
এম মনিরুল ইসলাম
শ্যামনগর থেকে।
সাতক্ষীরার অন্যতম উপজেলা শ্যামনগরের পল্লীতে (সি পি জি) সদস্যা জয়নাব বেগমের বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতি,দুর্ব্যবহার ও সুন্দরবনে অবৈধ ব্যবসার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গভীর অনুসন্ধানে দুর্নীতির সত্যতা পাওয়া গেছে,সাতক্ষীরা রেঞ্জের অধীনে স্টেশন সংলগ্ন সিপিজি অফিস ও সদস্যদের কার্যক্রম চলমান। ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর পার্শ্ববর্তী দীপ ইউনিয়ন গাবুরার ৯ নম্বর গ্রামের জয়নাব বেগম(42) সদস্যা তার ডিউটির স্থান কলাগাছিয়া স্টেশন হলেও আওয়ামী দোসর হওয়ার কারণে, এলাকাবাসী তার নিজ ঘরে আগুন লাগিয়ে দেয়।যেটা ভাবতেও অবাক লাগে।কতটা নিকৃষ্ট মন ও কর্মকান্ড করলে, প্রতিবেশীরা ঘরভর্তি শিশু বাচ্চা বড় সকলকেই একসাথে শেষ করে দিতে চায়।বলা বাহুল্য সিপিজি সংস্থাটি আমেরিকান দাতা গোষ্ঠীর অর্থায়নে সংঘটিত, সুন্দরবন ও জীব বৈচিত্র সুরক্ষিত রাখতে বিভিন্ন তথ্য মতে, সদস্য গণের বণকর্মীদের মত টহল কার্যক্রম অব্যাহত থাকে। কয়েক মাস হল এই চরিত্রহীন মহিলা বুড়িগোয়ালিনী এলাকায় ঘর ভাড়া থাকেন। মোবাইল ফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে শারীরিক সম্পর্ক করেন অভিযোগ করেছেন অনেকেই তারা বলেন,এই মহিলা জয়নাব বেগম এক সময় প্রেমের ফাঁদে পড়ে ভারতের পতিতালয় ছিল। যে কোনভাবে জীবন বাঁচিয়ে এলাকায় আসে।পরবর্তীতে সিপিজি সদস্যা জয়নাব বেগম। এলাকার উঠতি বয়সী যুবক সহ অনেক চাকরিজীবীদের সেখানে যাতা য়াত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অনেকেই। পরবর্তীতে হয়ে ওঠেন এক ভয়ংকর নারী। সিপিজি(ক্রাইম পেট্রোল টীম)সভাপতি আওয়ামী দুশাসনে কারাবরণকারী, ওয়াজেদ মোল্লা অভিযোগ করেন,এই মহিলা (জয়নব বেগম) কর্মস্থল
কলাগাছিয়া স্টেশন হলেও সৈরশাসনের পতনের পর, মানবিকতায় তাকে আমাদের সাথে রেখে ছিলাম।তার নামে একাধিক ট্রলার মাঝি সহ অনেকেই দুর্ব্যবহার ও সুন্দরবনে অবৈধ ব্যবসা রয়েছে এমনই মন্তব্য করেছেন।এমনকি সামান্য কারণে আমি সভাপতি হওয়া সত্ত্বেও সিপিজি সদস্যদের সামনে আমাকে হত্যা করার হুমকি দেয়। সদস্য আবুল হোসেন আব্দুল আজিজ হাবিবুর রহমান সহ অনেকেই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।যেটা আমার ভয়ের কারণ,জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে তিনি,স্টেশন কর্মকর্তা,রেঞ্জ কর্মকর্তা ও সিপিজি(ক্রাইম পেট্রোল টীম) এর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন চরিত্রহীন এই দোসর জয়নাব বেগমকে অনতিবিলম্বে তার নির্দিষ্ট কর্মস্থলে পাঠানোর দাবি জানিয়েছেন। অনেক বিশিষ্টজনের প্রশ্ন হল কর্মস্থল এক জায়গায় বেতন উঠাই অন্য জায়গা থেকে,এটা কিভাবে?কোন নিয়মের মধ্যে পড়ে? এই বিষয়ে স্টেশন কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতে গেলে জানতে পারি, তিনি সুন্দরবন অভ্যন্তরে ডিউটিতে রয়েছেন।কিছু বনকর্মীদের সাথে অবৈধ সম্পর্কের মাধ্যমে জয়নাব বেগম সিপিজি সদস্যা সহ বনকর্মীদেরকেও মূল্যায়ন করে না। উপরোক্ত অভিযোগের বিষয়ে সিপিজি সদস্যা জয়নাব বেগমের নিকট জানতে চাইলে তিনি এই বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হননি।
Leave a Reply