1. mh01610093622@gmail.com : dainikdakshineroporadh :
শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ০১:৫০ অপরাহ্ন
নোটিশ :
হেফজখানা নির্মাণকাজে বাধা ও হামলার অভিযোগ, আহত কয়েকজন হারানো বিজ্ঞপ্ত কুষ্টিয়ায় মাদ্রাসা শিক্ষককে গিরে অনৈতিকতার অভিযোগ, উদ্বিগ্ন অভিভাবক মহল সাংবাদিকের ওপর হামলার মামলার আসামিরা প্রকাশ্যে, নীরব প্রশাসনে প্রশ্ন অনলাইন হ্যারাসমেন্ট ঠেকাতে মাঠে নেমেছে তরুণ প্রজন্ম লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ ভোলার শিক্ষার্থীরা: বিদ্যুৎ অফিসে দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ক্ষোভ” লেখা দশমিনায় বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সম্পাদকের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা দীঘিনালায় গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি আটক। ড্রেজার মেশিন নিয়ে অভিযোগের পর তদন্ত, বৈধ কাগজপত্র পেয়ে পুনরায় চালুর নির্দেশ মব ভায়োলেন্স: সামাজিক ব্যাধি, গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত অথবা মব ভায়োলেন্স: রাষ্ট্র, সমাজ ও গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে এক ভয়াবহ নীরব যুদ্ধ
সংবাদ শিরোনাম:
হেফজখানা নির্মাণকাজে বাধা ও হামলার অভিযোগ, আহত কয়েকজন হারানো বিজ্ঞপ্ত কুষ্টিয়ায় মাদ্রাসা শিক্ষককে গিরে অনৈতিকতার অভিযোগ, উদ্বিগ্ন অভিভাবক মহল সাংবাদিকের ওপর হামলার মামলার আসামিরা প্রকাশ্যে, নীরব প্রশাসনে প্রশ্ন অনলাইন হ্যারাসমেন্ট ঠেকাতে মাঠে নেমেছে তরুণ প্রজন্ম লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ ভোলার শিক্ষার্থীরা: বিদ্যুৎ অফিসে দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ক্ষোভ” লেখা দশমিনায় বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সম্পাদকের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা দীঘিনালায় গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি আটক। ড্রেজার মেশিন নিয়ে অভিযোগের পর তদন্ত, বৈধ কাগজপত্র পেয়ে পুনরায় চালুর নির্দেশ মব ভায়োলেন্স: সামাজিক ব্যাধি, গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত অথবা মব ভায়োলেন্স: রাষ্ট্র, সমাজ ও গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে এক ভয়াবহ নীরব যুদ্ধ

আছিয়া ঠিক কতটা কষ্ট পেয়ে মা*রা গিয়েছে জানেন?

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ, ২০২৫
  • ৯৫ বার ভিউ

বাচ্চা মেয়ে আছিয়াকে হাসপাতালে আনার পরপরই নেওয়া হয়েছিল লাইফ সাপোর্টে। তার উপর পাশবিক নি*র্যা-তন করা হয়েছিল। মোট তিনজন জড়িত ছিল এ কাজে। স্বামী, শ্বশুর এবং ভাসুর।
গতকাল আছিয়ার তিনটা টেস্ট করিয়েছিল ডাক্তররা। সেখানে মেয়েটার শরীরে Pneumothorax (RT), ARDS, Diffiuse Cerebral Edema ধরা পড়েছিল।
এ তিনটা কন্ডিশন ধরা পড়লে রোগী এতটাই যন্ত্রণা অনুভব করে যে- তার মনে হয় তার বুকটা কেউ ধারালো ছু!রি দিয়ে ফলা ফলা করে কা!টতেছে,
গভীর সমুদ্রে তাকে চুবিয়ে রাখা হয়েছে আর সে দম বন্ধ হয়ে হাত পা ছোড়াছুড়ি করছে।
আর তৃতীয় কন্ডিশনে মনে হয় মাথার ভেতর কিছু একটা বি!স্ফোরিত হচ্ছে, তীব্র যন্ত্রণার সৃষ্টি হয়।
প্রচন্ড যন্ত্রণায় প্যানিক অ্যাটাক করছিল মেয়েটা। এজন্যেই হাসপাতালে বারবার কাঁপুনি দিয়ে উঠছিল মেয়েটা। গতকাল চারবার কার্ডিয়াক অ্যারেস্টও হয়েছিল তার।
তার গো*পনাঙ্গ থেকে এতটাই র*ক্ত ঝরছিল যে প্রস্রাব করার জন্যে মূত্রথলিতে স্টোমা ব্যাগ লাগিয়ে রেখেছিল ডাক্তাররা। মেয়েটার গলায়ও জমাট বাঁধা র*ক্তের দাগ ছিল, মুখ দিয়ে ফেনা বের হচ্ছিল।
ধ*র্ষণের সময় দুলাভাইটাও ঘটনাটা দেখেছিল। তাই জানাজানি হবার ভয়ে স্বামী এবং শ্বশুর মিলে গলা টিপে মে*রে ফেলতে চেয়েছিল মেয়েটাকে।
এত তীব্র যন্ত্রণা সহ্য করেও মেয়েটা চেয়েছিল বাঁচতে কিন্তু শেষপর্যন্ত নিদারুণ কষ্ট সহ্য করতে না পেরে একটু আগে অবুঝ মেয়েটা চলে গেলে না ফেরার দেশে।
ধ*র্ষকের বিচার কি হবে জানি না। দুইদিন পর হয়তো জামিন নিয়ে বের হয়েও আসতে পারে। তবে এমন একটা কঠিন শাস্তির আওয়াজ তুলতে হবে যাতে আর নতুন কোন ধ*র্ষক জন্মাতে না পারে।
ওইদিন মেয়েটার মা হাসপাতালে কাঁদতে কাঁদতে বলছিল- আমার মাইয়াডা যদি বাঁইচাও যায় ওর ক্যারিয়ার তো শেষ, ওরে কেডা নিব? সমাজে মুখ দেখাইব কেমনে? আমার দুই মনির জীবনডা শেষ তো শেষ হইয়া গেল।’
বাচ্চা মেয়েটা সমাজে কিভাবে মুখ দেখাবে সেটা এখন আর ভাবতে হবে না এই অভাগা মাকে। তার আগেই চিরবিদায় নিয়ে নিল সে।
বেঁচে থাকলে হয়তো সমাজের অবহেলার শিকার হয়ে প্রতিটা দিন কাটত মেয়েটার। মেয়েটা যেন মা/রা গিয়েই বেঁচে গেছে সমাজের কলঙ্কের হাত থেকে

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি
Desing & Developed BY ThemeNeed.com