
এম মনিরুল ইসলাম
বিশেষ প্রতিনিধি।
সাতক্ষীরা জেলার লক্ষাধিক মানুষ সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল। বাংলাদেশের অহংকার সুন্দরবনে একে একে ডাকাত/জলদস্যু তৎপরতা চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।
সীমা ছাড়িয়েছে।
বন বিভাগের বৈধ অনুমতি নিয়ে সুন্দরবনে গেলেও জেলে বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপন আদায়,অমানবিক শারীরিক নির্যাতন করে লক্ষ লক্ষ টাকা জুলুম করে আদায় করে ডাকাত দল।দিনে দিনে হাজারো জেলে পরিবার সর্বস্বান্ত হয়েছে। ঋণে জর্জরিত হয়ে অনেকেই এলাকা ছেড়েছেন। তিল তিল করে যেমন তাল হয়। অসহায় জেলেদের পরিবারের আহার ছিনিয়ে নেয়া, খাবার যেখানে নেই, ঋণ করে অপহরণের টাকা দেয়া। সব মিলিয়ে-
মজলুম জনগোষ্ঠীর সকল যন্ত্রণার হাহাকার-আজ বিশাল একটি আন্দোলনের রূপ নিয়েছে।দোয়া করি আন্দোলনটি যেন পূর্ণতা পায়। সম্প্রতি উপকূলীয় অঞ্চল উপজেলা এবং জেলা সদরেও মানববন্ধন সহ আন্দোলন চলমান রয়েছে। শ্যামনগর মাননীয় ইউ এন ও পুলিশ সুপার মহোদয় বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করা হয়েছে।জুলুমের বিপক্ষে কথা বলতেই হবে। আসুন আমরা সকলে একসাথে আওয়াজ তুলি, নিরাপদ সুন্দরবন চাই। দস্যুমুক্ত সুন্দরবন চাই।
জনমত জরিপে উঠে আসা প্রাপ্ত তথ্যে প্রকাশ,শত শত জেলে বাওয়ালি,সুধী ব্যক্তিবর্গ,সাংবাদিক সমাজ,বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ,সুন্দরবন থেকে চিরতরে জলদস্যু নির্মূলে,মাননীয় সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এই মর্মে, বন পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় ও প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের সুদৃষ্টি কামনা করা যাচ্ছে। দক্ষিণবঙ্গের শেষ উপকূলীয় এলাকা গাবুরা থেকে শুরু হওয়া মানববন্ধন ও আন্দোলন কর্মসূচি- বুড়িগোয়ালিনী মুন্সিগঞ্জ ভেটখালী শ্যামনগর এমনকি সাতক্ষীরা জেলা সদরেও সুন্দরবন থেকে জলদস্যু নির্মূলে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সুন্দরবন থেকে জলদস্যু নির্মূলে সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন ব্যতীত, আন্দোলন চলমান রাখার আহ্বান জানানো যাচ্ছে।
দলমত নির্বিশেষে সকল শ্রেণী পেশার মানুষকে নিরাপদ সুন্দরবন বিনির্মাণে অংশগ্রহণের জন্য বিশেষভাবে আহ্বান জানানো গেল।
কার্যালয়: তালুকদার ভবন, ৩য় তলা, বাংলাবাজার ভোলা। ০১৮৮৫৫২১৪৮৪
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ।