
বাহাদুর চৌধুরী: দৈনিক দক্ষিণের অপরাধ সংবাদ।
ভোলা সদর ১ নং আসনের বহুল আকাঙ্ক্ষিত নির্বাচন শেষ হয়েছে। বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু এই নির্বাচনের পেছনে যে ত্যাগের ইতিহাস লুকিয়ে আছে—তা কেবল একটি বিজয়ের গল্প নয়, এটি আত্মত্যাগ, সাহস ও অবিচল বিশ্বাসের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
অসহায়, দরিদ্র ও নিপীড়িত মানুষের আস্থার ঠিকানা ভোলা জেলা শ্রমিক পার্টির সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধার গর্বিত সন্তান আলহাজ্ব জামাল উদ্দিন চকেট—তার দৃঢ় ও আপসহীন নেতৃত্বে হাজার হাজার নেতাকর্মী জীবন বাজি রেখে মাঠে ছিলেন। ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থকে সমর্থন দিতে গিয়ে তিনি একাধিকবার মৃত্যুর হাত থেকে ফিরে এসেছেন। সন্ত্রাসী হামলা, প্রাণনাশের হুমকি, শারীরিক নির্যাতন—কিছুই তাকে দমাতে পারেনি। ব্যক্তিগতভাবে ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির শিকার হয়েছেন, তবুও আদর্শ ও অঙ্গীকার থেকে একচুলও সরে যাননি।
তার নেতৃত্বে শ্রমিক পার্টির নেতাকর্মীরা রক্তাক্ত হয়েছেন, নির্যাতিত হয়েছেন, তবুও শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত জাতীয় পার্টি বিজেপির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থের বিজয় নিশ্চিত করতে ভোটকেন্দ্রে প্রহর গুনেছেন। তারা শুধু ভোটের রাজনীতি করেননি—তারা বিশ্বাসের রাজনীতি করেছেন। তারা নিজেদের নিরাপত্তা, স্বার্থ ও স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন দিয়ে বিজয়ের মালা পরিয়ে ঘরে ফিরেছেন।
আজ প্রশ্ন একটাই—
এই আত্মত্যাগ, এই অকুতোভয় সংগ্রাম, এই নিঃস্বার্থ সমর্থনের যথাযথ মূল্যায়ন কীভাবে করবেন ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ?
যখন আলহাজ্ব জামাল উদ্দিন চকেটের মৃত্যুকে উপেক্ষা করা সাহসিকতার কথা উচ্চারিত হবে, যখন শ্রমিক পার্টির নেতাকর্মীদের রক্তঝরা দিনের কথা স্মরণ করা হবে—তখন যেন কৃতজ্ঞতা ও দায়বদ্ধতায় ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থের বুক কেঁপে ওঠে।
কারণ এই সমর্থন ছিল না কোনো স্বার্থের সমীকরণ—এ ছিল বিশ্বাসের অঙ্গীকার, আত্মার সম্পর্ক, আদর্শের লড়াই।
শ্রমিক পার্টির প্রতিটি নির্যাতিত, ত্যাগী ও গর্বিত নেতাকর্মীর আজ একটাই প্রত্যাশা—
এই ত্যাগের প্রতিদান যেন শুধু কথায় নয়, বাস্তব পদক্ষেপে প্রতিফলিত হয়।
Publisher & Editor: Bahadur Chowdhury
Mobile: 01323002377
Editorial & Commercial Office: Chowdhury Complex, Chairman Bazar, Char Fasson, Bhola
Mobile: 01323002377
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ।