
মোঃ আশরাফ ইকবাল পিকলু মাজমাদার
খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান।
কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আলামপুর ইউনিয়নের অন্তর্গত দহকুলা বাজারে অবস্থিত সোনালী ব্যাংক পিএলসির দহকুলা শাখা স্থানান্তরকে ঘিরে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। দীর্ঘ ৪৬ বছর ধরে সফলভাবে সেবা দিয়ে আসা এ শাখাটিকে চুক্তিভঙ্গ করে ভাদালিয়া বাজারে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয়দের দাবি,ব্যাংকটি বর্তমানে লাভজনক অবস্থায় থাকলেও কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীর গোপন ষড়যন্ত্রে শাখাটিকে সরিয়ে নিতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গোপন সূত্রে বিষয়টি জানতে পেরে এলাকাবাসী শাখা ব্যবস্থাপক এবং ডিজিএম-এর সঙ্গে আলোচনা করলে তারা ব্যাংক স্থানান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আন্দোলনরত এলাকাবাসী অভিযোগ করেন,শাখা ব্যবস্থাপক ও ফিল্ড অফিসারের মাধ্যমে এক নারীর সঙ্গে অর্থনৈতিক লেনদেনের বিনিময়ে ব্যাংকটি ভাদালিয়া বাজারে নেওয়ার উদ্যোগ হয়েছে। অথচ কাগজপত্রে দহকুলা বাজারের বর্তমান ভবনটিকে জরাজীর্ণ উল্লেখ করে স্থানান্তরের যৌক্তিকতা দেখানো হয়েছে,যা বাস্তবে অসত্য বলে দাবি স্থানীয়দের।
স্থানীয়দের ভাষ্য,সরজমিন পরিদর্শনে ভবনটি জরাজীর্ণ নয়। তারা যখন শাখা ব্যবস্থাপককে প্রশ্ন করেন ভবনটিকে কেন জরাজীর্ণ বলা হয়েছে,জবাবে তিনি জানান, উপরমহলের চাপে তিনি এ প্রতিবেদন দিয়েছেন। এতে এলাকাবাসী নিশ্চিত হন যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতাতেই এ স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয়দের দাবি,যে সুবিধার কথা বলে ব্যাংকটি ভাদালিয়ায় নেওয়া হচ্ছে,একই সুবিধা দহকুলায় প্রদান করতে আমরা প্রস্তুত। প্রয়োজনে আমরা ভবনটি দোতালায় রূপান্তর করে জায়গার পরিধি বাড়িয়ে দেব।
তারা আরও জানান,দহকুলা শাখার আওতায় প্রায় এক হাজারের বেশি প্রবাসী নিয়মিত রেমিটেন্স পাঠান। শাখাটি সরিয়ে নিলে প্রবাসী পরিবারসহ সাধারণ গ্রাহকরা মারাত্মক ভোগান্তিতে পড়বেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ,ব্যাংকের সঙ্গে ১০ বছরের চুক্তি থাকলেও এ পর্যন্ত মাত্র আড়াই বছর মেয়াদ অতিক্রান্ত হয়েছে। চুক্তির মাঝপথে শাখা স্থানান্তর সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য বলে দাবি তাদের।
এলাকাবাসী বলেন,৪৬ বছরের ঐতিহ্য বহনকারী দহকুলা সোনালী ব্যাংক শাখাটিকে কোন অবস্থাতেই সরানো যাবে না। আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি,ব্যাংকের স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হোক।
এলাকাবাসীর দাবি,দহকুলা শাখা যেন ভাদালিয়া বাজারে স্থানান্তর না হয় এবং চুক্তি ভঙ্গের অপচেষ্টা বন্ধ করা হোক।
প্রকাশক ও সম্পাদক : বাহাদুর চৌধুরী মোবাইল: ০১৩২৩০০২৩৭৭
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যলয়ঃ চৌধুরী কমপ্লেক্স, চেয়ারম্যান বাজার, চরফ্যাশন, ভোলা ।
মোবাইলঃ০১৩২৩০০২৩৭৭'''' T.L.No:183 T.I.N:534926870539