
লালমোহন প্রতিনিধি :
লালমোহনে স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন ছাত্রদল নেতা ইয়ামিন নোমান। তবে ঘটনাটি ঘিরে শুরু থেকেই ছড়ানো হয় বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর তথ্য।
প্রথমে বিভিন্ন মাধ্যমে তাকে ‘বিবাহিত প্রেমিকার বাড়িতে আটক’ বলে প্রচার করা হলেও পরবর্তীতে বেরিয়ে আসে প্রকৃত তথ্য। জানা যায়, গত ১৪ এপ্রিল পাঁচ লাখ টাকা কাবিনে বৈধভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ইয়ামিন নোমান। তার পরিবার এবং নোমান নিজেও দাবি করেছেন, এটি একটি পরিকল্পিত অপপ্রচার।
তাদের অভিযোগ, একটি স্বার্থান্বেষী মহল রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করেছে। পরে বৈধ কাবিননামা প্রকাশ করা হলে বিষয়টি নিয়ে সৃষ্ট বিভ্রান্তির অবসান ঘটে।
বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাচাই-বাছাই ছাড়া যেকোনো তথ্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার কারণে ব্যক্তির সুনাম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ইয়ামিন নোমানের ঘটনা সেই বাস্তবতারই আরেকটি উদাহরণ, যেখানে একজন ব্যক্তি অপপ্রচারের শিকার হয়ে মুহূর্তেই বিতর্কের কেন্দ্রে চলে আসেন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন পরিস্থিতিতে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের আরও দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন। কারণ, অপপ্রচারের এই প্রবণতা শুধু ব্যক্তির নয়, সমাজের সামগ্রিক বিশ্বাসযোগ্যতাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে।
এই ঘটনার মাধ্যমে আবারও প্রমাণ হলো—ডিজিটাল যুগে কেউই অপপ্রচার থেকে সম্পূর্ণ নিরাপদ নয়।
কার্যালয়: তালুকদার ভবন, ৩য় তলা, বাংলাবাজার ভোলা। ০১৮৮৫৫২১৪৮৪
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ।