
মোঃ নাছির উদ্দীন দীঘিনালা খাগড়াছড়ি।
টানা চার দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির তেমন কোনো উন্নতি হয়নি। দ্বিতীয় দিনের মতো উপজেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল পানির নিচে থাকায় স্বাভাবিক জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। অনেক পরিবারের বসতঘর প্লাবিত হওয়ায় তারা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে উপজেলার ২১টি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছেন। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে খাদ্য ও অন্যান্য জরুরি সহায়তা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
বৃহস্পতিবার দীঘিনালা সেনাবাহিনীর ফোর ইস্ট বেঙ্গল জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আল আমিন, পিএসসি-এর নির্দেশনায় উপজেলার কবাখালী এলাকার বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে শুকনা খাবার ও প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। জোন অ্যাডজুট্যান্ট ক্যাপ্টেন আব্দুল্লাহ আল আজমিরের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর সদস্যরা এই ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
এদিকে, খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা-সাজেক সড়কের একাধিক স্থান পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে সাজেকে বেড়াতে যাওয়া প্রায় ৪০০ পর্যটক সেখানে আটকা পড়েছেন। একই সঙ্গে দীঘিনালা-লংগদু এবং সাজেকের সঙ্গে সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর বিভিন্ন অংশ প্লাবিত হওয়ায় ওই রুটেও যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা পরিবারগুলোর জন্য নিয়মিত শুকনা খাবার ও প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী সরবরাহ করা হচ্ছে। পাশাপাশি সার্বক্ষণিকভাবে বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, যাতে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তানজিল পারভেজ বলেন, “উপজেলায় খোলা ২১টি আশ্রয়কেন্দ্রে বন্যাকবলিত পরিবারগুলোকে নিরাপদে রাখা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক তদারকি করা হচ্ছে এবং আশ্রিতদের জন্য শুকনা খাবারসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে।
Publisher & Editor: Bahadur Chowdhury
Mobile: 01323002377
Editorial & Commercial Office: Chowdhury Complex, Chairman Bazar, Char Fasson, Bhola
Mobile: 01323002377
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ।