
ভোলায় জমি, ঘর, ও দোকান দখল-সংক্রান্তে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে আ. হানিফ (৬৫) নামের এক বৃদ্ধকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করেছে প্রতিপক্ষরা। বুধবার (২৬ নভেম্বর) বিকালে ভোলা শহরের বাংলাবাজার পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। আহত দিঘলদী
ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। পরিবারের অভিযোগ, বাংলাবাজার বটতলা এলাকার গজনবী টিপু ও তার সহযোগীরা ৫ তারিখের পর আঃ হানিফের ৫ তালা ফাউন্ডেশনের বাড়ি, এক তালা কম্পিলিট ওই বাড়িটি দখল করে রেখেছে, এটা নিয়ে আদালতে মামলা আছে, এবং দীর্ঘদিন ধরে হানিফের বাজারের দোকানঘর দখলের চেষ্টা করে আসছে। কয়েকদিন আগে একই কারণে দোকানের ভাড়াটিয়া খোকন ডাক্তারকে দোকান ছাড়ার জন্য চাপ দেয় তারা। ভাড়াটিয়া রাজি না হওয়ায় টিপুর স্ত্রী সুরমা বেগম ও ছেলে হাসিবে নেতৃত্বে টিপুর দুই ভাই, হাছান, টিটুল, ও নাঈম ছাত্তারসহ প্রায় ৮ থেকে ১০ জনে মিলে তাকে মারধর করে হাত ভেঙে দেয়। ঐ ঘটনায় খোকন ডাক্তার ভোলা জজ আদালতে মামলা করেন, যেখানে দোকান মালিক আ. হানিফ সাক্ষী ছিলেন। পরিবার জানায়, মামলার পর থেকেই প্রতিপক্ষ আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। বুধবার হানিফ বাংলাবাজার এলাকায় গেলে হাসিবের নেতৃত্বে পূর্বের অভিযুক্তরা ৬ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং অতর্কিত হামলা চালায়। তারা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হানিফকে কুপিয়ে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করে। হামলার পর স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে হানিফকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে ডাক্তার অবস্থা অবনতি দেখে ঢাকা রেফার করেন এখন সে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থা আছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, একই এলাকায় গজনবী টিপুর সন্ত্রাসী বাহিনীর অন্যের জমি জমা জোর দখল, এবং চাঁদাবাজি, নারী কেলেঙ্কারির সহ সকল ধরণের খারাপ কাজের সাথে লিপ্ত এদের চাঁদাবাজ ও জবরদখলকারীর কারণে এলাকাবাসী আতঙ্কে রয়েছে। কয়েকদিনের ব্যবধানে একই রকম দুইটি হামলার ঘটনায় মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।
ঘটনার বিষয়ে পুলিশের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়রা তদন্ত জোরদার করা এবং সংশ্লিষ্টদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেেন।
Leave a Reply