
মোঃ আশরাফ ইকবাল পিকলু মাজমাদার
খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন,এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় বিদ্যালয়ে যায় ওই ছাত্রী। অনুষ্ঠান শেষে দুপুর ২টায় স্কুল ছুটি হলেও বাড়িতে ফেরেনি সে। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর পরিবার ও স্বজনরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নিয়ে সন্ধান পায়নি তার। পরে রাত ৮টার দিকে অফিস সহায়ক (পিয়ন) হামিদুলের কাছে বিদ্যালয় তল্লাশির জন্য চাবি চায় পরিবার। কিন্তু চাবি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে হামিদুল জানান,বিদ্যালয়ে কেউ নেই।
অফিস সহায়ক হামিদুলের রহস্যজনক আচরণে সন্দেহ বেড়ে যায় স্থানীয়দের। একপর্যায়ে তার সাথে হাতাহাতি হয় গ্রামবাসীর। পরে জোরপূর্বক চাবি নিয়ে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করেন তারা। তল্লাশির এক পর্যায়ে স্কুলের দ্বিতীয় তলার একটি অন্ধকার কক্ষ থেকে অজ্ঞান ও মুখে টেপ লাগানো অবস্থায় উদ্ধার করা হয় ওই ছাত্রীকে।
উদ্ধারের পর প্রথমে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় তাকে। হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. হোসেন ইমাম জানিয়েছেন, ‘গতকাল রাতে মেয়েটি অত্যন্ত মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে আসে। প্রাথমিক পরীক্ষায় তার শরীরে মিলেছে ধ'র্ষণের আলামত। চিকিৎসা চলছে, সে এখন আশঙ্কামুক্ত।’
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খায়রুজ্জামান বলেছেন, ‘বিষয়টি অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত। অপরাধীকে শনাক্ত করতে সব ধরনের সহযোগিতা করব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে।’ মিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, ডাক্তারি পরীক্ষায় আলামত মিলেছে ধ'র্ষণের। এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
এদিকে ওই ঘটনায় শুক্রবার দুপুরে ছত্রগাছা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক মো. মহসিন আলী ও নৈশপ্রহরী মো. হামিদুল ইসলামকে আটক করে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
Publisher & Editor: Bahadur Chowdhury
Mobile: 01323002377
Editorial & Commercial Office: Chowdhury Complex, Chairman Bazar, Char Fasson, Bhola
Mobile: 01323002377
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ।