
মোঃ অনিকুল ইসলাম উজ্জ্বল
পটুয়াখালীর গলাচিপায় সাবেক বিএনপি নেতা ও সহকারী অধ্যাপক হারুন অর রশিদের বসতবাড়ি ও জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় গণঅধিকার পরিষদের নব্য সদস্য কাইয়ুম মৃধা সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে এই দখলচেষ্টায় নেমেছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।
ভুক্তভোগী বিএনপি নেতা হারুন অর রশিদ জানান, প্রতিকার চেয়ে প্রশাসনের কাছে সহযোগিতা চাইলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮১ সালে গলাচিপা পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের রতনদী মৌজার চারটি দাগে মোট ৪৮ দশমিক ৫ শতাংশ জমি নজরুল ইসলাম প্যাদাসহ ছয় ভাইবোনের কাছ থেকে ক্রয় করেন হারুন অর রশিদের পিতা আপ্তার আলী হাওলাদার। পরে ২০২৩ সালের ২০ নভেম্বর জরিপের মাধ্যমে ওই জমির ৪৫ শতাংশ জমি হারুন অর রশিদসহ তিন ভাইয়ের নামে রেকর্ড হয় (খতিয়ান নং ১৬৩১)। বর্তমানে ওই জমিতে দুটি ঘর নির্মাণ করে পরিবারসহ বসবাস করছেন তারা।
হারুন অর রশিদের অভিযোগ, বুধবার সকালে হঠাৎ করে কাইয়ুম মৃধা লোকজন নিয়ে এসে তাদের বসতবাড়ির জমি দখলের চেষ্টা করেন। এ সময় সীমানা প্রাচীর ঘেরা জমি দখলে নিয়ে নতুন করে পৃথক সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়। এই দখলে কাইয়ুম মৃধার সাথে গনঅধিকারের ইব্রাহিম, আবুল হোসেন ও রাসেল দখলের সহযোগিতা করছিল। বাধা দিতে গেলে তাদের ভয়ভীতি ও বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, দখলচেষ্টা বন্ধে থানায় আবেদন করা হলেও এখনো দখল কার্যক্রম বন্ধ হয়নি।
হারুন অর রশিদ বলেন, “দখলবাজ কাইয়ুম মৃধা আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য ছিলেন। পরে জাতীয় নির্বাচনের সময় গণঅধিকার পরিষদে যোগ দেন এবং ইব্রাহিমের ছত্রছায়ায় তিনি এ দখলবাজি চালাচ্ছেন।
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। আমি গলাচিপা উপজেলা বিএনপির সাবেক প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক ছিলাম। তারপরও কবলা দলিলের মাধ্যমে কেনা জমি দখলদারদের হাত থেকে রক্ষা করতে পারছি না।”
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত কাইয়ুম মৃধার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও সে ফোন রিসিভ করেনি।
এ বিষয়ে আরেক অভিযুক্ত ইব্রাহিমের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমরা কারও জমি দখল করিনি। জমি নিয়ে শালিস বেঠক হয়েছিলো, ইউএনও স্যার বলায় সেখানে আমরা ছিলাম। সেখানে ইউএনও সহ সরকারি সার্ভেয়ার ছিলো। সেই শালিসিতে কাইয়ুম মৃধা ৬ শতাংশ জমি পেয়েছে, সেখানেই ঘর তুলতেছে। আপনি ইউএনও স্যারের সাথে কথা বলে জানতে পারেন।
গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়ে আমরা কাজ বন্ধ করে দিয়েছি এবং তাদেরকে বসে সমাধান করার জন্য বলেছি। এছাড়াও আমদের আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে
প্রকাশক ও সম্পাদক : বাহাদুর চৌধুরী মোবাইল: ০১৩২৩০০২৩৭৭
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যলয়ঃ চৌধুরী কমপ্লেক্স, চেয়ারম্যান বাজার, চরফ্যাশন, ভোলা ।
মোবাইলঃ০১৩২৩০০২৩৭৭'''' T.L.No:183 T.I.N:534926870539