায় রাস্তাটি প্রায় অচল হয়ে পড়ে। শহরসংলগ্ন গ্রাম হওয়া সত্ত্বেও এমন অবস্থা তাদের হতাশ করে।
সড়কটির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহনে প্রতিদিন ছোট-বড় যানবাহন চলাচলের কথা থাকলেও বাস্তবে ঝুঁকি এড়াতে অনেকেই এ পথ এড়িয়ে চলেন।
অটোচালক আকুল আলী বলেন, “বড় বড় গর্তে গাড়ি উল্টে যায়। অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নিতে গেলেও চরম ভোগান্তি হয়।
কয়েক হাজার মানুষের জীবনযাত্রা এই সড়কের ওপর নির্ভরশীল হলেও দীর্ঘদিন ধরে কার্যকর সংস্কার উদ্যোগের দেখা মেলেনি। মাঝে মাঝে আশ্বাস মিললেও বাস্তবায়ন হয়নি কোনো স্থায়ী সমাধান।
দেশজুড়ে উন্নয়নের জোয়ার বইলেও শহরঘেঁষা এই গ্রামটি রয়ে গেছে অবহেলিত—এমনটাই অভিযোগ এলাকাবাসীর। তাদের দাবি, প্রশাসনের সুদৃষ্টি ও সরকারের কার্যকর তত্ত্বাবধানে অতি দ্রুত সড়কটি পাকা ও টেকসইভাবে নির্মাণ করা হোক।
গ্রামবাসীর প্রত্যাশা—মাত্র ২ কিলোমিটার সড়কের সংস্কারই বদলে দিতে পারে হাজারো মানুষের প্রতিদিনের কষ্টের চিত্র। উন্নয়নের স্লোগান তখনই অর্থবহ হবে,যখন শালঘর-মধুয়ার ধুলো-কাদামাখা পথটিও পাবে একটি স্থায়ী সমাধান।
অবহেলার এই পথ কি অবশেষে উন্নয়নের আলোর মুখ দেখবে—এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে শালঘর-মধুয়ার মানুষের মুখে মুখে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com