
হাসান হৃদয়
স্টাফ রিপোর্টার,
গত ০২ এপ্রিল ২০২৬ ইং তারিখ বিকেলে দৌলতখান থানা এলাকায় জনৈক এক শিশু (১২) দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পথে আসামিদের দ্বারা প্রলোভনের শিকার হয়। আসামীরা তাকে ফুসলিয়ে নির্জন স্থানে নিয়ে যায় এবং ভিকটিমের মুখ চেপে ধরে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক পালাক্রমে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে আসামিরা ভিকটিমকে সেখানে রেখে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে দৌলতখান থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করলে দৌলতখান থানার মামলা নং-০৩, তারিখ- ০৩/০৪/২০২৬ খ্রিঃ, জিআর নং- ৫৩/২৬, ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী ২০২০) এর ৯(৩) রুজু হয়।
ঘটনার পরপরই ভোলা জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ শহিদুল্লাহ কাওছার, পিপিএম (বার) মহোদয়ের প্রত্যক্ষ দিক নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), ভোলার সার্বিক তত্ত্বাবধানে দৌলতখান থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অত্যন্ত দ্রুততম সময়ের মধ্যে মামলার এজাহারনামীয় ০১নং আসামী মোঃ ইব্রাহিম দেওয়ান (৩০) এবং ০২নং আসামী মোঃ ফারুক (৫০)-কে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীদের যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে ০১নং আসামী মোঃ ইব্রাহিম দেওয়ান (৩০) বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারী কার্যবিধি ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বেচ্ছায় অপরাধের সাথে জড়িত থাকার বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) বিপুল চন্দ্র দাস বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছেন এবং তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ সুপার মহোদয় ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং সকল ধরনের আইনের সহায়তার নিশ্চয়তা প্রদান করেন।
ভোলা জেলা পুলিশ নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা এবং আইনগত সহায়তায় বদ্ধপরিকর। এই নেক্কারজনক ঘটনায় জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। ভুক্তভোগী শিশু ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষা ও আইনি সহায়তা নিশ্চিত করতে ভোলা জেলা পুলিশ সার্বক্ষণিক পাশে রয়েছে।
প্রকাশক ও সম্পাদক : বাহাদুর চৌধুরী মোবাইল: ০১৩২৩০০২৩৭৭
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যলয়ঃ চৌধুরী কমপ্লেক্স, চেয়ারম্যান বাজার, চরফ্যাশন, ভোলা ।
মোবাইলঃ০১৩২৩০০২৩৭৭'''' T.L.No:183 T.I.N:534926870539